কবিতা

  • শুভ নববর্ষ

    নীল আকাশে তারার ঝলককত না লাগে দেখতে ভালোনব বছরটির আগমন হলেইআমাদের অন্তর হবে আলো। প্রাণ কিন্তু সবার প্রশান্ত হবেনতুন সময় হয়তো যা দেখেসকলকে যেন ভাল জানবোমায়া ও মহব্বত ভরা চোখে। চলতে গিয়ে কতো সে বাঁধাআরো ছিল অনেক পাওয়াসকল হারানো বেদনার চাইনিত্য ও নতুন সুখের ছোঁয়া। অসংখ্য প্রিয়লোক ও স্বজনহারিয়েছি মোরা চলার ক্ষনেআরো এসেছে নতুন মোদেরজ্বেলেছে…

  • যতো সদাশয় !

    হে খোদা তায়ালা কত দয়াময়তোমার অসীম করুণার ফলেপৃথিবীতে অবস্থানকারী সকলবেঁচে আছে তুমি যত সদাশয়! অপার মহিমায় রেখেছ খাবারধরণীতে আগমনের পূর্ব থেকেসুবিন্যস্ত সুন্দরভাবে যেন খিদেঅবস্থায় কেহো রয় না আবার! অনন্ত অসীম গুনের নেই শেষসর্বস্তরের জীবের জন্যে কতোসুবিধা প্রস্তুত ও সংস্থান করেছসকলে ভোগছে কতো যে বেশ! খোদা পাক দয়া করছেন কতোঅসংখ্য অগনিত দয়াবান তাঁরইকৃপার ফলে অফুরন্ত সুখ…

  • কষ্টে চলে !

    মাথার ঘাম পায়ে ফেলেদিন রাত পরিশ্রমের পরকতো কষ্টে জীবন চলে! অসুখ বিসুখ হলে পরেকষ্টের মাত্রা বেড়ে গিয়েতারা জীবন বাজি ধরে! খেয়ে না খেয়ে রয় কতঅভাব অনটনে আঁকড়েধরে রয় জীবনভর যত! সুখ সাচ্ছন্দ্য প্রতিকূলেআল্লার অসীম করুণায়আসতে পারে অনুকূলে! সত্য রাস্তায় চলে গেলেকঠিন পরিশ্রমে আল্লারদয়াতে সুখ শান্তি মিলে!

  • আনন্দ ভ্রমণ

    অদ্য ৩০.১২.২৩ ইং ভোরেফ্রান্স প্রবাসী প্রাণের বেয়াইসাহেবের শশুর বাড়ি মোরাবেড়াতে যাবো অনেক দূরে। তখন কয়েক যাত্রী ছিলামযথেষ্ট আনন্দ ফুর্তি পেলামগল্প গুজবে যা শান্তি হলামসাথেও কতো কিছু নিলাম। একটি লাইটেস নেই সাথেসিলেট শহর হতে রওয়ানাদিয়ে প্রায় ঘন্টা খানিক পরযাত্রা বিরতি হয় এক সাথে। গোলাপগঞ্জে বিরতিও নেইমিষ্টির ঘরে ঢুকে যৎ সামান্যনাস্তা পানীয় সেরে অল্পক্ষণপরে যাত্রা আরম্ভ করে…

  • অগ্রগণ্য

    সহজে পচন রোধক বিষ দেয়ারই জন্যচিটিংবাজরা প্রত্যেহ সুস্বাদু স্বাস্থ্য সম্মতখাদ্যে ফরমালিন মিশ্রণে তারা অগ্রগণ্য। খাদ্য তালিকায় বিষের পরিমাণই বেশিআমাদের প্রতিদিনের যা থাকছে তাতেঅসাধু ব্যবসায়ীরা সকল এজন্য দোষী। কেউ অসুস্থ হলে ডাক্তারের কাছে যায়মান্যবর ডাক্তার সাহেবরা কমিশন পথ্যবাণিজ্যের লোভে পড়ে যা মুনাফা পায়। সহজ-সরল মানুষ তাই ভক্ষণ করে যানডাক্তার সাহেবরা ঔষধ হিসেবে যা লিখেদেন তাই সাধারণ…

  • পাল তুলে দে

    কোনো মাঝি থাকে না যদিনদী নালা অতিক্রম করতেবৈঠা হাতে নিয়েই মনানন্দেবেয়ে যেতে থাকো নিরবধি। বসে থাকলেই গুটিয়ে হাতলক্ষ্য স্থানেতো ঠিক সময়েপৌঁছা সম্ভব না হয়ে আরোহয়ত সেথা রবে বেশী রাত। বাতাস যদি বইতে রয় তবেকষ্ট সহ্য করে দাঁড় টানবারবৈঠা নৌকাতে রেখে তখনিমাস্তুলেও পাল তুলতে রবে। ছেড়ে দিও না কখনো হালদাঁতে দাঁত রেখে কষ্টগুলোচেপে ধরো হয়তো বাতাসেগন্তব্যে…

  • অফুরন্ত দয়া

    পথিক ছুটে চলছে বেগে কতোঅবিরত তার চলার গতি যেথানেই কোনো বাধা বিপত্তি শতোরাস্তা ঘাট পেরিয়ে যাচ্ছে যতো। হঠাৎ করে চলার গতিটি থেমেচতুর্দিক থেকে তাকে আক্রমণকরতে ঘিরেই ফেলে উপায়ন্তরনা দেখে তবে জলে যায় নেমে। কতো চিৎকার করে তারা বলেআজ আর কোনোও রক্ষা নেইআরো কয়েক জন সংগী এসেতৎক্ষনাৎ তাদের সাথেই মিলে। শত অনুনয় বিনয় করতে থাকেআরো বলে…

  • স্নেহাস্পদ

    মানুষ জাতি সবার শ্রেষ্ঠচাল চলন আচরণ আরকাজে কর্মে হবে উৎকৃষ্ট। গায়ে আছে শক্তি ও বলমহৎ উদ্দেশ্যে চলে যাওজীবনটি করো উজ্জ্বল। স্নেহাস্পদ কত বাছাধনযাতায়াতের রাস্তায় চলেরেখে যাও গুরুদের মন। জীবনটি ক্ষণিকের তরেতপস্যা সাধনায় কাটিয়েসমৃদ্ধি করো জীবন ভরে। নিয়ম মাফিক চলে যারাউপাসনা আরাধনাতে ইহপরকালে মুক্তি পায় তাঁরা।

  • উদ্দীপন

    ব্যস্ততায় থাকে যারাসময়ের গুরুত্ব দিলেসফলকাম হবে তারা। কাজ কর্ম কর যতোকঠোর পরিশ্রম দ্বারাউন্নতি লাভ হবে তত। অত্যধিক উন্নতি হলেপ্রশান্তির আলোকেইশতো উদ্দীপনা মিলে। সঠিক নিয়মেই চলেযত জটিলতা আছেদূরে যাবে যার ফলে। অসাধ্যও হবে সাধনপরিশ্রমের জন্য এররয় না কোনো বাঁধন। বাধা বিপত্তি দূরে যায়আল্লাহ পাকের দয়ায়অন্তরেতে শান্তি পায়!

  • কতো সমাদর !

    পথে ঘাটে কতো ধান্দাবাজদল বেঁধে তারা কখনো চলেমাথায় থাকে কি সুন্দর তাজ! কথা বার্তায় পটু আরো সুন্দরসাধু বেশে তারা করে চলাচলমাঝে মধ্যে দেখায় যা সমাদর! কখন যে কাকে কেমনে পটায়এ চিন্তা ফিকির থাকে মাথায়সুবিধা পেলে কত কি না ঘটায়! তাদের যতো চালাকি বুঝা দায়সতর্কতা অবলম্বন করে চললেআল্লার সাহায্যে শত মুক্তি পায়!