সংকটে মুক্তি

রহিম রহমান আর দয়াময় যিনি
মোদের সংকটে মুক্তি দেন তিনি।
তাঁর দয়ার ভান্ডার কতই অসীম
করুনা ও করেন তিনি সীমাহীন!
আল্লাহ তায়ালা আমাদের প্রভু
দয়া থেকে ও বঞ্চিত হব না কভু।
তাঁর অনুগ্রহ পেতে ইবাদত কর
আল্লাহ রাসুলের সঠিক পথ ধর।
ধরণীতে যত জীব চলতে আছে
সকলের খাদ্য ও পর্যাপ্ত রয়েছে।
সৃষ্টির পূর্বেই খাদ্য করেছেন দান
মোরা সকলে ও পাই যার প্রমাণ!

Similar Posts

  • দুষ্ট প্রকৃতি

    দুষ্ট প্রকৃতির অনেক লোকঅপরের ভাল সহ্য করেনিসর্বদা ক্ষতির চিন্তায় থেকেআড়ালে রাখে তাদের মুখ। কোন ভ্রুক্ষেপ করেনি তারাপরের হক নষ্ট করে আরোভরাডুবির যা ধান্দায় থাকেস্বার্থ লাভে সময় দেয় যারা। উন্নত জাতি আমরা মানুষসবার মতি গতি ঠিক রেখেপরের হিতার্থে সকলে উত্তমকাজ কর্মে খরচ করো হুশ। নিজের জন্য যাহা পছন্দ হয়অন্যের তরেও যেন আজীবনপরের মংগলে মূল্যবান সময়আরো ভালো…

  • তোমরা ভালো থাকো

    কত দূরে চলে গেছো তোমরাযাওয়ার হয়েছে অনেক দিনপ্রতিদিনই ফোনে যা কথা হয়তারপরও কেনো যেন কেউইখুব শান্তিতে নেই তো আমরা! রাইফাকে নিয়েই তাইফা সাথেচলতো সারাক্ষণ খেলায় তারাহাসি খুশিতেও সময় কাটাতোকখনোবা তারা আমাকে নিয়েপায়চারিও করতো ধরে হাতে। সকলে মিস করছি তোমাদেরওরা দুজন হৈ চৈ করতো কততাদের একজন আছে সাথেওর বিরহে সবই নিরব থাকতখুশিতে ধারে কাছে আমাদের। আল্লাহর…

  • নিজস্ব সৌন্দর্য !

    জীবনকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়কখনোও এসব ছেড়ে ছুড়ে হেরে যেতে রয়! প্রত্যেকটি জিনিসের নিজস্ব সৌন্দর্য আছেতা অনুভব করতে পারলে সব মিলে গেছে! সহজে জেতার আনন্দ উল্লাস নেই যেথায়বাধা বেশী হলে বিজয়ের আনন্দও সেথায়! কেউ কাউকে শেখাতে পারে না অভিজ্ঞতাপর্যায়ক্রমে কাজ করলে ই বাড়ে যোগ্যতা! পৃথিবীর জ্ঞানী মানুষ পরামর্শ দিতে পারেনযতক্ষণ না নিজে অভিজ্ঞতাটি লাভ…

  • আন্তরিক বন্ধু

    স্বপ্ন কেবল তাকে নিয়েই দেখযে শুধু দেখায় না বাস্তবায়নওকরে এমন কাউকে নিয়ে দেখনা সে যদি নিজে দেখলে পরেহারিয়ে যায় তাহলে দূরে রেখ। কষ্ট নিজে লক্ষ্য রাখতে পারেনিজের দু:খ ব্যথা বেদনা যতকিন্তু আনন্দ পুরোই উপভোগকরতে চাইলে অবশ্যই কারোসঙ্গেও ভাগ করে নিবে যারে! মানুষের জীবনে কতো আসাআর সে আসা পূরনের জন্যেদিন রজনী অনেক সময় যতকষ্ট সাধনা করে…

  • সাধন ভজন

    আচানক নামটি তাঁহারআরো কত বছর আগেঅসীম পারদর্শী ছিলেনধ্রুপদ সংগীত সব রাগে। সুনাম আর খ্যাতিতে নামকতো করেছিলেন অর্জনকিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলোযেনো মেঘের মত গর্জন। খুব ভোরে বা সাঁঝে যখনসাধন ও ভজন হতো শুরুভাবতে হতো বরষার মেঘডাকছে অনেক গুরু গুরু। এতোও অধিক উচ্চে ওঠেকারো গলার কতো কাজশেষে প্রবচনে বলে তাকেযত জোরেসুরে আওয়াজ।

  • দুঃখী ছেলে

    একদা একটি ছেলে কেঁদেছিল বসেসে ছিল তখন একটি ওয়ালে ঘেঁষে!সাথীর ঝামেলায় তাকে পায়নি দুষেঅপরাধ তার আসেনিত অংক কষে!লুকানো কষ্টে সে ফুপিয়ে কেঁদে উঠেঅসহায় অভাগাদের দুর্গতি যত ঘটে!কহিলাম কি হয়েছে রে ছেলে তোর ?গায়ে হাত দিয়ে দেখি তার প্রচন্ড জ্বর!খাতা আছে কলম নেই বলে সে কাঁদেআমার কথায় তার কান্নার বাদ সাধে!আমি শুধালাম বলারতো দরকার নাইবন্ধুদের কাছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *