অফুরন্ত দয়া পাই !

মোর প্রিয় ছোট দু’টি নাতনী যারা
সকাল দুপুর সন্ধ্যায় রাতের বেলা
খেলা ধুলাতে রতো থাকতো তারা।

জেগে উঠার পরেই দাঁত ব্রাশ করে
ডাইনিং রুমটিতেও উপস্থিত হয়েই
হাসি খুশি করে চেয়ারে বসত পরে।

আনন্দ ফুর্তিতেও তারা মগ্ন থেকে
যৎ সামান্যই নাস্তা ও পানীয় সেরে
কথা বার্তাতেই কখনো যেত বেঁকে।

পক্ষে বিপক্ষে তারা করতো নালিশ
তাদেরকে সামলাতে সোহাগের ছলে
কিছুক্ষণ ওদের জন্য চলত সালিশ !

তাদের ভাষ্যে সবার মন কেড়ে নিত
কখনো মৃদু কান্না পরক্ষণেই উল্লাস
করে মোদের হাসির খোরাক দিতো।

ছোটো নাতনিটি মোদের পাশে নাই
তার বড় বোনও বিরহ ব্যথায় ভোগে
প্রত্যেহ ফোনালাপে সবে শান্তি পাই।

ছেলে,বউমা,নাতনীসহ সবার তরে
সৃষ্টি কর্তার নিকট সকলেই প্রার্থনা
করার আবেদন থাকল হৃদয় ভরে!

আল্লাহর কাছে আমরা প্রার্থনা করি
যথাযথ ইবাদত বন্দেগী করে যেনো
মোরা তাঁর অফুরন্ত দয়া পেতে পারি!

Similar Posts

  • জীবন ও জীবিকা

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে দেশেমানুষের শতো দুঃখ ও দুর্ভোগঅনেকের জীবনে আছে মিশে। জীবন ও জীবিকার জন্য ব্যস্তসবাই সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্তউপার্জনে নিয়োজিত রাখে হস্ত। কিভাবে উপার্জন করতে পারেএ চিন্তায় সময় ব্যয় করে পরেআয় উন্নতির কাজ কর্ম সারে। সাধনা পরিশ্রমে জীবন ঘোরায়দৃঢ় মনোবলের সহিত কাজকর্মসম্পন্ন করে সব অভাব তাড়ায়।

  • যাতনা

    ঐশ্বর্য বিত্তশালী আছে অনেক লোকওদের অসংখ্য কখনো ভোগেনি দুঃখ!ধন সম্পদ প্রাচুর্যে ও জীবন যত ভরাসম্পদের আধিক্যে কষ্ট করেনি তারা!দুঃখ কষ্টে কোনদিন ও পড়ে নাই যারাযাতনার কোন ভোগান্তিই পায়নি ওরা!তাদের যত কিছুর প্রয়োজন যবে হয়যথাশীঘ্র সম্ভব ততই সংগ্রহ করে রয়!অভাব অনটনের কতনা থাকে জ্বালাওদের অভাব নেইতো করে অবহেলা!ধনাঢ্য পরিবারে আরো জন্মও যাদেরসর্বদা পাশে রয় শান্তি যত…

  • চড়াই উৎরাই !

    কেউ করোনা কোন বড়াইপৃথিবীতে কত লোক ছিলটিকে রয় নি চড়াই উৎরাই! কাহারও প্রচুর ছিল সম্পদসময়ের বিবর্তনে তার সবইগেছে থাকে নি তা নিরাপদ! আরো ছিলো যতো মহাবীরশক্তি ক্ষমতা কতো ই দাপটলোপ পেয়ে হয়ে গেল ধীর! ঐশ্বর্য বিত্ত আর ধন সম্পদযথাযথ ব্যবহার না করাতেকত লোকের হয়েছে বিপদ! আল্লাহ পাক অসীম রহমানতাঁর উপাসনা বন্দেগী করেইহ পরকালে পাব পরিত্রাণ!

  • বার্ধক্যের জ্বালা !

    কতো মূল্যবান সময় পেরিয়ে যায়খেয়ালে বেখেয়ালে বা অবহেলায়শৈশব- কৈশোর-যৌবন ফুরিয়ে ওবার্ধক্য জমে থাকে যত অবেলায়! কত সাধ – আহ্লাদ মনের কোনে রয়ক্রমে অস্পষ্ট হতে হতে অদৃশ্য হয়েরঙিন দুনিয়ার যতো তামাশা সমাপ্তআর বাঁচার আশাটি নিভে শেষ হয়! খুব ঘনো কুয়াশার চাদর মুড়ি দিয়েদাওয়ায় বসে বসে ঝিমায় দু:খ কষ্টশরীরের ভাঁজে তার কখন যে বাসাবেঁধেছে ক্রমান্বয়ে নিস্তেজ হয়…

  • সে অসুস্থ !

    সামান্য লিখে যাইমোর ছোট নাতনিঅসুস্থ হয়েছে তাইঅন্তরে শান্তি নাই! ওর হলো সর্দি জ্বরশরীরে সুখ আরামআয়েশ প্রশান্তি নাইথমকেছে কণ্ঠ স্বর! আরো আছে কাশিকখনো কমে আবারবাড়ে অশান্তি লেগেবেশী নেই হাসি খুশী! আমরা প্রার্থনা করিনাতনীর সুস্থতা দানকরার জন্যে একত্রেসবে আল্লাকে স্মরি!

  • দুর্বিষহ

    সময়ের উল্টো গতি,ঠিক নেই মতিগতি।বাজার মূল্যের চড়া,মন ছানাবড়া।তেলের তেলেছমাতি,পিয়াজের উর্ধগতি,মানবকূলের দূর্গতি।জীবনের তাগিদ জিবীকার,চতুর্দিকে হাহাকার ।ভিষন্ন মন,সময় ক্ষেপন!কিংকর্তব্য বিমোড়ের মত,চিন্তা – ফিকির অবিরত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *