কবিতা

  • জীবন ও জীবিকা

    প্রাকৃতিক দুর্যোগ চলছে দেশেমানুষের শতো দুঃখ ও দুর্ভোগঅনেকের জীবনে আছে মিশে। জীবন ও জীবিকার জন্য ব্যস্তসবাই সকাল থেকে সন্ধে পর্যন্তউপার্জনে নিয়োজিত রাখে হস্ত। কিভাবে উপার্জন করতে পারেএ চিন্তায় সময় ব্যয় করে পরেআয় উন্নতির কাজ কর্ম সারে। সাধনা পরিশ্রমে জীবন ঘোরায়দৃঢ় মনোবলের সহিত কাজকর্মসম্পন্ন করে সব অভাব তাড়ায়।

  • পরমানন্দ

    সবার মনে কতো আনন্দছোটো বড়ো তথা আবালবৃদ্ধ বনিতা শ্রমিক – মজুরধনী গরীব সকলেরি ফুর্তিউল্লাসের থাকে পরমানন্দ। কোন উৎসব অনুষ্ঠান হয়তা বেশ সুন্দর ও সুষ্ঠভাবেপালনের লক্ষ্যে পূর্ব থেকেনিষ্ঠার সহিত গুরুত্ব দিয়েকাজ কর্মে শত সচেষ্ট রয়। আরো কতো লোক আছেদায়িত্ব এড়িয়ে চলে যেতেথাকে আবার কখনো যদিভালো সুযোগ হাতে আসেফায়দা লোফে নেয় পাছে।

  • গাই গুনগান

    গযব আসে নাফরমানির দায়আল্লাহর কাছে উপাসনা আরআরাধনা করেই উদ্ধার পেতেসকলে মিলে এক সাথে দোয়াকরলে পরে রক্ষা পাওয়া যায়! আল্লাহ পাক কতো মেহেরবানবিপদ আপদ মুশকিল মুছিবতঅভাব অনটন দু:খ কষ্ট দুর্গতিঅসংখ্য ব্যথা বেদনা দূরে নেনবিধায় সবে মোরা গাই গুনগান! সৃষ্টি করেছেন ইবাদতেরই তরেশুধু জ্বিন‌ ও সৃষ্টির সেরা মানুষজাতীকে তাইতো আমরা সবাইসত্যনিষ্ঠ ও সঠিক রাস্তায় চলেকল্যাণ অর্জন করি…

  • এবারের ঈদ

    এবারের ঈদ উল আযহা ভিন্ন ছিলসমস্ত রাত অবধি বিরতিহীন অঝরধারায় ঝরো ঝরো একটানা বৃষ্টিতেগ্রামে গঞ্জে শহরে পানি লোকালয়েঢুকে অসংখ্য সুখ শান্তি কেড়ে নিল। ঈদের সকালের পানি চলাচল দৃশ্যপুকুর ডুবাঝিল খালবিল নদীনালাচতুর্দিকে থৈথৈ ছিলো কেবল পানিআরো পানি এরি মধ্যে পোষা প্রাণীশ্রোতের জন্য মূহুর্তে হয় যা অদৃশ্য। বাসা হতে বের হয়ে মসজিদে যেতেপাড়ার রাস্তার যতো বৃষ্টির পানি…

  • প্রাক্তন ঈদ

    প্রতি বছর ঘুরে ঈদ আসেদল মত নির্বিশেষে সবারইঅন্তরেতে ঈদের অনাবিলআমোদে পরষ্পরে সকলেকোলাকুলির শেষে মিশে। প্রাক্তন রীতি রেওয়াজ মতঈদের আগমনী বার্তা যখনশুরু হত গ্রাম্য শিশুরা জমিথেকেও নাড়া কুড়িয়ে নিয়েগোসল করে অগ্নি পোহাত। একত্রে গোসল করার জন্যছোটো ছোট ছেলে মেয়েরাভোর থেকে প্রাণের খুশিতেআনন্দ উল্লাসে সবাই মিলেঝুলে নিজেদের ভাবত ধন্য। পুকুরে নেমে ডুব ঝাপ দেয়পৌষ কিংবা মাঘের প্রচণ্ডোঠান্ডায়…

  • বিলাস

    সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছায় পাতা দোলেহুকুম ছাড়া কখনো এসব হয়নাতাঁর রাজত্ব পাতার উপরে চলে। আল্লার ইচ্ছায় মানুষ জন্ম নেয়মৃত্যু বরণ করে নতুবা নিহত হয়সব কিছু কিন্তু খোদা পাক দেয়। তাঁর কৃপার ব্রেইনে বানায় বোমাযার ফলে মানুষ ফেটে খানখানহয় ধুলোর মতো পরে উড়ে ধুমা। কৃপায় শিশুরা জন্ম নিয়ে আসেখোদা তায়ালার রহমতের ফলেবড়ো হয়ে তয় সবার সাথে মিশে।…

  • ডিগবাজী খায়

    উড়ন্ত পাখিরা ডানা মেলে উড়েএদিক সেদিক ডিগবাজী খেয়েমনের খেয়াল খুশিতে কত ঘুরে। ওদের স্বাধীনতার নেই তো শেষযখন তখন যথায় তথায় ফুর্তিরগানে অন্তরে থাকে আনন্দ বেশ। আল্লার মহিমার ফলে যায় চলেদূর হতে দুরত্বে অজানা অচেনারাস্তায় তাদের দলে গিয়ে মিলে। ওদের বাধা ধরা নীতি নেই কোনউড়ন্ত অবস্থায় গাছের শাখায় বামাঠে ময়দানে যেথা সেথায় যেন। ঐ সব স্থানে…

  • অলস মস্তিষ্ক

    ফেলে দিওনা কঠিন ভেবেআরম্ভ করো মনোযোগেরসাথে কঠোর পরিশ্রম আরতপস্যায় সম্পন্ন হয়ে যাবে। কাহারো অলস মস্তিষ্ক হলেকাজ কর্মে তখন ভয় পেয়েউদ্দেশ্য সফলে বিফল হয়েসব কিছু রেখে দেয় ফেলে। সাহস আরো মনোবল নিয়েকর্ম সম্পাদনের মনোনিবেশকরে ঐকান্তিক চেষ্টার ফলেভয় ভীতিও ত্যাগ করে দিয়ে। সময়ের মূল্যায়ন করে যাবেদুনিয়া ও আখেরাতের কর্মেআল্লাহর মেহেরবানীতে সুখশান্তি সদা সর্বদা পাবে তবে।

  • স্রষ্টার দয়া !

    হে রহিম ও রহমান আল্লাহ পাকএ পৃথিবীর বুকে যত পাপী তাপীগুনাহগার বসবাস করে সকলেইতোমার অসংখ্য অসীম করুণায়দোয়া করে চেয়ে নেয় গুনা মাফ! পরম করুনাময় স্রষ্টার দয়া কততাঁর সৃষ্ট জীবের জন্যে যাবতীয়প্রয়োজনীয় যত কিছু সবি কিন্তুআল্লাহ তায়ালার মেহেরবানীতেবিতরণ করে দেন বেশুমার যত! সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মোরাআমল আখলাক ঠিক ও সুন্দররেখে সকলে ইবাদত বন্দেগীতেমত্ত থেকে উন্নয়ন…

  • বিশ্বের বিস্ময় !

    সবাই কিন্তু বেশী পেতে চায়কারো প্রাপ্তি কখনো যদিবাপরিমানে সামান্য অল্প হয়েথাকে তবে তাৎক্ষণিকভাবেঅন্তরে অসন্তোষ দেখা যায়। কাহার ভাগ্যে কি আছে ভাইকোন ব্যক্তির ইহা জানা নাইএকমাত্র বিশ্ব নিয়ন্তা আল্লাহপাক ইহ পরকালসহ সকলিজ্ঞাত তিনি তো মালিক সাঁই। এ বিশ্বের বিস্ময়ে চিন্তা করমহাকাশ হতে ধরণীর উপরেকত অসংখ্য অগনিত মানুষজীব জন্তু পশুপাখি অজানারয় ওদের কথা ভাবতে পার। বিশ্ব ভ্রম্মান্ডের…