মা বাবার সন্তোষ্টিতে সব সুখ

পথের ধারে বাড়ি তার সেথায় তারা রয়
তার ছোটো ভাই বোন মুকুল আর পুতুল
সংসারে মা বাবা সহ মোট পাঁচ জন হয়।

রাতুল বড়ো তাই ধরেছে সংসারেরই হাল
সর্বদা রুজি রোজগারের ধান্দায় থাকেও
কখনো মাঠে মাছ ধরতে নিয়ে যায় জাল।

বয়ষ্ক মা ও বাবা এখন কাজ কর্মে অক্ষম
ভাই বোন তিন জনের মধ্যে রাতুল যে বড়
খানা খাদ্য যোগাড় করতেই ব্যস্ত সর্বক্ষণ।

তাদের সংসারে কত অভাব অনটনই রয়
অসুখ হলে কাজ কর্ম থেকেও বিরত হয়
দিন রাত অনেক সময় দু:খ কষ্ট কত সয়।

মুকুল বড় হলে এক দোকানে চাকরি নেয়
সকাল হতে সন্ধে পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে রয়
মাস শেষে বাবার হাতে বেতনের টাকা দেয়।

মা ও বাবা তাদের জন্য অনেক দোয়া করে
তাঁরা উভয় কত না খুশি সন্তানদের উপরে
আল্লাহও রাজি হয়ে যত অভাব নেন দূরে!

Similar Posts

  • পরিশ্রমী পতঙ্গ

    মৌমাছি ক্ষুদ্র উপকারী যা পরিশ্রমী পতঙ্গবিশ্বের সর্বত্র এবং জুড়ে রয় মোদের বংগ।সামাজিক পতঙ্গ থাকে দলবদ্ধ ভাবে তাইগাছ পালায় ও অন্যান্য স্থানে দেখতে পাই।মৌমাছিরা ফুলের পরাগায়ন ঘটায় তারাবনজ ফলদ কৃষিজ উৎপাদন বাড়ায় যারা।ওদের প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে আনা হয়বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ও পালন করতে রয়।মৌমাছিরা আকারে মাঝারি ও শান্ত বলেতাই এদের বাক্সে লালন-পালন করা চলে।অন্ধকার স্থান গাছের ফোকর…

  • জীর্ণ বস্ত্র !

    চলার পথে দূর থেকে দেখি রাস্তার ধারেএক লোক জড়ো সড়ো হয়ে পড়ে আছেকৌতুহল বসত তার পাশে গিয়ে দেখতেপাই পরনে ছেড়া কাপড় সম্পুর্ণ নিস্তেজহয়ে গেছে আস্তে করে ডাক দিলে তখনউঠেনি পুনরায় ডাকলে পরে হাত নাড়ে! প্রথম দেখে বুঝতে মোর একটু দেরি হয়অবস্থা দেখে বুঝতে পারিনি এখনো কিসে বেঁচে আছে নাতো শেষ নিশ্বাস ত্যাগকরে এ নশ্বর পৃথিবী…

  • বার্ধক্যের কষ্ট

    বার্ধক্য আসলেই মানুষ কষ্টে পড়ে যায়হাসি খুশি চলা ফেরায় শান্তি নাহি পায়। বয়স্করা সবার থেকে যত ই বেশি করেআগ্রহ আকাংখা বাড়ে অন্যেরও তরে। যৌবনকালে বেশী করে যত কিছু করোবার্ধক্যের স্মরণে তা সঠিক রাস্তা ধরো। তরুণদের মূলমন্ত্র থাকে আদর্শ জীবনসুন্দর সঠিক পথ আনে কল্যাণের মরণ। বয়স্করা যুদ্ধের অনেক আহ্বানও করেতারুণরা নিজেতো সেই যুদ্ধ করে মরে। যুবক…

  • অনাকাঙ্ক্ষিত !

    বর্তমানে কতো কি যে ঘটেমানুষ গড়ার কারিগর আরপরম সম্মানিত শ্রদ্ধাভাজনশিক্ষকদের ললাটে কখনোঅনাকাঙ্ক্ষিত যতো জুটে ! তাঁরা শ্রদ্ধাশীল মোরা জানিকঠোর পরিশ্রম ও সাধনারসাথে স্নেহ মমতা দিয়ে সবেউপযুক্ত শিক্ষা দেন এজন্যছাত্র -ছাত্রী হয় জ্ঞানী গুনি! নতুন প্রজন্মে তাঁদের ক্ষেত্রেঐসব থাকেনি অনেক সূত্রেছাত্র -ছাত্রী যত বিদ্যালয়েরমাঝে গ্রুপ বেঁধে চলে কতোকিছু তার ফোটে উঠে চিত্রে! সামান্য কিছুতে বেরিয়ে যায়শিক্ষকদের…

  • শীতের রাত

    ঋতু চলছে যখন শীতের , ছেঁড়া কাঁথা গায়ে গীতের।সুর লহরীতে মুখরিত মুখ,বুঝবেনা যেন আছে দুঃখ। ঢাকায় বাংলা একাডেমী,টান্ডার তীব্রতাও কমেনি।উদ্যানের দেয়ালের সাথে, কয়েক জন শীতের রাতে।সবাই আগুনের নেয় তাপ, পাশে নেই তাদের মা বাপ।নেশা দ্রব্য কেউ পান করে, অকালে ই তারা যায় মরে।অনেকেই থাকে ফুট পাথে, আলাপ হলে তাদের সাথে। জানা যায় আরো বেশ তত্ত্ব, যত কিছু বলছে হবে সত্য।

  • চড়ুই পাখি

    সবার কাছে আসে সত্যিকারের জ্ঞানপ্রচেষ্টায় থেকে করে ফিকির ও ধ্যান। আমরা যত বুঝতে পারি যেমন যখনবিদ্যা শিক্ষা অর্জনে লেগে যাই তখন। নিজেদের সম্পর্কে কতো কম জানিতপস্যায় থাকলে সবে আয়ত্তে আনি। আমাদের চারপাশে যত কিছু আছেখোঁজ নিলেই মিলবে অনেক রয়েছে। কেউই সত্য জেনে করে না তো ভুলভাল মনে হয় করে বাজে গণ্ডগোল। সমাজও জানে চুরি করা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *