অভিমান

অভিমান  নিজের প্রতি  কষ্ট বাড়ায় অনুভব

বসবাস  করে ভালোবাসায় প্রাপ্তি হয় সুলভ 

অনুভূতি মৃদু যার পরিধি  বিস্তৃত তার উদ্ভব।

অনেক সময় অবস্থা থাকে না প্রকাশ করার 

 তাই যে বিষয় প্রকাশ করা যায়না  তা গড়ার অনেক বেশি কঠিন কষ্টের হয় তাকে ধরার।

এর  মধ্যে  অধিকার  বিষয়টি জড়িত থাকে অভিমান  তার  উপর  যার উপর আস্থা রয় 

কিছু  অনুভূতি  থাকে  ভালোবাসার ফাঁকে।

অহঙ্কারও  যদিবা  মাত্রার  বাইরে চলে যায়

সুষ্ঠ  সুন্দর ও সম্পর্ক  নষ্ট  করার দেয় সায় 

দীর্ঘ স্থায়ী না হওয়ার তা খুজতে হবে উপায়।

অপ্রাপ্তি থেকেই  যত  আত্মমর্যাদা বোধ হয়

আর  হতাশা অভিমানে  থাকে  যা  কত রয়

কিন্তু  ইহা  হলে ও সহজে বোঝার মত নয়।

Similar Posts

  • আজব পৃথিবী

    আজব প্রানীর নাম মানুষসকল আল্লাহর আবিষ্কৃততাঁদের দৌরাত্ম্য উদাত্তস্বরশক্তির জোরে আর দাপটেচললে থাকেনা তাদের হুশ। মানুষের বড় আবিষ্কার টাকাঅনেকে ঘুরে টাকার পিছনেকেমন করে বেশী তারা নিবেঅনুকূলে সর্বদা আছে ধান্ধাযেথায় নেই যে কোন ফাঁকা। জগতের মধ্যে যার ই যতসমস্যা সমাধান হচ্ছে কতআজব পৃথিবীতে মানুষেরচলার পথে বাহ্যিক ব্যবহারসবার উপর প্রমাণ শতশত। বর্তমান সময় চিন্তা হেথায়বদলে গেছে অনেক যেথায়মসজিদ…

  • কখন কি হয়

    রাত শেষ হলেই কত কিছু হয়কারো ভাগ্যে দুঃখ ও কষ্ট সয়!অনেক রয় খাল বিলের তটেপুকুর নদী আরো খেয়া ঘাটে!যান বাহনে চলতে থাকে কতঅকস্মাৎ দুর্ঘটনা ও ঘটে যত!দুর্ঘটনায় কত লোক যায় মরেকেউ আরো কষ্টে পাঞ্জা লড়ে!অভাব অনটনের চিন্তায় বিষন্নদুর্ভোগ কষ্টেই সুখ হয় নিশ্চিহ্ন!অশান্তির দায় সম্পর্ক হয় ছিন্নমনের মিলের হয় অনেক ভিন্ন।অগনিত মানুষের ভাগ্য প্রসন্নআরাম আয়েশ ও…

  • মুগ্ধকর

    ব্যক্তি পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্রের অধিকাংশসদস্য যদি সত্য কথা বলার দিকেই বিশেষখেয়াল রাখেন তাহলে জাতি ধর্ম বর্ণ দলমতনির্বিশেষে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব কলহ ঝগড়া-বিবাদ হিংসা-বিদ্বেষ লোপ পাবে অনেকাংশ! কথাবার্তা বক্তৃতা দ্বারা কোনো সময় গর্ব নয়অহমিকা বাহাদুরি শ্রেষ্ঠত্ব এবং আত্মপ্রচারকরতে না রয় কখনো বক্তব্য দ্বারা মানুষকেবিভ্রান্ত না করার নির্দেশ অথচ লোকেরাইঅকারণে বক্তৃতাকে দীর্ঘায়িত করতেই রয়! দীর্ঘ বক্তৃতাকারীকে কেউ…

  • শীতার্ত সকাল

    মুখ দেখে বুঝতে পারিনি কষ্টে ভরা মনসর্বদা কতো ফুর্তি আমোদ আনন্দ আরউল্লাসে হেসে খেলেই কেটে দেয় জীবন। চলার পথেও শীতের সকালে হল দেখাতার চাহনি আরো হতাশার করুন ছাপদেখে জিজ্ঞাস্যে কয় ভাগ্যের যত লেখা! সে এক হতভাগাও অনাথ এতিম ছেলেঅনেক ছোট কালে মা হারায়ে একমাত্রপিতার মায়া মহব্বতে তার জীবন চলে! আরোও কিছু দিন পরে পিতা যায়…

  • দৃষ্টি নন্দন

    আল্লাহতায়ালা সবকিছু করেছেন সুশোভিততাঁর সুনিপুণ সৃজন দক্ষতায় সৃষ্টি জগতেরসৌন্দর্য নান্দনিকতায় রেখেছেন সুসজ্জিত। চন্দ্র সূর্য তারকা দ্বারা রেখেছেন সৌন্দর্যময়আকাশ আর জমিনকে গাছ-গাছালি ফলফলাদিপূর্ণ করেছেন দৃষ্টি নন্দন শোভাময়। পাহাড় -পর্বত নদী-নালা সৃষ্টি মানুষের দায়খাল বিল পুকুর ভরা জল চতুষ্পদ জন্তুকেদিয়েছেন অধীন করে যাতে উপকার পায় । সব চেয়ে শ্রেষ্ঠ সুন্দরতম সৃষ্টি হচ্ছে মানুষআল্লাহ সুশ্রী গঠন উত্তম অবয়ব-চেহারায়তৈরি…

  • সুখে – দু:খে জীবন !

    বিচরণ করছে যার-তার ভাবেসকাল দুপুর রাতের বেলা কেকোথায় যাতায়াত করে সবারপ্রয়োজন মতো ছুটছে ই সবে। অনেকে যা সুখ সাচ্ছন্দ্য ভরেহাসি খুশী আরো ফুর্তির ফলেঅগোচরেই আনন্দ অশ্রু পড়েউৎফুল্ল উল্লাসের সীমা না ধরে! কাহারো জীবনে কত কষ্ট বয়তারা তো কখনো শান্তিতে নয়অবর্ননীয় দুর্ভোগ কপালে সয়নিপিড়ন জ্বালাতন ভাগ্যে রয়! রাব্বুল আলামীন আল্লা পাকনির্মল আর পবিত্রই তাঁর জাতঅধম পাপিষ্ঠ…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *