কবিতা

  • দীর্ঘস্থায়ী

    জীবনের লক্ষ্য একমাত্র স্বপ্ন পূরণ নয়তাই কোনো স্বপ্নকে পরিত্যাগ না করেসাথে নিয়ে চললে জীবন মূল্যবান হয়। কোন কাজ করলে জীবন হয় ব্যর্থ যেনএমন কোন কর্ম পৃথিবীতে নাহি পাওয়াযাবে ব্যর্থতায় ফিরে আশা কঠিন জান। আনন্দ উল্লাস ফুর্তি ও সুখে থাকাই চায়এ পৃথিবীর বেশী মানুষের কিন্তু অনেকসময় সুখ চাওয়াই দুঃখের মূল হয়ে যায়। জীবনের সাথে তিন জিনিস…

  • ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

    সম্প্রতি ১৪৩০ বঙ্গাব্দ শেষ হয় যায়এতে কেউ ভোগ করে কত দু:খ কষ্টনিপিড়ন নির্যাতন আবার অনেকে ইঅসংখ্য অগনিত সুখ শান্তি আরামআয়েশ ভোগের অসীম সুযোগ পায়। বর্তমানে চলছে ১৪৩১ বঙ্গাব্দ সালপুরাতনকে ভুলে নতুনকে সমাদরেগ্রহণ করে নিয়ে ভাগ্য পরিবর্তনেরচেষ্টা তদবির তপস্যা সাধনায় রতোথেকে বদলে নিতে হবে অবস্থা হাল। নব বর্ষকে সাদর সম্ভাষণ জানাতেবিভিন্ন আনন্দ উৎসব পালন করতেআমোদ প্রমোদ…

  • ভালো থেকো

    কি গভীর সম্পর্ক ছিলোএখন ঐসব কই গেলো। চলা চলেও ছিলাম উভয়দিন রজনী কাটত নির্ভয়। নিবিড় সম্পর্কের ফলেকতো দিন এভাবে চলে। সম্পর্কের অবনতি হলোসুখ প্রশান্তি দূরে গেলো। ভেঙে দিলো আমার মনএকত্রে থাকতাম দু’জন। বর্তমানে শুধু একা থাকিনিজেরে আয়নায় দেখি। খুলে দেখি উভয় চোখপ্রকাশ করে যতো দু:খ। রক্ত জমে হয়েছে কালোতবুও তুমি থাকো ভালো।

  • চিলি কোঠা

    একবার না হয় তোর বন্ধু হবোহাত ধরে ভাল বাসবো মন মতকরে চিলি হলে চিলের কোঠায়না হারিয়ে থাকো আর আড়ালহলে কোথায় খুঁজ করে পাবো। তুমি নিজ হয়ে বাঁধলে বুকে ঘরকষ্ট পাবো আমায় যদি কখনোবা আর কোনো দিন করে নেওপর সুখের নদী হয় না যে তখনদুঃখ কষ্ট ও যাতনার বালু চর। মেঘ ভেবে ছিলুম বৃষ্টি হয়ে এলেআমার…

  • দৃষ্টিভঙ্গী

    সাধারণ মানুষ যতক্ষণ ভালো লাগেততক্ষণ কাজ করে আর অসাধারণমানুষেরা ভাল না লাগলেও যতক্ষণকাজ শেষ না হয় ততক্ষণ কাজ বন্ধনা করে তা সম্পন্ন করে আগে বাগে। সফল বা বিফল হওয়া মানুষের তরেক্ষমতার ওপর যতো যেন নির্ভরশীলএর চেয়ে অধিক তার দৃষ্টিভঙ্গী যারাসাফল্য লাভ করবার আগে থেকে ইসফলদের মত তাদের আচরণ করে। বিশ্বাস একদিন সত্যিতে পরিনত হয়যদি নির্ভর…

  • সাধন ভজন

    আচানক নামটি তাঁহারআরো কত বছর আগেঅসীম পারদর্শী ছিলেনধ্রুপদ সংগীত সব রাগে। সুনাম আর খ্যাতিতে নামকতো করেছিলেন অর্জনকিন্তু তারও কণ্ঠে ছিলোযেনো মেঘের মত গর্জন। খুব ভোরে বা সাঁঝে যখনসাধন ও ভজন হতো শুরুভাবতে হতো বরষার মেঘডাকছে অনেক গুরু গুরু। এতোও অধিক উচ্চে ওঠেকারো গলার কতো কাজশেষে প্রবচনে বলে তাকেযত জোরেসুরে আওয়াজ।

  • অবুঝ পাখি

    একমাত্র মনের মানুষ মনেরই ভিতরপ্রাণ প্রিয় বন্ধু মোর অন্তরের অন্তর। করো নাকো তুমি মোরে কখনো পরতোমার বিরহ ব্যথায় লেগে রয় জ্বর। না দেখলে এক বার পরানটি পোড়েমোলাকাত না হলে তৃষ্ণা যায় বেড়ে। পরিপূর্ণ সিন্ধু পাইনা জল এক বিন্দুপিপাসায় কাতর যে তুমি জানো বন্ধু। এত ভালোবাসা আমি কোথায় রাখিবন্দী থেকো তুমি ওগো অবুঝ পাখি। তোমার জন্যে…

  • নিকষ কালো

    বার্ধক্যের জীবনটি কঠিন কতশরীর ভগ্ন ধীর গতি চলাফেরাআরো নিকষ কালো অন্ধরাতসব অতীতের কথা বলেন যত। কেবল আফসোস লাগে আজসব আসুক সবাই যাক মনচায়কেবলমাত্র সবার বার্ধক্য ছাড়াপরিধানে রয় যেন সুন্দর সাজ। এখন লিখতে কিন্তু হাত কাঁপেহালকা কলমটাও ভীষণ ভারিসাহায্যার্থে গেলে তামাশা করেস্পন্দন শুরু হয় সামান্য তাপে। অথচ ইহা কেহো জানতো যদিঅবশেষে সকলের শরীর স্বাস্থ্যক্রমান্বয়ে ই নিস্তেজ…

  • গুণ কীর্তন

    গুরু মানে গুরু কোনসহজে বুঝা কত ভারমাথাতে প্রসিদ্ধ সেজেআছে প্রচুর বুদ্ধি যার। বিনয়ের অবতার শুনেঅনেক থাকে মরি মরিখাবি খাই পশ্চাতে কতসুর ধরে বলে হরি হরি। সমারোহের গুণ কীর্তনআরো মুখে সহস্র বুলিতাই দেখে আমি আজকতোই হাসি প্রাণ খুলি। যতো আছে গণনা নেইআরো অগনিত স্বজনচতুর্দিকে ছড়িয়ে আছেশুমার নেই আপন জন।

  • মুখে হাসি

    দেশের যতো মজুর – চাষিচলো দেশকে ভালো বাসিমুখে সকলের ফুটবে হাসি। অবশেষে দুঃখ যাবে দূরেনিপিড়ন নির্যাতন শোষণকেবল শোষক দলে করে। শ্রমিক ও মজুর এক হলেথাকবে না তো অন্ধকারেসুখ প্রশান্তি আসবে চলে। কেহো থাকতে নাহি পারেবেশী দিন ধরে এ সংসারেতাই সময়ে কর্ম যেন সারে। সবার নিকট এই নিবেদনআমার মনে ভাবি সর্বক্ষণকার তল্লাশী পড়বে কখন।