স্বার্থপর

জীবনে আমরা অনেকে স্বার্থপর
সত্য কথা বলেও মতের বিপরীত
হলে পরে তবেই আপন হয় পর।

এ ধরায় কত কার থেকেই বেশি 
যেভাবে হউক আয়ত্ত করে নিবে
ভোগ দখলে অধিক হলেই খুশি। 

কত অতিরিক্ত আসলো তা লক্ষ্য 
হারাম হালাল কোন ভ্রুক্ষেপ নেই  
যা পাবে হজম করতে আরো দক্ষ।

রাস্তা ঘাট বাজার হাট সর্ব স্থানে
সুযোগ পেলেই তারা আত্নসাথে 
ব্যস্ত থাকে যেন অভ্যাসের টানে।

Similar Posts

  • ভাগ্যের নির্মম পরিহাস

    চা বিক্রেতা বাবার মুখে ফুটলনা কোন হাসিমেধাবী সন্তান হয়তো বড় ইঞ্জিনিয়ার হতোউজ্জ্বল করতো বাবা-মা ও এলাকার গৌরবগরীব বাবা-মা এর একমাত্র সন্তান হিসেবেসে প্রতিষ্টিত হলে হত তারা কতই যে খুশি! নটরডেম কলেজ থেকে সে ইন্টার পাস করেবুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ সে ধরেদুর্ঘটনায় কবলিত হওয়ায় সব স্বপ্ন তার ঝরেপরে চুরমার হয় রাস্তায় হেটে যাওয়ার পথেমোটর সাইকেল দুর্ঘটনায়…

  • নতুন ফর্মুলা

    জিনিসের দাম বাড়ছে ভাবনা নেই তাতেসব সামাল দিতে হয় একা নিজের হাতে। কতো নতুন পদ্ধতিতে শিখানো হয় রান্নাবলুন দেখি সত্য করে কারা ইহা চান না? সবার জন্যে বক্তব্যে প্রকাশ করেন তারাকত সুন্দর বলেন রাদ’তে পেঁয়াজ ছাড়া। যখন তেলের মূল্য নিয়ে চললো বলাবলিমিডিয়ায় সাক্ষাৎকার নিলেন খোলাখুলি। আরো ক’দিন পরে পাবে না বাজারে মুলাতখন হয়ত প্রকাশ হবে…

  • সমাদর

    জ্ঞানীদের মুখের সুন্দর উক্তি,মূর্খদেরকে যোগান দেয় শক্তি।পথহারাদের দিশারী আলোর,বিতাড়িত করে সব কালোর।দূর হয়ে যায় মনের কালিমা,উদ্ভূদ্ধ মনে শুরু করে তালিমা।আহরন হতে থাকে জ্ঞান গরিমা,উপকৃত লব্দজ্ঞানে গরীব ধনীরা।নিগৃহিত ছিল যারা সাধনায় উন্নত,অলস সকলই তারা সদা অবনত।উদ্ভূত পরিস্থিতির উন্নতির লক্ষ্যে,একনিষ্ঠ কাজ কর সহায়তার পক্ষে।

  • পরমানন্দ

    সবার মনে কতো আনন্দছোটো বড়ো তথা আবালবৃদ্ধ বনিতা শ্রমিক – মজুরধনী গরীব সকলেরি ফুর্তিউল্লাসের থাকে পরমানন্দ। কোন উৎসব অনুষ্ঠান হয়তা বেশ সুন্দর ও সুষ্ঠভাবেপালনের লক্ষ্যে পূর্ব থেকেনিষ্ঠার সহিত গুরুত্ব দিয়েকাজ কর্মে শত সচেষ্ট রয়। আরো কতো লোক আছেদায়িত্ব এড়িয়ে চলে যেতেথাকে আবার কখনো যদিভালো সুযোগ হাতে আসেফায়দা লোফে নেয় পাছে।

  • আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি !

    পৃথিবীর বুকে বিরাজমান যতো জাতআল্লাহ পাক সবার উপরেই মানুষকেকরেছেন তো আশরাফুল মাখলুকাত! জ্ঞান আর বুদ্ধিতে উন্নত জাতি মোরাখাছ রহমত দ্বারাই মোদের শ্রেষ্ঠ করেখোদা করেছেন সকল জাতির সেরা! সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ কতো ই মেহেরবানসকলের জন্মের পূর্বে যত রিজিকেরব্যবস্থা রেখেছেন তিনিই তো রহমান! তিনি জ্বিন ইনসানকে করেছেন সৃষ্টিশুধু মাত্র তাঁর ইবাদত এবং বন্দেগীরজন্যে যেন সবে রাখে তাঁকে সন্তোষ্টি!…

  • স্নেহময়ী

    জন্মিয়া প্রথম যেদিন শিশু পড়িল মাঠিতে ,দাঁত নাই শক্তি নাই কোন কিছু ই খাইতে ।ভাগ্য গুণে মায়ের বুকে দুধ টুকু ছিল,জীব দিয়ে চুষে তাই জীবন বাঁচাল।স্নেহময়ী মা জননী কি যে অনুরাগী,অবাধ্য হলেও শিশু হয় না বিরাগী।সন্তানের সুখে ব্যস্ত থাকে সারাক্ষণও,দুঃখ কষ্ট কিছুই মনে করে না কখনো।সন্তান ব্যথা পেলে কলিজা মা’র জ্বলে,কতক্ষণে নিবারণ করতে পারে বলে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *