ভাবতেও কষ্ট হয় !

মা আমাদের মাঝে নেই ভাবতে বড় কষ্ট লাগে
প্রতিদানের মানসিকতা নিয়ে তাঁর সন্তান বড়ো
করেন না সন্তানদের চিন্তা করেন আগে বাগে।

অপরাধবোধ আর অপারগতার জন্য ক্ষমা চাই
শুধু মার্জনা চাওয়া ছাড়া এ মুহুর্তটিতে কিই বা
করার আছে এসব অক্ষমতার যেন মুক্তি পাই!

দেখিনি সাফল্যে আর তোমার উচ্ছ্বাসময় হাসি
নানা প্রতিকূলতায় আশার বাণী শোনব না তো
আর কখনো এ জন্যে শুধু মাত্র ভাগ্যকে দোষী!

তোমার যত ভালোবাসা আর স্নেহে বেঁচে আছি
আবেগে আকূলতায় তোমার মূখটি ভেসে ওঠে
স্মৃতির মণিকোঠায় তোমার মায়ায় মিশে গেছি!

কারণে-অকারণে দিয়েছি আরো যতো না কষ্ট
আমাদের জন্যে নি:সঙ্গ কত সময় কেটে গেছে
নি:স্বার্থভাবে এত কিছুর পরেও হই নি সন্তোষ্ট!

Similar Posts

  • নির্লজ্জ

    নির্লজ্জ বেহায়া পনায়ভরে গেছে মোদের দেশরূপসী আর সুন্দরীদেরআউলা ঝউলা কেশ! হাট বাজার ছাড়া তাদেরেযথায় তথায় দেখতে পাইপর্দা পুশিদা ছেড়ে দিয়েছেসম্মানে থাকার উপায় নাই ! শালীনতার সব হারিয়েআধুনিক হয়েছে যতোসৃষ্টি কর্তার লানত কিন্তুবহন করছে শতো শতো ! নশ্বর পৃথিবীর নারী পুরুষহর হামেসা করতেছে দোষইহ পরোকালে শান্তি চাইলেসবাই চলতে হবে করে হুশ!

  • দারুণ কাহিনী

    কতো শান্ত পরিবেশে বসেঅবসর সময় পার করতেআলাপ চারিতায় কতজনসেথা একজন গেল এসে। শেষে করুণ কাহিনী বলেচলার পথে এক রিক্সাকেচলন্ত বাস সজোরে ধাক্কাদিলেই দুর্ঘটনা ঘটে ফলে। যাত্রী চিৎকার করে কতোতার শরীরের বিভিন্ন স্থানেআঘাত পেয়ে ব্যথা বেদনাপেয়ে কান্নাকাটি করে যত। লোকেরা ফার্মেসিতে নেয়ফার্মাসিস্ট ভাল করে তারপরীক্ষার পরে প্রয়োজনীয়পথ্য ও প্রেসক্রিপশন দেয়। অবশেষে বাসায় নেয়া হয়অপেক্ষমান মা বাবা…

  • দুঃখ দিও না !

    সাথী তুমি কার মন্ত্রণা পেলেআবারো এখানে কেন এলে। প্রথম ফাগুনে যা নবীন বেশেধনীরে তো ভালোবেসে হেসে। যাদের আছে বেশ টাকাকড়িমেলায় যায় তারা তাড়াতাড়ি। গরিব দু:খীদের মাথায় বাড়িবাড়িতে বসেনা পাকের হাড়ি। ঘর বাড়িতেই যার খাবার নাইমেহমান আসে মেয়ের জামাই। যতো মেলা আছে করি মানাএভাবে তুই আর আসিছ না। গরিবদের আর দুঃখ দিছ নাজ্বালা যন্ত্রণা আর বাড়াছ…

  • হৈহৈ রৈরৈ !

    খোকা-খুকু সকলে জানে ছন্দমিলে মিশে করে কতো আনন্দ। ছোটদের থাকে যত মিলজোলসামান্যতে লাগে শত গণ্ডগোল। ঘুমের আগে বাবুদের থাকে হৈচৈখেলা ধুলায় আরোও করে রৈরৈ। খেলাতে তাদের যতো তাড়াহুড়াহেরে গেলে মন থাকে ছানাবড়া। দোলনা ও মায়ের কোলে শান্তিবঞ্চিত হলে তাদের রয় অশান্তি! শৃঙ্খলাতে সেনাপতি সোলজারমাথায় থাকেই বিষম গোল যার! কতো রোগে ভোগে বৃদ্ধ রামানন্দদূরে চলে যায়…

  • বামনের মুভমেন্ট

    একদা সন্ধ্যা বেলাপায়চারী করতে গিয়েএক মাঠে দেখি খেলা। আচানক এক দলছোট বড় কত দাঁড়িয়েআছে দেখতে ভলিবল! বামন আছে ঐ দলেতারা এত বেটে সবাইসর্বোচ্চ চার ফুট বলা চলে! উদগ্রীব দর্শক বৃন্দখেলা শুরু হলে ভোগকরবে কত হবে আনন্দ! আরম্ভ হলো খেলাকি চমৎকার মুহূর্ত ছিলআচানক জমছিল যেন মেলা! ওরা বল যবে মারেহৈ হুল্লোড় চিৎকার করেদর্শক উল্লাস প্রকাশ করে!

  • বয়স্কদের মূল্যায়ন

    কেউ বলে না বয়স্কদের কথাসবাই কেবল শিশুদের আরোযুবকদের কথা বলে যথাতথা। গণমাধ্যমে নেই বললেই চলেবার্ধক্য বিষয়টি যা প্রবীণদেরপক্ষ থেকে এ আভাস মিলে। এক্ষেত্রেতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশসবে করে যে যুগান্তর তাদেরএই অভিযাত্রায় দেয় আভাস। সংবাদ ও ফিচার তুলে ধরেছেকয়েক বারই বার্ধক্যের বিষয়েফলে এস্থানে আসতে পেরেছে। যৌবনা পৃথিবী ঝিমিয়েই যাচ্ছেক্রমেই যেন তাই এখন থেকে ইপ্রবীণবান্ধব সমাজ গঠন হচ্ছে।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *