লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়
আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।
কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়
কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।
গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকে
কেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।
শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করে
কতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।
দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়
পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।
কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে পৌছায়
গিয়ে দেখে কেহ তার দোকান গোছায়।
পরক্ষণে যার যত ও কেনা কাটা করে
আবার মিলিত হয়ে ই বাড়ির পথ ধরে।
শিশু কিশোর যুবক যত জোরেই হাঁটে
ক্লান্ত হয়ে তারা আবার বসে যায় মাঠে।
একটু জিরোয় আবার চলে তারা বেশ
আনন্দ খুশিতেই সবার যাত্রা হয় শেষ।

Similar Posts

  • রহিম ও রহমান

    মানুষ জীবজন্তু সব খোদার সৃষ্টি,তাদের কল্যাণেই তিনি দেন বৃষ্টি।গাছ পালা তরুলতা বৃষ্টি যে পায়,সজীবতা আসে প্রাণে বৃষ্টির দায়।খোদা করেছেন সৃষ্টি মানব-জীন,সুযোগে থাকে জীন করতে হীন।জীন চীর শত্রু ইনসান এর যে হয়,মহাগ্রন্থ আল কোরানে প্রমাণ রয়।জীনদের প্রধান কাজ ধোকা দেয়া,মানব জাতিকে তারা কুপথে নেয়া।আশরাফুল মাখলুকাত মোরা সব,দৃঢ়মনে আল্লাহ রাসুলের পথে রব।মহান আল্লাহ পাক রহিমও রহমান,আল্লাহর রাসুল(সঃ)…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

  • স্বর্গের সাজ।

    অসত্যের ধনই কষ্টের মূল হয়ে দাঁড়ায়অস্থানে অসামাজিক কতোই আন্যায়েআরো অবিচারে এগিয়ে এসে অসংখ্যখরচ করে শান্তিকে ই সে দূরে তাড়ায়! জগতে সব চেয়ে বেশী ধন ঐশ্বর্য যারঅধিক ক্ষেত্রেই কত ক্ষমতা থাকে তারপ্রতিটি শাস্তিই সম্পূর্ণরূপে ন্যায়বিচারআল্লাহর কাছে পাবো সকলে সুবিচার! বিপদে পড়লেও সৎ লোক আবার উঠেঅসৎ পড়লে একেবারে তার ধ্বংস ঘটেযারা পৃথিবীতে করে যায় খোদার কাজআখেরাতেই পরিধান…

  • ক্ষুধায় কাতর !

    অনাথ হতভাগা একটি ছেলেজন্মের ছয় মাস আগেই তারবাবা আর পাঁচ বছরের শেষেমা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেআত্নীয়ের বাড়ীতে স্থান মিলে! অভাবে তাঁদেরও যত কষ্ট হতছেলেটি সকাল হলেই পাশেরএক মাঠে ছাগল চরাতে যেতবিকেলে বাড়ীতে ফিরার পরেহাত ও মুখ ধোয়ে সেরে নিতো! চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতোকখনো ফুলের দ্রুত – বৃদ্ধি ওপ্রজাপতির ডানা -মেলা এসবভাবতে অবশেষে সারা দিনেরক্লান্তি ও…

  • ফ্যাকাশে মুখ !

    আমি সন্ধ্যায় বাড়িরই বারান্দায় বসেএকদিন চিন্তা যা করেছিলাম শহরেরঅলি গলিতে অব্যাহত জীবন-সংগ্রামনিয়ে ওরা কতো ঘন বসতি ভাবে বাসকরে একে অন্যে সকলে মিলে মিশে ! হকারদের আরোও চিৎকার চেঁচামেচিপেয়েছিলাম যে শুনতে প্রত্যেকে হাঁকছাড়ছিল এরই মধ্যে দাঁড়িয়ে দৃষ্টিপাতকরে অনেক লোকের ভিড় শীঘ্র গিয়েদেখি সব বয়সের ছাড়াও আছে কচি! সেথায় যেন একটি শিশু উপস্থিত রয়একদম ঘেসে আমার কাছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *