কবিতা

  • দূর্নীতি

    মানুষ কেনো এমন করেদুর্নীতি ও ধোকাবাজেরমাত্রা অধিক বাড়ছে যাএ পৃথিবীটি গেছে ভরে! দুষ্ট প্রকৃতির লোক তারাসকাল সন্ধ্যায় ব্যতিব্যস্তথাকে আর খপ্পরে ফেলেসহজ সরল মানুষ যারা! ক্ষণস্থায়ী পৃথিবীতে এসেরিপুর তাড়নাতে অসংখ্যঅগনিত কতো যে মানুষজামেলাতে গেছে মিশে! ওদের মধ্যে আরো আছেযারা প্রতিনিয়ত অন্যদেরক্ষতির কাজে কতো ব্যস্তশেষে তারাও চলে গেছে! এ জগৎ ছেড়ে যেতে হবেপৃথিবীর সবাই ভুলে যাবেশুধু মাত্র…

  • দূর্লভ

    সময়ের তালে তালেশতো কিছু পরিবর্তনহয়ে প্রাক্তন কত কিঅনেকে গেছে ভূলে! দেশে কতো প্রবাহিতযা উন্নয়নের জোয়ারবহু লোকের স্থান নেইসঠিকভাবে শোয়ার! উন্নত প্রযুক্তির যুগেকতো অসাধ্য নিমিষেসম্পাদন করার ফলেস্বস্তি আয়েশে ভোগে। প্রাক্তন দুর্ভোগ যতোবর্তমান তথ্য প্রযুক্তিরপ্রবাহে অগনিত দুর্লভসহজ লভ্য হচ্ছে দ্রুত। আরো যা অকল্পনীয়অগ্রগতি হয়েছে বটেনীতি বহির্ভূত প্রয়োগেসহসা দূর্ঘটনাও ঘটে! স্রষ্টার সাহায্য সবে চাওআমল আখলাক সুন্দরকরে জীবনকে উন্নতিরউচ্চ…

  • নির্লজ্জ

    নির্লজ্জ বেহায়া পনায়ভরে গেছে মোদের দেশরূপসী আর সুন্দরীদেরআউলা ঝউলা কেশ! হাট বাজার ছাড়া তাদেরেযথায় তথায় দেখতে পাইপর্দা পুশিদা ছেড়ে দিয়েছেসম্মানে থাকার উপায় নাই ! শালীনতার সব হারিয়েআধুনিক হয়েছে যতোসৃষ্টি কর্তার লানত কিন্তুবহন করছে শতো শতো ! নশ্বর পৃথিবীর নারী পুরুষহর হামেসা করতেছে দোষইহ পরোকালে শান্তি চাইলেসবাই চলতে হবে করে হুশ!

  • শোকে কাতর !

    একমাত্র পুত্র মা বাবারদ্বিতীয় কোন ভাই বোনছেলেটির নাহি থাকাতেঅধিক আদর সোহাগেসে প্রতিপালিত হয়েছেকষ্ট কি জিনিস সামান্যঅভিজ্ঞতাও নেই তার! একদিন যা ঘটে ছিলোছেলেটি গভীর ঘুমেতেযখন খুব বেশী বিভোরতখন আচমকা কয়েকপুলিশ এসে ঘরের চারদিকে ঘিরে শেষে তারাতাকে ধরে নিয়ে গেল! অশ্রু ভেষেই ছিলো তারঅবিরত মর্মস্পর্শী কান্নাশুনে মুহুর্তে সেথা হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে এবংচতুর্দিকের বাতাস ভারীহয়ে উঠে উপস্থিত সকলঅনুতপ্ত…

  • জীর্ণ বস্ত্র !

    চলার পথে দূর থেকে দেখি রাস্তার ধারেএক লোক জড়ো সড়ো হয়ে পড়ে আছেকৌতুহল বসত তার পাশে গিয়ে দেখতেপাই পরনে ছেড়া কাপড় সম্পুর্ণ নিস্তেজহয়ে গেছে আস্তে করে ডাক দিলে তখনউঠেনি পুনরায় ডাকলে পরে হাত নাড়ে! প্রথম দেখে বুঝতে মোর একটু দেরি হয়অবস্থা দেখে বুঝতে পারিনি এখনো কিসে বেঁচে আছে নাতো শেষ নিশ্বাস ত্যাগকরে এ নশ্বর পৃথিবী…

  • বিজয় উৎসব

    খুব ভোরে উঠে প্রস্তুতি নিয়ে বের হয়ে চলেচলার পথে কতো বন্ধু বান্ধব পরিচিত আরঅপিরিচিত অনেকের সাথেই সাক্ষাৎ মিলে। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সম্পাদনের লক্ষ্যেছোট বড় আবাল বৃদ্ধ বনিতা সবাই খুশিতেসাজ সজ্জায় সজ্জিত হয় দেখা যায় সচক্ষে। সৃষ্টি হয় এক মনোরম আনন্দ ঘন পরিবেশপ্রতিটি জনগণের একমাত্র লক্ষ্য শুধু সবাইগন্তব্যে পৌঁছে অনুষ্ঠানের যা করবে উন্মেষ। শীতের প্রচুর ঠান্ডা…

  • অগ্নি শিখা

    শুষ্ক বালি ডাল – পালা ক্লান্ত চাতক মাখছে রোদতপ্ত বাতাস আগুন হাওয়া একটানা বিরক্তিবোধ। আগুনের শিখায় জ্বলে পুড়ে ছাই যখনি হয়ে যাইপ্রচুর বৃষ্টিতে শরীর ভিজিয়ে দিলে কত শান্তি পাই। উষ্ণতা যেনো বাসা বেঁধেছে সারাটা শরীর জুড়েভরা গ্রীষ্মে গলছি আমি প্রতিনিয়ত যাচ্ছি পুড়ে। তপ্ত গ্রীষ্মে কবিতাগুলোর হারিয়েছে যেনো সুরউষ্ণ বাতাস জানিয়ে গেলো বর্ষাটি অনেক দুর। গরম…

  • মেঘ তরঙ্গ

    গ্রীষ্মের দিনে মাঠ ঘাট হাটতীব্র রোদে পোড়ে ঝলকেপ্রচণ্ড উষ্ণতায় চলন্ত দিনেজলন্ত তেজ ধরে পলকে। কতো ঘাম ভেজা বালিশেউত্তাপে গলে গেলো রাতঅন্বেষণ করে যাচ্ছি নিদ্রাতখন থেকে হে সু প্রভাত। তীব্র গরমে ছট ফট করেপ্রচুর ঘামে ঝরছে পানিদিনের রোদে ধরছে মাথাকখন যে হবে বৃষ্টি জানি। মেঘ তরংগে নীরব বাতাসকতো সুখ দিয়েছো তুমিমুহূর্তে প্রচুর বৃষ্টিতে ভিজেশান্ত গাছ বৃক্ষ…

  • বিদ্যুৎ বিভ্রাট

    প্রতিনিয়ত চলছে বিদ্যুৎ বিভ্রাটসকাল দুপুর বিকেল রাত কোননির্দিষ্ট করে যে সময় নেই যখনইচ্ছে হয় বন্ধ রয় রাত হলে তোঅকষ্মাৎ ও ঘটে থাকে লুটপাট। বৈদ্যুতিক সেবা বন্ধ থাকার দায়কল কারখানার কতো শ্রমিক ওমজুরের কষ্ট হাসপাতাল ক্লিনিকভর্তি রোগী কঠিন রোগ ব্যাধিতেযতো অসহ্য যন্ত্রণায় দুর্গতি পায়। ঘন ঘন বিদ্যুতের বিভ্রাটের ফলেঅধিক স্থায়ীভাবে যদি বন্ধ রাখেগরীব নিঃস্ব দু:খী মানুষের…

  • বিদ্যুতের রুটিন

    বিদ্যুতের প্রত্যেক দিনের খেলাযেহেতু নিয়মিতও চালাতে হবেসময়ে অসময়ে তা বন্ধ না করেএকটি রুটিন মতো সেরে নিবে। ফজরের নামাজ শেষ হয়ে গেলেপ্রত্যেক দিন নিয়মিত করে নিলেঅফিস – আদালত যত প্রতিষ্ঠানখোলার পূর্ব পর্যন্ত যেন বন্ধ চলে। যদি বিদ্যুৎ সেবা বন্ধ রাখতে হয়প্রতিদিন ভোরের নামাজের পরেনিয়মিত করে সকাল নয় টা তকবন্ধ রাখলে সমস্যা থাকবে দূরে। হয়তো বা আর…