আনন্দ অসীম

শীতের সকালে বাসা থেকে আমরা বের হই
জামা কাপড় সুয়েটার জাম্পার সব যত লই।
গাড়ি যোগে যাত্রা আরম্ভ একত্রে সবাই করি
দোয়া পড়ে দূরের পথ চলি আল্লাহকে স্মরি।
গ্রামের বাড়ির রাস্তায় সকল দিলাম রওয়ানা
অনেক পরে যাচ্ছি বলে ফুর্তির নেই সীমানা।
নাতনি দুটি হাসি খুশি আরো শত আনন্দময়
গাড়ি দ্রুত বেগে গন্তব্যের দিকে চলতেই রয়।
নদী নালা পুকুর মাঠ ঘাট চলা চলের পথে
আরো অসংখ্য কত কিছু দেখিলাম সাথে।
কয়েক কিলোমিটার পেরিয়ে বাজারেতে যাই
সেখানে যাত্রা বিরতি দিয়ে কত কিছু পাই।
গাড়ি থেকে আমরা কয়েক জন গেলাম নামি
মধুবন দোকানে গিয়ে কত মিষ্টি কিনি দামী।
কেনা কাটা করে আবার চলে যাই গাড়ীতে
নাতনীদ্বয় বলতে লাগলো দ্রুত যাব বাড়িতে।
বাড়িতে পৌঁছে যায় গাড়ী কিছুক্ষণের পরে
অপেক্ষমান আত্নীয় স্বজনরা জড়াইয়া ধরে।
কুশল বিনিময়ের পরেই খাবার দাবার শুরু
ছোট বড় সম বয়সের আরো ছিলেন গুরু।

Similar Posts

  • ঘুর্ণয়মান

    জগতটা ঘুর্ণয়মান পিন্ড,মানুষ স্বার্থে হয়েছে ভন্ড।আল্লাহর ঈশারায় চলে,ইচ্ছে করলেই সব ফলে।কত যে আজব তাঁর সুত্র,আকাশে চাঁদ তারা নক্ষত্র।তাদের চলার গতি সুন্দর,হবে না কখন ও অসুন্দর।নিয়মে ই করছে অতিক্রম,হয়না কোন দিন ব্যতিক্রম।দয়াময় সৃষ্টি কর্তা রহমান,মোদের প্রতি মেহের বান।তাঁর দয়াতেই নাযাত পাব,হুকুম মত চলে স্বর্গে যাব।

  • অতিষ্ঠ মানুষ

    প্রখর রোদের তাপে যত অতিষ্ঠ মানুষআরাম আয়েসের জন্যে ই খুঁজে ধূসরছায়া যেথায় টাই নিবে কিন্তু তাও যদিনাহি জোটে তবে তাদের থাকে না হুশ। মহান হৃদয়ের কাছেই যেন সে মনে হয়একজন প্রভূ ছাড়া আর কেউ তো নয়তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় দাওনা তবেইঅমরত্ব যদিচ তোমার মধ্যে প্রভূত্ব রয়। হাসি মুখে তখন তোমার চাওয়াটা দিলেধনী পুরুষদের মতো চিন্তা…

  • আল্লাহ মহান !

    অনেক কথা বলার ছিলোবলা যায়নি তো প্রাণ খুলেরাত পোহালে কত আজবঘটনা সম্মুখে সমস্ত মিলে। প্রতিটি দিন-রজনী কতোঅগনিত দুর্গতি কিন্তু ঘটেকেহ জানেনা কবে কি যেকার ভাগ্যের মধ্যে জোটে। কিসের দৃষ্টান্ত কতো দিবোকোন সীমা সংখ্যা যে নাইযতো পারি তাই লিখে যাবআগামীতে সময় যদি পাই। কতো মানুষ সুখের জন্যেতারা সব কিছু ত্যাগ করেশত বাধা বিঘ্ন কেটে শেষেসুখ শান্তি…

  • মন ছানাবড়া !

    অনেক লিখা হয়ে যায় তেড়া বেড়াএমন কিছু লিখা হয়নি তো মনগড়া! কখনো লিখতে যেন করি তাড়াহুড়াকবিতাটি পড়ে নিবেন আগা গোড়া! কি আর লিখতে পারি মন ছানাবড়াবাস্তব চিত্রে মনে আসে যুদ্ধেই লড়া! জীবন যুদ্ধের সময়ও হয়েছে সবারচোখ বুজে থাকাটা হবে না আবার! আজব চলাচল আর ভয়ংকর কতোবিরাজমান বেহায়াপনা আছে যতো। স্বাভাবিক বেশ ভূষ পরিবির্তন করেছেলে-মেয়ে,মেয়ে ছেলের…

  • নিঃসঙ্গ জীবন !

    বন্ধুত্ব আটপৌরে পোশাকী ভালোবাসাসর্বদা ব্যবহারযোগ্য কাপড়ের দু’একটিজায়গা সানান্য ছেঁড়া থাকলে চলে ঈষৎময়লা অসুবিধার নয় খুব সুন্দর পরতেনা পারলে নেই কোন বারণ গায়ে দিয়েআরাম পেলে হলো তা হবেনা সর্বনাশা। মূর্খের বন্ধুত্ব থেকে যে নিজে দূরে থাকেজ্ঞানীকেও নষ্ট করে দেয় অজ্ঞের বন্ধুত্বকোন লোক পৃথিবীর কখনো যদিবা সেজ্ঞানী গুনি ব্যাতিরেকে কদাচিত মূর্খেরসঙ্গে গভীর বন্ধুত্বে ও লিপ্ত হয় পরিণামস্বরূপ…

  • সুর লহরী

    গুন গুন শুরে গান গেয়ে যায়অংগভংগী সুরের তালে তালেহেলে দুলে মনে যা শান্তি পায়। সুর লহরী মনোহর যেন কতোঅস্পষ্ট হলেও ভংগিমায় বুঝাযায় তাহা মনোমুগ্ধকর শতো। একটু পরে তাকে দেখা গেলোতার বন্ধু বান্ধবদের সাথে একবস্তিতে গিয়ে সে মিলিত হলো। সবে মিলে জুরে সুরে করে শুরুগানে গানেই চমৎকার পরিবেশসৃষ্টি করে নির্দেশনায় ছিল গুরু। বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে চলছিল গাননৃত্যের…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *