স্বার্থভোগী

রাজ্য নষ্ট অবিচারেতে জ্ঞানী গেছেন বলে
ভাগ্য ছাড়া দেশ করছে স্বার্থভোগীর দলে
অঘটন ঘটালো কতো ভালো করবে বলে
শেষে মাথায় কুড়ালি মারলো ইহার ফলে।

চালাবে সাবধানে নৌকা সত্যের হাল ধরে
ভাল লোকের জাত গেল যত কু সঙ্গ করে
সোনার দেশে কতো জনে দুর্গতি আনলো
সময় আছে এখনোও হুশ বুদ্ধি করে চল।

এ পৃথিবীতে কল্যাণের কাজে ছিলো যাঁরা
সার্থ ত্যাগেই সমৃদ্ধিতে কাজ করেছে তাঁরা
সৎ আরো সুন্দর ছিলো তাঁদের চলাফেরা
সু চিন্তা পরিশ্রমে কতো উন্নত করেছে ধরা।

দয়াময় রহমানুর রাহিম পাক পরোওয়ার
অগনিত আর অসংখ্য কত দয়ামায়া যাঁর
বিরাজমান যতোই মোরা সৃষ্টি কেবল তাঁর
আল্লাহর করুণাতেই আখেরাত হবো পার।

Similar Posts

  • মন কান্দেরে !

    আমার দাদু ছোট মনিকতোই যে স্নেহের খনি ,সুন্দর সুন্দর কথা কয়আমরা মন দিয়ে শুনি! আদরের ই সোনা মনিখিল খিল করেই হাসে ,ফোঁকলা দাঁত দেখতেসবাই একসংগে মিশে! হাসি দেখে আমরা সবেসীমাহীন সুখ যতো পাই,সোহাগের ছোট্ট নাতনীমোদের সাথে কিন্তু নাই! নিজে নিজে ফোন করেআলাপই ধরে মিষ্টি সুরে ,তার বড় বোনকে ডাকেআনন্দে কথা হয় জুরে! খোদা মেহেরবান কতোআরো…

  • জগৎ অনেকের রঙ্গশালা !

    পৃথিবীর কতো মানুষের কষ্ট চোখ দিয়ে ঝরেঅনেকের ব্যথা মেজাজ দিয়েও প্রকাশ করেআর যাদের দু:খ হৃদয়ের মাঝে শুকিয়ে মরেচেপে রাখতে না পারলে কাঁদে জোরে সোরে! কাহারো বেদনা আছে যা তাকে তুকিয়ে মারেদুঃখ নিজেই নিজের খেয়াল রাখতে যে পারেআনন্দ পুরোটা উপভোগ করাতেই চায় যারেঅবশ্য কারো সঙ্গে ভাগ করে নিতে হয় তারে! কতো বন্ধু ছাড়া থাকার কোনো সাধ্য…

  • কষ্টের ভাগ !

    রাতের আকাশে দেখা যায় লক্ষ তারার মেলাচাঁদকে যা ঘিরে যেনো তারাদের যতো খেলা। অসংখ্য ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাবো যদিচো বাড়াই হাততুমি আমার কাছে যেনো বন্ধু আকাশের চাঁদ। সকালে তোমার আগমন শিশির কণার মতোআবার এসো সন্ধ্যার সময় রক্ত জবাও যতো। রাতের আকাশে জ্বালাও তুমি জোনাকি হয়েসারা জীবন চলে যাবে তুমি বন্ধুর মতো রয়ে। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত…

  • কি বা আসে যায় ?

    তুমি কিন্তু নদীর ন্যায় একটি মাত্র কূলসৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত শিউলি বকুল ফুল। সকাল বেলার রবি আর চাঁদের আলোদূর হয়ে যায় ঘোর অন্দকার ও কালো। পূর্ব আকাশের সূর্য কতোই দেয় আলোতোমার সাক্ষাৎ হলে মনে লাগে ভালো। আশাতেই বাঁধি বুক তোমার অপেক্ষায়আমায় নিয়ে ভাবলে কি বা আসে যায়। জীবন আমার ধন্য হয় বন্ধুর দেখা হলেসুখ প্রশান্তি আরো কতো…

  • ঔদ্ধত্য বর্জন

    সকলের সাথে শেয়ার করেবহির্মুখী ব্যক্তিরা নিজেদেরমনের কথাগুলো ও তাদেরফ্রেন্ড সার্কেল বড় হয় পরে। সবার মধ্যে শক্তি করে লাভএকসাথেও একাধিক কাজসারে গ্রুপে পছন্দ নেয় পরেমিলেমিশে চলার জন্মে ভাব। সর্বদা এক সাথে চলতে চায়অন্য যে কোন লোকের সঙ্গেতাল মিলিয়ে চলাফেরা করেমনের মধ্যেও সুখ শান্তি পায়। অন্তর্মুখী ব্যক্তিরা খামুশ থাকেতারা অন্য মানুষের সাথে কথাকম বলতে পছন্দ করে আরোনা…

  • লোকজন প্রস্তুতি নিয়ে বাজারে যায়আশ পাশের কত প্রতিবেশী সাথী পায়।কয়েক জন একত্রে হেঁটে রওয়ানা দেয়কেউ বা শিশু কিশোর যুবক যত নেয়।গল্প গুজব করে করে হাঁটতে ও থাকেকেহ আবার বিড়ি ধরিয়ে টানে ফাঁকে।শিশু কিশোররা কত দৌড়াদৌড়ি করেকতেক শিশু চলে যেন হাতে হাত ধরে।দৌড়াদৌড়ি করে ও সবার আগে যায়পরিশ্রান্ত হয়ে পরে সামনে তো দাঁড়ায়।কিছুক্ষণ পরেই ওরা বাজারে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *