কবিতা

  • বানোয়াট

    মিথ্যা সাক্ষী ও প্রবঞ্চনা মামলায় কতহয়রানির খবর যেন শুনা ও যায় শত। “সত্য বলিব কোন মিথ্যা বলিব না” বলেশপথ নিয়ে মিথ্যা কত সাক্ষী দেয়া চলে। আদালতে শপথ বাক্যে ওয়াদাবদ্ধ হয়মিথ্যা জবানবন্দীর ও শত প্রমাণ রয়। প্রতিপক্ষ চরম হয়রানি শ্রান্ত-ক্লান্ত যতঘায়েল নাজেহালের আশংকা রয় তত। মিথ্যা মামলা রাষ্ট্র যন্ত্রকেও করে বিভ্রান্তপ্রতিপক্ষকে ঘায়েল আর করে সর্বস্বান্ত। বানোয়াট…

  • মামলার হাতিয়ার

    নারী নির্যাতন মিথ্যা মামলার হাতিয়ার এখনব্যক্তিকে ষড়যন্ত্র মূলক জড়ানো হচ্ছে যখন।নিরপরাধ ব্যক্তি অনেক সময় পায়না রেহাইমূল অপরাধী ছাড়পেয়ে করে চড়াই-উৎরাই।আসল নির্যাতনের ঘটনা নির্ণয় করা কঠিনপ্রকৃত আসামি রেহাই পাওয়া হয়েছে রুটিন।বিচার প্রার্থীর ও অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগসহযোগিতা না থাকায় পোহায় যতই দুর্ভোগ!কাঠ গড়ায় দাঁড়িয়ে কত যে কম্পমান থাকেআসামি দোষী হয়ে শত নিস্তার পায় ফাঁকে!ছাড়া পেয়ে আসামিরা বীরদর্পে…

  • রেহাই নেই

    হঠাৎ কি যে হলোপিছে একজন ছিলসে কোথায় গেল ? দেখলো থাকিয়েওকে নিয়ে যাচ্ছেএকদল হাঁকিয়ে! দেরি নাহি করেতাড়াতাড়ি তারাগাড়িতেই ভরে! সাহায্যের তরেলোকটি তখনকাঁদে কত জোরে! তারে করতে রেহাইলোকজন এগিয়েছাড়ার দিল দোহাই! দেয়না তাকে ছাড়জোরে বলে মোরাভেংগে দিবই হাড়! জানা যায়নি পরেকরল কি যে ওরাফেলছে হয়ত মেরে!

  • অশ্রু সিক্ত

    কত কি আর বলিরাস্তায় তখন চলি।লোকে লোকারণ্যআওয়াজ অনন্য!দেখি একটি লোকতার অনেক দুঃখ!বলে আরও কাঁদেপড়েছিল সে ফাঁদে!যখন ছিল দাঁড়িয়েটাকা নিল কাড়িয়ে।সে তখন বাদ সাধেঝামেলা কত বাধে!ওরা তাকে যে ধরেসবাই অধিক মারে।সে করল টানাটানিসকলে গেল জানি।জনগন দৌড়ে যায়ওদেরকে নাহি পায়।মাটিতে তখন পড়েচোখের পানি ঝরে!সকলে শান্তনা দেয়তুলে তার ঘরে নেয়।

  • পাগলের খেলা

    একদিন দুপুর বেলাদেখি পাগলের খেলা।পাথরে পাথরে ঘষেদৌড়ে লাফায় বসে।কখনো হয় বিভোরপাশে কয়েক কুকুর।পাগলা কি যেন খায়কুকুর ভিড় জমায়।ওদেরকে কত দেয়নিজের মুখেও নেয়।ছিড়া ব্যাগ যত ঝাড়েওরা লেজ তত নাড়ে।কুকুরগুলো এত ভক্ততাদের চোখ ও শিক্ত।লাঠিটি হাতে উঠায়কুকুর লেজ গুটায়।খাবার লয় কুড়িয়েকুকুর দেয় তাড়িয়ে।এভাবেই চলতে রয়ওরা তার তাড়া শয়।সে কাছে নেয় ডেকেআসে যে ওরা হেঁকে।কখনো কুলে তুলেমাথায় হাত…

  • দারিদ্র্য পীড়িত

    বাংলাদেশ দারিদ্র্য পীড়িত ,অপুষ্টি রোগে কত জড়িত।ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পরিচিত,শিশুরাই শীর্ষে আলোচিত।গরীবও দুঃখী অনেক হয়,যা মোটেই কাঙ্ক্ষিত নয়।বেড়ে চলেছে যে নগরায়ন,দ্রুত চলেছে তা বাস্তবায়ন।দুর্যোগে ও কাজের সন্ধান,শহরে করেছে যেন সংস্থান।গ্রামের যত যে এসে শহরে,সুবিধায় কত আছে বন্দরে।সত্যনিষ্ট ভাবে কাজে যারা,স্রষ্টার দয়ায় সুখ পায় তারা।

  • আরো চাই আরো চাই

    পৃথিবীতে হায়! কেহ শান্তি নাইযার আছে অঢেল সম্পদ আরটাকা পয়সা দালান অট্রালিকাযত বেশী তার আরো কত চাই। দোকান পাঠ বাজার যত হাটেব্যবসা বাণিজ্য করছে সকলেআরো শত চাকরি বাকরি করেজল স্থল নদী সমুদ্র খেয়া ঘাটে। সকলে শুধু যেন পাওয়ার দায়রাত পোহালেই সকাল সন্ধ্যায়কিভাবে কোথায় কেমনই করেসর্বক্ষণ রয় ধান্ধা কত যে পায়।

  • প্রকৃতিতে ঠাঁই

    প্রকৃতি জোগায় খাবারপোষাক পরিচ্ছদ সবার। রোগে ঔষধ দেয় কতউপশম ও হয় শত শত। শোকে সান্ত্বনার আলোতাই আছি কত ভালো। মাথা গোঁজার দেয় ঠাঁইপ্রকৃতিতে সুবিধা পাই। অগ্রগতির উৎসাহ দেয়অলসতা কাড়িয়ে নেয়। যোগায় মনেরই প্রশান্তিদূরে যায় অসংখ্য ক্লান্তি।

  • বৃষ্টির জল

    ফুটা ফুটা বৃষ্টি,জমে হয় সৃষ্টি।অথই জলরাশি,নাবিকের হাসি।কত নদী সাগর,আরো মহাসাগর।পুকুর বিল খাল,নৌকায় ও পাল।মাঝি ধরে হাল,জেলে বায় জাল।আনন্দ সীমাহীন,চলছে বাধাহীন।কত যেন মধুর,যায় তারা বহুদূর।অজানা দেশে,উদাসীন বেশে।দূর কত দূরান্তর,অচীন তেপান্তর।

  • শীতের ডাক

    ষড় ঋতুরই স্বদেশমোদের বাংলাদেশ।গরমের শেষ হাঁকঠান্ডার প্রথম ডাক।হেমন্তের শেষ যাত্রাশীতের কঠিন মাত্রা।ঠান্ডার সময় আসেপৌষ ও মাঘ মাসে।আরম্ভে কতই শীতশিশুরা ও গায় গীত।সময় যত বয়ে যায়গরম কাপড় লাগায়।শিশু কিশোর যুবকযতই তাদের দোসর।প্রকোপতা বাড়ে যতলেপ বস্ত্র লাগে তত।বয়ষ্কদের কতই কষ্টপরে হয় জীবন নষ্ট।হাত পা ঠান্ডায় ধরেতীব্র শীতে কত মরে।