ভাবুক এক ছেলে !
ভাবুকটির বয়স যখন ষোল হল
তখন তার মনটাও পোলিশকৃত
আয়নার মতো হয়ে তাতে সবুজ
মাঠের প্রতিচ্ছবি যত ভেসে গেল।
হৃদয় গহ্বর শূন্য উপত্যকার মত
যখন হয় ফিরিয়ে দিতে লাগলো
সকল শব্দের প্রতিধ্বনি যতো যে
বিকেলে শুনলো চারিদিক তখন।
ঝর্নার পাশে বসেও ভাবছে বটে
গভীর ভাবে ঝর্ণাটি ভূগর্ভ থেকে
উৎসারিত যেমন কবির কল্পনা
থেকেই ভাবনার উৎসারণ ঘটে।
পরে ভাবছে পাতাগুলোকে নিয়ে
যেগুলোর রঙ হলুদ এবং অস্থির
আরো মৃত্যু মানব-আত্মা নিয়ে ঐ
পাকা গাছের ই পাতাগুলো দিয়ে।
ফুলের উপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করল
দেখতে পেল ধীরে ধীরে নির্জীব
হয়ে যতো শুকিয়ে যাচ্ছে সকল
ফুল আর বীজগুলো ঝরে পড়ল।
মেয়েরাও নিজেদের গয়না গাটি
সোনারূপা যুদ্ধ বিগ্রহের দিনে ই
গুপ্ত রাখে যেমন নিজের গর্ভেতে
গুছিয়েই বীজগুলো রাখে মাটি।
মোরা জীবন-পেয়ালা পান করি
তাতে নৈরাশ্য আশংকা ও ক্লান্তি
দূর করে ইবাদতে যদি রত থাকি
আল্লাহ পাক নিবেন উদ্ধার করি।