লড়াকু

একটি ষাড় নিয়ে দ্রুত বেগে
এক সাথে কয়েক জন যুবক
ছুটে চলেছে পিছু হেটে আর
দু’জন সকলের আগে বাগে।

ষাড়টিকে কত দিয়েছে সাজ
তার সাথে অনেক লোক যারা
সুর লহরী ধরে চলছে ষাড়েরও
শুনতে পাই হুংকার আওয়াজ।

উপস্থিত হলো বড়ো এক মাঠে
পরে লড়াই আরম্ভ করে দিলো
হটাৎ একটি দৌড়ে গুতো মেরে
দিলে এক দুর্ঘটনা গেলো ঘটে।

গুতোয় একজন আঘাত পায়
আঘাতে মারাত্মক রক্তাক্তের
ফলে কিছুক্ষণ পরে কষ্ট পেয়ে
লোকটি মাঠের মধ্যে মরে যায়।

কার মরণ কই কেউ না জানে
কিন্তু আল্লাহর রাস্তাতে চলতে
থাকলে দুনিয়া এবং আখেরাত
শান্তি রয় আল্লহকে যারা মানে।

অবসর বিনোদনের আছে পথ
যেথা আছে শারীরিক আরোও
মানষিক কল্যাণ যতোই নিহিত
সেথায় কতো রয় মঙ্গল ও মহৎ !

Similar Posts

  • যাহা লাউ তাহাই কদু

    ওই ছেলেটির নাম যে হয় সাধু,তার ক্ষেতে আছে অনেক কদু।একটি কদু কিনে আনল যদু,সে বলল ইহা কদু নয় যেন মধু !তখন একটু খেয়ে নিলেন দাদু,আনন্দে ডাকলেন নাতনি নাদু।কদুর রঙ ছিল খুবই যেন সাদা,স্বাধে কত যেন লেগেছিল ধাঁধা।ছেলেটির পিতার নাম কলিম,তিনি ডাকলেন এসো ডালিম।কহিলেন তুমি বাজারে যাবে,সেখানে কচি সাদা কদু পাবে।সুন্দর দেখে একটি তুমি নিবে,সকলে মজা…

  • রাতারগুল জলাবন

    বাংলাদেশের একটি মিঠা পানির জলাবনসিলেটের গোয়াইনঘাটে অবস্থিত দর্শনিয়নান্দনিক জলাবন রাতারগুল কত আকৃষ্টকরে প্রত্যন্ত অঞ্চলের আবাল বৃদ্ধ বনিতাআরো সর্বস্তরের লোকের কেড়ে নেয় মন। একমাত্র জলাবন হিসেবে মনে করা হতোরাতারগুলকে একসময় বাংলাদেশে তবেপরবর্তীতে জুগির কান্দি মায়া বন বুজিরবন ও লক্ষ্মী বাওড় জলাবন নামে আরওজলাবনের বাংলাদেশে খুঁজ মিলে কতো। সবার মধ্যেও অন্যতম জলাবন রাতারগুলপৃথিবীতে মিঠা পানির কেবল বাইশটি…

  • পুরুষ শাসিত সমাজ

    বাংলাদেশের নারী নির্যাতনপুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থামূল কারণ কোন মূল্য দেয়াহয় না শুধুই করে জ্বলাতন। নারীদের তো অবজ্ঞা করেপুরুষরা ভাবে তারা শাসকওদের আদেশ মানার জন্যজন্ম হয়েছে পুরুষের তরে। পুরুষ মনে করেই শ্রেষ্ঠ বলেতারা থাকেই নারী নির্যাতনেযে সব পুরুষ তাদের চোখেনারীদেরকে দাসী মনে চলে। দুর্বলতায়ও নির্যাতন চালায়দৈহিক আরো মানসিক কষ্টনারী-পুরুষদের থেকে দুর্বলচোখ বুজে সহ্যে শুর মিলায়। যতো…

  • সর্বহারা !

    একমাত্র বন্ধু মোর কইতারে ছাড়া মনের ব্যথাকারে প্রকাশ করে রই? পরেছি কলঙ্কের মালাজানে সব আলা পালাকত যে প্রাণের জ্বালা! প্রাণ বাঁচে না সে ছাড়াআন্তরিক যা মুক্ত ধারাঅন্তরটি মোর সর্বহারা! স্বজন ছেড়ে একা রইএজন্যে যা কলঙ্কী হইমনের দু:খ কারে কই? বন্ধু আমার আছে দূরেএখন অবস্থান মধুপুরেভুলে গেছে সে আমারে! খাবার খাদ্য লয় না মনেভাবতে থাকি নিশিদিনেকরব…

  • সাক্ষাৎ মিলে !

    অন্তরঙ্গ বন্ধু ত্রস্তেই কোথায় যাচ্ছো বলচলার গতিবেগ মন্থর করে তুমি আমায়বিষদ ভাবে প্রকাশ কর তোমার কি হল। ভাবমূর্তিতে প্রতীয়মান সম্ভব দূরেই যাবেআচ্ছা যাও অসুবিধে কোন আমার নেইহয়তো সেথা তোমার আরোও বন্ধু পাবে। যাওয়ার প্রাক্ষালেই অল্প সময় তুমি দাওউভয়ের মধ্যে বহু দিন পর সাক্ষাৎ মিলেগেলো তাই গল্প সেরে খাবার খেয়ে নাও। আচ্ছা প্রিয় বন্ধু এত দিন…

  • বার্ধক্যের জ্বালা !

    কতো মূল্যবান সময় পেরিয়ে যায়খেয়ালে বেখেয়ালে বা অবহেলায়শৈশব- কৈশোর-যৌবন ফুরিয়ে ওবার্ধক্য জমে থাকে যত অবেলায়! কত সাধ – আহ্লাদ মনের কোনে রয়ক্রমে অস্পষ্ট হতে হতে অদৃশ্য হয়েরঙিন দুনিয়ার যতো তামাশা সমাপ্তআর বাঁচার আশাটি নিভে শেষ হয়! খুব ঘনো কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়েদাওয়ায় বসে বসে ঝিমায় দু:খ কষ্টশরীরের ভাঁজে তার কখন যে বাসাবেঁধেছে ক্রমান্বয়ে নিস্তেজ হয়…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *