নৌকা বাইচ

জনসমাগমের কতই ভীড়
সিলেট সুরমা নদীর তীর।
বর্ষায় পানির কতই জোর
সৌখিনদের ঘুরছে মোড়।
তারা বাইচ মাইকিং করে
নৌকায় নদীটি যায় ভরে।
নানা রঙের নৌকা আসে
প্রচুর লোকই থাকে পাশে।
নৌকা সুন্দর যত রঙ করা
বাদ্যযন্ত্র তত নৌকায় ভরা।
নৌকা বাইচ আরম্ভ ও হয়
মন্দিরা জুরে বাজতে রয়।
পাইক মন প্রাণ দিয়ে বায়
প্রথম পুরুষ্কারই যেন পায়!
মন্দিরা ঢোলের বেশী সুর
ভেসে যায় তা অনেক দূর!
দর্শকবৃন্দও থাকিয়ে থাকে
কর্তৃপক্ষ মাইকে নাম হাঁকে!
বিকেল বেলা বাইচও শেষ
সময় ফুর্তিতেই কাটে বেশ!

Similar Posts

  • মাটির পৃথিবী

    যে আন্তরিকতা বোঝে না কোনকেহ তাকে তা শেখাতে গেলেওকখনো শিখানোই যায় না যেন। অসহায় পৃথিবীর সব চেয়ে বেশীযে নিজের রাগ অভিমান আরোকষ্ট না দেখিয়ে হয়ে যায় দোষী। কাঁদতে পারে নাহি চিৎকার করেচোখের জল লুকিয়ে অন্যকে নাবুঝতে দিয়ে শুধু মাত্র হাসে পরে। সেই বেশী হাসে যে গোপনে কাঁদেআরো নিজেকে হ্যাপি দেখানোরশতো চেষ্টা তদবির করে অবাধে। যে…

  • কৌশলে সহজ হয়

    জীবন যেন এক যন্ত্র বিশ্বায়নের এ যুগেকাজ আর চিন্তায় জীবনে যে অস্থিরতানিয়ে মানুষ সারাক্ষণ-ই কীসের পেছনেছুটছে জীবনকে দিন দিন যেনো ব্যস্ততাঅসহনীয় ও কঠিন করে সকলে ভোগে। জীবন কখনও যা উঠছে অসহনীয় হয়েপারিবারিক সামাজিক আর কর্মস্থলেরইপ্রভাবে তবে জীবনের এ ব্যস্ততা ছাড়তেনাহি পারলেও কৌশলে জীবনকে সহজকরে তুলতে হবে একে সহজভাবে নিয়ে। পরিবর্তন আনতে তো কৌশলী হতে হবেসে…

  • বামনের মুভমেন্ট

    একদা সন্ধ্যা বেলাপায়চারী করতে গিয়েএক মাঠে দেখি খেলা। আচানক এক দলছোট বড় কত দাঁড়িয়েআছে দেখতে ভলিবল! বামন আছে ঐ দলেতারা এত বেটে সবাইসর্বোচ্চ চার ফুট বলা চলে! উদগ্রীব দর্শক বৃন্দখেলা শুরু হলে ভোগকরবে কত হবে আনন্দ! আরম্ভ হলো খেলাকি চমৎকার মুহূর্ত ছিলআচানক জমছিল যেন মেলা! ওরা বল যবে মারেহৈ হুল্লোড় চিৎকার করেদর্শক উল্লাস প্রকাশ করে!

  • দৌরাত্ম্য

    কোনো অহংকার বা বড়াই করোনা ভাইতোমার স্বাস্থ্য ধন জন সহায় সম্পদ সববর্তমানে হয়তোবা সুস্থ সুন্দর সবল আরঅঢেল পরিমাণে আছে কিন্তু কোন একসময়ে দেখা যাবে এর কিছুই বহাল নাই। ধরার বুকে কত লোকের দৌরাত্ম্য ছিলোযুগ ও যুগান্তরে সুঠাম দেহো টাকা পয়সাবিত্ত ও বৈভব যার যতো কিছু পূর্বে ভোগবিলাসের অধিকারী সময়ের পরিবর্তনেরকারণে পর্যায়ক্রমে অনেকের চলে গেলো। অনেকে…

  • আরো চাই আরো চাই

    পৃথিবীতে হায়! কেহ শান্তি নাইযার আছে অঢেল সম্পদ আরটাকা পয়সা দালান অট্রালিকাযত বেশী তার আরো কত চাই। দোকান পাঠ বাজার যত হাটেব্যবসা বাণিজ্য করছে সকলেআরো শত চাকরি বাকরি করেজল স্থল নদী সমুদ্র খেয়া ঘাটে। সকলে শুধু যেন পাওয়ার দায়রাত পোহালেই সকাল সন্ধ্যায়কিভাবে কোথায় কেমনই করেসর্বক্ষণ রয় ধান্ধা কত যে পায়।

  • ভাঙা আয়না !

    বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথাভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকেসুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা। একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসেআয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতেচিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে। এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিলআধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটেখোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল! ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *