জাগরণ

একদা সকল ছিলাম মাটি জলে
যেথায় প্রত্যেক মুহূর্ত পক্ষাঘাতে
মরে যেতে যেতে জাগরণ হয়েও
একত্রে চলাচল হতো সবে মিলে।

সেই জাগরণ পলেই ভেসে যেতো
গুল্ম নক্ষত্র তিথিও আয়ন মণ্ডল
ভেঙে নীলাভ বিপুল আলো এসে
অদৃশ্য নাচের টানেই ভরে দিতো।

কেউ অন্য কারো তাকাত না মুখে
এক খণ্ড শুয়ে থাকতো বিপরীতে
আরেক খণ্ডের এ রকম ভুল ছিল
লাঞ্ছনায় পড়ে থাকতো রাজপথে।

ফুটে উঠতো সূর্যমুখী ফুল ভোরে
সারাদিন জাগরণ থেকে ধ্বংসের
দিকে মুখ রেখে বলে যেতো মনে
রেখ আমরাও ছিলাম পৃথিবীতে।

Similar Posts

  • চোখ রাঙায় !

    স্বার্থান্বেষী ও শত্ৰুর দলেঅনল দেয় দেশে জ্বেলেহক কথাও বলতে গেলেরাঙায় যত চোখ খোলেকষ্ট ভোগে সকল মিলে! কেউ হল কালোবাজারিকতো ই করে মজুতদারিসারছে কত রিলিফ চুরিকরে সাধুবেশে ঘুরা ঘুরিঅনেকের চলে ধরাধরি! সুযোগের কত ধান্দা করিফায়দা লয় জোরাজোরিকরে স্বার্থ নিয়ে মারামারিউপার্জন করে বাড়ি গাড়িঅবৈধ পথে লজ্জা ছাড়ি! অশান্তি করেও লাভ নাইরিজেকের যত কিছু খাইসঠিক রাস্তায় চলরে ভাইইবাদত…

  • রে পাপিষ্ঠ !

    রে পাপিষ্ঠ পাষাণ হৃদয়তোমার জন্যে জীবনেরসুখ শান্তি আর আরামকতো ত্যাগ করতে হয় ! শৈশবে যত জ্বালা দিলেকতো যেন সকাল সন্ধ্যারাত দুপুর তোর ভালোরজন্যে সুখ কেড়ে নিলে ! না ঘুমিয়েই কতো রাততোমার কান্না থামাতেকোলে নিয়ে ঘুরে ঘুরেখেতে যে পারিনি ভাত ! শব্দ করে কাঁদতে যখনতোর কষ্টতে মনে হতোআমার যেন হৃদয় খানিছিন্ন হবার মতন তখন ! কতো…

  • সংক্রামক

    সংক্রামক রোগ চতুর্দিকে ছড়ায়একজন থেকে অন্য জনে গড়ায়। মানুষ থেকে মানুষেই নয় পশুপাখিথেকে মানুষে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়। পশু-পাখি থেকে পশু-পাখির মধ্যেমানুষ থেকে পশু পাখির সান্নিধ্যে । বর্তমানে সংক্রামক রোগ এর বিস্তারঅনেকাংশে কমে হয়েছে যত নিস্তার। অসংক্রামক মহামারী জীবন ঘাতীমানুষের জন্য হয়েছে একান্ত সাথী। ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে ম্যালেরিয়ারজীবাণু সংক্রামক রোগ বিভিন্ন এরিয়ার।

  • রজনী শেষে

    রজনী শেষ হলে মানুষ ছুটে যায়আবশ্যকের তাগিদে কে কোথায়চলা ফেরা করে এ খবর না পায়। প্রয়োজন কখনো আইন মানে নাসার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে দিন আর রাতমানুষের চলার গতিবেগ থামে না। কেহ আরো কর্তব্য কর্মে থাকে নিষ্ঠজীবনে উন্নতি লাভ করার তাগিদেতার উপর ন্যস্ত দায়িত্বে রয় সচেষ্ট। নিয়মানুবর্তিতা কর্তব্য পরায়ণ যতঐশ্বর্য বিত্ত বৈভব চিরস্থায়ী লাভেরউদ্দেশ্যে কাজ কর্মে লিপ্ত…

  • সর্বোত্তম

    জগতে যত প্রকার জ্ঞান আছেতার মধ্যে সর্বোত্তম হলো যাতেনিজেকে চেনা যে একবার ঠিকমতো চিনতে পারে ইহ জগতেরশত জ্ঞান বাকি রইবে না পাছে। সবার আগে এ গুরুত্ব দিতে হবেনিজের মাপ ও মান বুঝে’ নিজেঠিক তো জগৎ ঠিক ‘ প্রবাদেরমতোই নিজের ব্যক্তি ও স্বাতন্ত্র্যবজায় রেখে এগিয়ে যেতে রবে। সত্যিকারের জ্ঞানী হওয়ার পথেএগুনো সম্ভব তখনই যখন সবাইজানবে যেন…

  • সবুজ সঞ্চার

    মাঠের বুকে সবুজ আছে ছড়িয়েওরা চতুর্দিকে রয়েছে বিস্তৃতভাবেপ্রাণ সঞ্চার করে রেখেছে জড়িয়ে। মাঠে ঘাটে আছে কত ছড়িয়ে ঘ্রাণতাই তো সেথায় যত বিচরণকারীযারা সকলকে দিয়েছে তাদের প্রাণ। সুজলা- সুফলা- যত- শস্য- শ্যামলাএই দেশে সবুজ মাঠের সর্বস্থানেইকখনো নেই কোন কোথাও কালিমা। সাক্ষী হয়ে আছে ঝাড়ের যত বাঁশওই বেলকুনির ফুলদানিতে কতইরয়েছে সুন্দর আরো মাঠের ঘাস। সবুজ ঘাসগুলো যে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *