ঋতু বৈচিত্র

       

গরমে লোকজন হতাশ,
যদিবা না থাকে বাতাস।
খাঁ খাঁ রোদে হাহাকার,
মাঠ ঘাট যেন নিরাকার।
উত্তপ্ত বালু রাশি পাথর,
উত্তাপে লোকজন কাতর।
বর্ষায় মোশল ধারে বৃষ্টি,
চতুর্দিকে জলাশয় সৃষ্টি।
চলাচলের হয় অসুবিধা,
ছাতা ছড়া থাকেনা সুবিধা।
শীতের আগমন যবে ঘটে,
জামা পোশাক পরে বটে।
কাঁথা কম্বল লেপের কদর,
অনেকে পরে সুয়েটার চাদর।
বয়ষ্ক দীন হীন গরীব যারা,
বেশী কষ্টে থাকে শীতে তারা।
শির শির শীতে কাপুনী ধরে,
শীতের প্রকোপে অনেকে মরে।

Similar Posts

  • স্বার্থভোগী

    রাজ্য নষ্ট অবিচারেতে জ্ঞানী গেছেন বলেভাগ্য ছাড়া দেশ করছে স্বার্থভোগীর দলেঅঘটন ঘটালো কতো ভালো করবে বলেশেষে মাথায় কুড়ালি মারলো ইহার ফলে। চালাবে সাবধানে নৌকা সত্যের হাল ধরেভাল লোকের জাত গেল যত কু সঙ্গ করেসোনার দেশে কতো জনে দুর্গতি আনলোসময় আছে এখনোও হুশ বুদ্ধি করে চল। এ পৃথিবীতে কল্যাণের কাজে ছিলো যাঁরাসার্থ ত্যাগেই সমৃদ্ধিতে কাজ করেছে…

  • পাল তুলে দে

    কোনো মাঝি থাকে না যদিনদী নালা অতিক্রম করতেবৈঠা হাতে নিয়েই মনানন্দেবেয়ে যেতে থাকো নিরবধি। বসে থাকলেই গুটিয়ে হাতলক্ষ্য স্থানেতো ঠিক সময়েপৌঁছা সম্ভব না হয়ে আরোহয়ত সেথা রবে বেশী রাত। বাতাস যদি বইতে রয় তবেকষ্ট সহ্য করে দাঁড় টানবারবৈঠা নৌকাতে রেখে তখনিমাস্তুলেও পাল তুলতে রবে। ছেড়ে দিও না কখনো হালদাঁতে দাঁত রেখে কষ্টগুলোচেপে ধরো হয়তো বাতাসেগন্তব্যে…

  • দূর্ঘম পথ অতিক্রম

    যত মনে পড়ে যেন তখন খুব ছোট ছিলামসেদিন আমি বাড়িতে একা আম্মু বললেনবাবা তুমি কি তোমার বোনের বাড়ী যেতেপারবে খুশির হাসি দিয়েও পারব বললাম। তাহলে বাবা তুমি যাত্রা সেদিকে শুরু করযাতায়াত করতে সতর্ক হয়ে চলতে থাকোকোন বিপদের সম্মুখীন না হয়ে যে সহজেউপস্থিত হও আল্লার নামও যত জপন ধর। তিনি বললেন বাছাধনের জন্য দোয়া করিআল্লাহ যেন…

  • জীবন্মৃত !

    চতুর্দিকে অথৈ জলদৈনন্দিন যতো নিত্যপ্রয়োজনীয় যা ছিলভেসেই গেলো গভীরপানিতে করে টলমল। কতো তলিয়েও যায়ভারী জিনিসপত্র সবচোখের নিমিষে ডুবেগেলে শেষে মানুষেরমনে যা অশান্তি পায়! পানির যা স্রোত ছিলশক্তিশালী স্রোতেরইটানে কতো কোলেরশিশু আর বয়ষ্কদেরজলে ভাসিয়ে নিলো! সকল তলিয়ে গেছেঅনেকের পরিবারেহয়তোবা দু’একজনব্যতীত অন্যান্য যতজলে ভাসিয়ে নিছে! জীবন্মৃত কত লোকসব হারায়ে যে বেঁচেআছে চোখে ও মুখেকেবল হতাশার চিহ্নঅন্তরে অসংখ্য…

  • স্বতন্ত্র অস্তিত্ব

    বিশ শতকের প্রথম পূর্ববঙ্গও আসাম প্রদেশ সহযোগেএক নিত্য নতুন প্রদেশ হলেএ অঞ্চলে হয় যে অন্য একজাতীয়তা বোধ সৃষ্টির সংগ। ১৯০৫ সালেই ‘বঙ্গভঙ্গ’ পানও ১৯১১ সালে ‘বঙ্গভঙ্গ’ রদকরা হলে পূর্ব বঙ্গের মুসল –মানরা তাঁদের স্বতন্ত্র অস্তিত্বনিয়ে যত ভাবনায় পড়ে যান। শুরু করে ১৯৪৭ সালে তারাভারত ভাগ পর্যন্ত আঞ্চলিকএবং ধর্মীয় পরিচিতির মিশনথেকে বাঙালি মুসলমানের ওরাজনৈতিক মনস্তত্ত্ব গড়ে…

  • নিস্তেজ

    স্থায়ী নয় গায়ের জোরসময়ের বিবর্তনে লোপপেয়ে শরীরটি নিস্তেজআরো বাড়ে কমজোর। বীরত্ব বাহাদুরি ও শক্তিযাদের বর্তমানে অধিকস্মরণ রাখা উচিত পূর্বেটিকে রয়নি এসব ব্যক্তি। সত্য ও ন্যায়ে চলে গেলেসৃষ্টি কর্তার শতো সন্তোষ্টিঅর্জনের ফলে অবশেষেউভয় স্থানে আরাম মিলে। আল্লার অনুগত হয় যারাইবাদত উপাসনাতে উভয়জাহানের কর্মের সব ফলসুখ শান্তিতে ভোগে তারা!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *