শীতার্ত সকাল

মুখ দেখে বুঝতে পারিনি কষ্টে ভরা মন
সর্বদা কতো ফুর্তি আমোদ আনন্দ আর
উল্লাসে হেসে খেলেই কেটে দেয় জীবন।

চলার পথেও শীতের সকালে হল দেখা
তার চাহনি আরো হতাশার করুন ছাপ
দেখে জিজ্ঞাস্যে কয় ভাগ্যের যত লেখা!

সে এক হতভাগাও অনাথ এতিম ছেলে
অনেক ছোট কালে মা হারায়ে একমাত্র
পিতার মায়া মহব্বতে তার জীবন চলে!

আরোও কিছু দিন পরে পিতা যায় মরে
ওর পরিবারে খুব ছোট আরো এক ভাই
ফলে সে শুধু একাই সংসারের হাল ধরে!

আল্লাহ পাকের যত কুদরতি লিলা খেলা
তিনি অসীম দয়াময় কতো যে মেহেরবান
তাঁর দয়ায় দূর হয়ে যায় দু:খ কষ্ট জ্বালা!

Similar Posts

  • অগ্রগণ্য

    খোদা সৃষ্টি করেছেন ইবাদতের জন্যজ্বীন আর মানুষকে এ ধরণীতে তাইআশরাফুল মাখলুকাত মানব জাতিতাঁর উপাসনা করে সব হব অগ্রগণ্য। রাব্বুল আলামীন তিনি কতো মহানমানুষ জীব জন্তু পশুপাখি পৃথিবীতেঅসংখ্য অগনিত যতো যেখানে বাসকরে খাদ্য ভরে রাখেন পুরো জাহান। তাঁর দয়ার ফলে আমরা বেঁচে আছিকিন্তু মহান রাব্বুল আলামীন আরোরাসুল করিম (স.) এর প্রদর্শিত পথেনা চলে সঠিক সুন্দর পথ…

  • আমরা কৃতজ্ঞ !

    হে দয়াময় মোদের সৃষ্টিকর্তা প্রভুতোমার কৃপায় আমরা পৃথিবীতেআশরাফুল মাখলুকাত হিসেবেইজন্ম গ্রহণ করে কতো ভাগ্যবানহয়েছি তাই গর্বিত মোরা কখনোদয়া হতে দূরে যেন না থাকি কভু! সৃজন করেছো উপাসনার তরেএকান্ত তোমার অসীম করুণারফলে সকলে ধরণীর বুকে সুখীসমৃদ্ধভাবে জীবন যাপন করেইযাচ্ছি অনবরত এগুলোর জন্যকৃতজ্ঞতা জানাই বন্দেগী করে! হে খোদা তুমি কতো মেহেরবানআমরা সবে ভুমিষ্টের পর থেকেঅফুরন্ত প্রয়োজনীয় যতো…

  • কতো স্নেহ ছিলো !

    অনেকের জীবন বদলে যায়স্বগতিতে চলতে থাকে নীরবনিস্তব্ধভাবে আনন্দ সুখ পায়! আমরা এখন যত বদলে গেছিপাড়া পড়শী ছোটো বড়োদেরআগে সবাই কতো খবর নিছি! স্নেহ আর মমতা অনেক ছিলোযাহা কালের বিবর্তনে মানুষেরএসব কিছুও লোপ পেয়ে গেল! সবাই আগের মতো যদি হতোঐকান্তিক সৌহার্দপূর্ণ ভাবেতেযথাযথ সুন্দর থাকতো কতো! জানতে ইচ্ছে করে যতো সবজিজ্ঞাসা করার মতোই সাহসসঞ্চার না করায় থাকেনি…

  • অবারিত ঠাঁই

    এ জগতে সুখ-দুখ দুটি আছে ভাইসুখ লাভের তরেই আনন্দ যে করেউৎফুল্ল গর্ববোধও খাম খেয়ালীতেঅবারিত দু:খ যতো যায় তার ঠাঁই। সুখী হতে চাই আমরা যদি তা হলেকৃতজ্ঞতা অকৃতজ্ঞতার কথা ভুলেযাওয়া ভালো দান করা উচিত দানকরার আনন্দেতে যা প্রশান্তি মিলে। শতো কাছে কাছে দুঃখ তুমি থাকোস্মৃতি বিজড়িত অনেক ঘনিষ্ঠ যেনঅলীক সুখের কতো অগনিত গ্লানিআরো জ্বর তপ্ত কপালে…

  • যুগান্তর

    মনীষীরা শোনাতে চেয়েছেন বাণীযুগ যুগ ধরে মানুষকে অভিজ্ঞতাপ্রকাশ করেছেন তাঁরা যে ছিলেনপৃথিবীর সর্বোচ্চ জ্ঞানী এবং গুনি। তাই নানাভাবে উদ্দীপ্ত হয়ে মানুষনিজের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতেসকলকে সময়ের যথাযথ মূল্যায়নশেষে চলতেই হবে করে যতো হুঁশ। সাফলতা অর্জন করা নয় অসম্ভবপৃথিবীতে বেশিরভাগ লোক নিজেজানেনা অন্তরে কি আছে লুকানোতার দ্বারা কত কি যে অর্জন সম্ভব। আরো যেথায় কতো কিছুর অভাবচেষ্টা…

  • অভিজ্ঞান

    প্রকৃতিতে নেই- কোন ক্ষমাকাঁদাবে কোনোও এক দিনপরকে কাঁদায়ে হাসো কেনবাজাবে প্রতিশোধেরি বীন। বহু কিছু শেখা যেতে পারেএই প্রকৃতিটির নিকট হতেসব চেয়ে বড় শিক্ষক হলোঅদ্ভুত অজ্ঞো কাহিনী মতে । প্রকৃতি মোদের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকএ পাঠশালায় অধ্যয়ন করেসব সময়ে এক চোখ খোলারেখে চলে যেতে থেক পরে। প্রকৃতিটার মাধ্যমেই আমরাশেখার যাত্রা শুরু করি যদিসে সুন্দরভাবে সব সমস্যারসমাধান শিখাবে নিরোবধি।…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *