টেস্টোস্টেরন-এর ঘাটতি কি সন্তান জন্মদানে বাঁধা

টেস্টে-স্টোরন পুরুষের যৌন উত্তেজনা মূলক হরমোন হলেও, 

এর ঘাটতি সব সময় বন্ধ্যাত্বের কারণ হয় না। 

কম টেস্টো-স্টেরন থাকা সত্ত্বেও এক জন পুরুষ শুক্রানু উৎপন্ন করতে পারেন,

কারণ শুক্রানু উৎপাদন প্রধাণতঃ অন্যান্য হরমোন দ্বারা উদ্দীপ্ত হয়। 

তবে টেস্টো-স্টের-নের মাত্রা কমে গেলে শুক্রানু উৎপা-দনের মাত্রা কমে যেতে পারে।

টেস্টো-স্টের-নের মাত্রা অন্ডো-কোষে বেশি থাকে।

টেস্টো-স্টেরন কম হলে যৌন মিলনের ইচ্ছা কমে যায়। 

স্বাভাবিক ভাবে টেস্টো-স্টেরন কমলে সন্তান জন্ম-দানে সমস্যা হয় না, 

কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণে টেস্টো-স্টের-নের ঘাটতি হলে, 

কোনো কোনো পুরুষ সন্তান জন্ম-দানে অক্ষম হন। 

টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ বাড়লে কী হয়?

পুরুষের দেহের টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ অতিরিক্ত,

বেড়ে গেলে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায়, 
শুক্রা-শয়, 

শুকিয়ে যায় ও যৌন অক্ষমতা বেড়ে যায়।

সেই সাথে হৃদ যন্ত্রের পেশি ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে হৃদ রোগে,

আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
প্রোস্টেট অ স্বাভাবিক হারে,

বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সেই সাথে প্রস্রাবের সমস্যা, 

দেখা দিতে পারে। তাছাড়া যকৃতের সমস্যা দেখা যায়।

টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ বাড়লে পায়ে পানি জমতে পারে ও, 

পা ফুলে যেতে পারে। শারীরিক ওজন অনেক ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পায়।

উচ্চ রক্ত চাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, 

এবং রক্তে কোলে-স্টের-লের মাত্রা বেড়ে যায়।

 প্রতি নিয়ত ঘুমের পরিমাণ কমে যায় এবং মাথা-ব্যথার পরিমাণ বেড়ে যায়। 

কিশোর-কিশোরী-দের ক্ষেত্রে খাটো হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। 

সেই সাথে আচরণ-গত বিভিন্ন ত্রুটি পরি-লক্ষিত হয়, 

যেমন- হঠাৎ রেগে যাওয়া বা সব সময় নিশ্চুপ হয়ে থাকা।

টেস্টো-স্টের-নের পরিমাণ কমলে কী হয় ?

দেহ-ত্বকের লোম সংখ্যা কমে যেতে পারে
পেশির ঘনত্ব কমে যেতে পারে।

অক্ষমতা, ইন-ফার্টি-লিটি কিংবা শুক্রাণু সংখ্যা, 

কমে যাওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। 

সব কিছুতেই অমনো যোগী হয়ে ওঠা ও মানসিক,

অব-সাদের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পেয়ে হাড় ভেঙে যাওয়া বা, 

ফ্রাকচার হওয়ার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

কিভাবে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব?

টেস্টো-স্টেরন জনিত সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে, 

চিকিৎসার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে দু’ধরণের চিকিৎসা হয়ে থাকে। 

এলো-প্যথি এবং হোমিও-প্যথি। এলো-প্যথি
টেস্টো-স্টের-নের ঘাটতি থেকে,

রেহাই পেতে এলো-প্যথি চিকিৎসা একটি কার্যকরি চিকিৎসা। 

এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে ঔষধের পাশা পাশি ইঞ্জেকশন, 

টেস্টো-স্টেরন থেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসাও কার্যকর। 

তবে কিছু ক্ষেত্রে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এ বিষয়ে সতকর্তা জরুরি।

হোমিও-প্যথিঃ

টেস্টো-স্টেরন হর-মোনের ঘাটতি দূর করতে হোমিও-প্যথি চিকিৎসা অনেক কার্যকরী।

হোমিও-প্যথির চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ হলেও কোনো রকম পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই।

 তাই টেস্টো-স্টেরনের ঘাটতি কমাতে হোমিও-প্যথি, 

ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

Similar Posts

  • কোলেস্টে-রলের মাত্রা বেড়ে গেলে

    কারও রক্তে কোলেস্টে-রলের মাত্রা অস্বাভাবিক পর্যায়ে বেড়ে গেলে, তা আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাকৃতিক নিয়মে ও, লাইফ স্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে স্বাভাবিক মাত্রায় কমিয়ে আনতে পারি। প্রাকৃতিক উপায়ে কোলেস্টে-রল কমানোর পরিবর্তে চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক, ক্ষতিকর ঔষধ খেয়ে আমরা নিজেদের উপকারের চেয়ে ক্ষতিই করি বেশি। আমরা অনেক সময় অসুস্থ হয়ে থাকি স্বাস্থ্য সচেতন-তার অভাবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য ন্যূনতম…

  • মাংসপেশিতে টান পড়লে কী করবেন

    মাংসপেশিতে টান পড়তে পারে নানা কারণে। মাংসপেশিতে টান পড়া বা শরীরের কোন অংশ মচকানো বেশ সাধারণ একটি সমস্যা। যাকে বিশেষজ্ঞের ভাষায় মাসল পুল, মাসল সোরনেস, স্ট্রেইন, স্প্রেইন, ক্র্যাম্প, স্প্যাজম ইত্যাদি বলা হয়ে থাকে। মাসল পুল কেন হয়, কাদের হয়:মাংসপেশিতে অতিরিক্ত টান খেলে বা টিস্যু ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে বলে জানিয়েছেন ফিজিওথেরাপিস্ট ডা. রেজওয়ানা…

  • হেপাটাইটিস বি

    হেপাটাইটিস–বি ভাইরাস জনিত জন্ডিস (Hepatitis B Virus Jaundice)সাধারণতঃ যৌন সঙ্গমের মাধ্যমে হেপাটাইটিস–বি ভাইরাস দ্বারা এ রোগটি হয় । প্রধানতঃ যকৃতের ওপর এর ক্ষতিকারক দিকটি সব চেয়ে বেশি। ফলে জন্ডিস দেখা দেয়। রোগের সুপ্তিকাল ৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস। বেশির ভাগ রোগীই আপনা-আপনি ভাল হয়ে যায়। তবে ৫-১৫% রোগী ভালো হয় না। এবং এদের শরীরে ভাইরাসটি…

  • হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে করণীয়

    শরীরের স্বাভাবিক কার্যাবলী ঠিক রাখতে হরমোন, অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইন্সুলিন, ইস্ট্রোজেন, ডোপামিন, এফএসএইচ, টিএসএইচ ইত্যাদি জৈবিক রাসায়নিক উপাদান মেজাজ, চুলের বৃদ্ধি, ওজন, প্রজনন ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। হরমোনের সঠিক সরবরাহ বজায় রাখতে শরীরের, সকল গ্রন্থি একই তালে তাল মিলিয়ে কাজ করে। আর এর সামান্য ঘাটতিই স্বাস্থ্যগত জটিলতা ডেকে আনতে পারে,…

  • গলায় ক্যান্সারঃ যেসব লক্ষণে সতর্ক হওয়া জরুরি

    যে কোনো ক্যান্সারই শরীরের জন্য অনেক মারাত্মক একটি রোগ। সে গুলোর মধ্যে গলায় ক্যান্সারও অন্যতম। আর এটি হচ্ছে— এক ধরনের টিউমার জাতীয় রোগ।এই ক্যান্সার গলার কোষ থেকে শুরু হয়ে থাকে। আর মারাত্মক এ রোগটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই, হয়ে থাকে মদ ও ধূমপান করার কারণে। তবে এর বাইরেও বেশ কিছু কারণে, গলায় ক্যান্সার হতে পারে। যেমন—…

  • হার্টের রোগ দূরে থাকে যেসব খাবার খেলে

    হার্টের সুস্থতার ওপর নির্ভর করে শরীরের সুস্থতা। নিঃশব্দ ঘাতক হার্ট অ্যাটাক আমাদের জীবনকে ধীরে ধীরে গ্রাস করে নিচ্ছে। হার্ট অ্যাটাকে বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় দুই কোটি মানুষের মৃত্যু হয়। হার্ট বা হৃদয় আমাদের শরীরের সব চেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ অঙ্গ। তা সত্ত্বেও আমরা হার্টের স্বাস্থ্য নিয়ে উদাসীন। কিছুটা জেনে-বুঝে আবার কখনও অজান্তেই আমরা হৃদয়কে গুরুত্ব দিই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *