অস্ত্র ধরে

অচেনা এক লোক
অনেক তারই দুঃখ!
ফ্যাকাসেও যার মুখ
ধড়ফড় করছে বুক!
হাফিয়ে ভয়ে বলে
বুক ভেজা ও জ্বলে!
কান্নার শব্দ যা কত
কষ্ট ভরা হৃদয় শত!
বলা হলো শান্ত হও
কথা পরিষ্কার কও।
সে তখন পেল বল
সন্ত্রাসী যা এক দল।
দু’ভাই বাজারে যাই
ব্যবসায় টাকা পাই।
সন্ধ্যায় বাড়ি যেতে
সব গোছিয়ে নিতে।
সন্ত্রাসীরা যেই ধরে
কত মারামারি করে!
টাকার ও জন্য ওরা
ওকে যা মারে তারা!
সাথেই ছিল যে ভাই
এখন তার প্রাণ নাই!
ভাইকে হত্যার পরে
মারতে অস্ত্র ও ধরে!
তাকে ও ধাওয়া দেয়
আত্নরক্ষার পথ নেয়!
কি করুন দৃশ্যই তার
সহ্য করাই শত ভার!
হৃদয় বিদারকও যত
অন্তর কাপছেই শত!

Similar Posts

  • পাল তুলে দে

    কোনো মাঝি থাকে না যদিনদী নালা অতিক্রম করতেবৈঠা হাতে নিয়েই মনানন্দেবেয়ে যেতে থাকো নিরবধি। বসে থাকলেই গুটিয়ে হাতলক্ষ্য স্থানেতো ঠিক সময়েপৌঁছা সম্ভব না হয়ে আরোহয়ত সেথা রবে বেশী রাত। বাতাস যদি বইতে রয় তবেকষ্ট সহ্য করে দাঁড় টানবারবৈঠা নৌকাতে রেখে তখনিমাস্তুলেও পাল তুলতে রবে। ছেড়ে দিও না কখনো হালদাঁতে দাঁত রেখে কষ্টগুলোচেপে ধরো হয়তো বাতাসেগন্তব্যে…

  • আল্লাহ মহান

    আল্লাহ করেছেন জগত সৃষ্টি,আমাদের কল্যাণে দেন বৃষ্টি ।জীন ইনসান পশু পাখির দল,দিয়েছেন তিনি সকলের বল।পুকুর নদী নালা সাগরের জল,গাছ গাছালীর মিষ্টি মধুর ফল।খোদার করুণায় রসে টলমল,নানা রঙের ফলে করে ঝলমল।অসংখ্য অগনীত দান সমাহার,সহায় সম্পদ সহ প্রচুর আহার।যতই করি মোরা তাঁর গুণ গান,শেষ করার নয় তিনি যে মহান।

  • লেলিহান শিখা !

    ফজরের নামাজ সম্পন্ন হলেকয়েকজন রাস্তাতে পায়চারিকরতে তখন তারা সব একত্রহয়েই যাত্রা আরম্ভ করে চলে। অদূরে দেখল জ্বলছে আগুনবাড়ি ঘরের কতো লোক জনআগুন নিভানোর জন্য আসেতখন বেড়ে যায় প্রায় দ্বিগুণ। সময় আরো যত এগিয়ে যায়বাতাসের গতির তালে তালেঅগ্নির লেলিহান বেড়ে গেলেউপস্থিত সবাই কত কষ্ট পায়। পরে সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেঅত্যধিক পানি ছাড়ার জন্যেআগুনের আধিক্য কমে থাকেএতে সবার…

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

  • প্রস্থান !

    চীর স্মরণযোগ্য আজকের এ দিনসহকর্মী জনাব মোঃ মমিনুল হকের বিদায়ী অনুষ্ঠানে ছোট্ট এক কবিতাআমি আবৃত্তি করে যাব সরেজমিন! বিদায়ের ব্যথাতে চোখে আসে জলঅদ্যকার আমার বিদায়ী আন্তরিকসহকর্মীর সাথে অসংখ্য ও অগনিতকত দিন কাটলো সিলেটের কর্মস্থল! সুখ ও দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতামউভয়ের ব্যক্তিগত পারিবারিক আরো অফিসিয়ালি বিষয় পরস্পরের মধ্যে তাতে কতো যেন সহযোগিতা পেতাম! আগামীতে হয়তোবা দূরে…

  • পুতুল খেলা

    তাইফা রাইফা দু’টি বোনখেলায় থাকত বেশীক্ষণ।ঘটি বাটি থালা বাসন যতসেগুলো নিয়ে খেলত তত।পুতুলের দিত কানে দোলকেউ নিলে হতো গন্ডগোল।পরাতো তারা সুন্দর শাড়িউভয় হাতে পরাতো চুড়ি।দু’টি বোন গলাগলি করেআনন্দের সীমা নাহি ধরে।পুতুল দু’টি দুজনের হাতেআদর সোহাগ দিত তাতে।ঘুম পাড়াতো নিয়ে কোলেস্নেহ যা করত হেলে দুলে।জন্মদিন উৎসব উদযাপনউল্লাস কত করত জ্ঞাপন।পুতুল ওদের মনে হয় সবতারা করতো অসীম…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *