হাসায় – কাঁদায় !

আধুনিক যুগের মেশিন আছে
সকল লোকের মায়েরই কাছে
কেউরে হাসায় কেউরে কাঁদায়
আর কলের পুতুল কলে নাচে!

যেমন চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণ
কতো পুরুষের ধন করে হরণ
কেউবা যে অকস্মাৎ হয় মরন
শীত আর গরম করে নিয়ন্ত্রণ!

খোদাপাক স্রষ্টা তাঁর সৃষ্টিধারা
এই দুনিয়াটাতে আসিল যারা
মায়ের গর্ভেতে সকলতো গড়া
এতেও দ্বিমত নেই নিরব সাড়া!

যার অন্তরে যত রয়েছে শান্তি
আছে যে তার সঠিক ভাবমূর্তি
চলেছে দূরে যেনো ভুল-ভ্রান্তি
বিদুরিত হয়ে যায় সব অশান্তি!

যেথায় ব্যভিচার করবেন যারা
পড়বেন জবাব দিহিতায় তারা
কতো জনের তো হয় বুদ্ধিহারা
ঠিক জীবনপাত করে না করা!

Similar Posts

  • গরীবের পীড়ন

    গরীব দুঃখী যত মানুষ ধরায়অভাব অনটন অসুখ বিসুখেপড়েও দূঃখে জীবন গড়ায়। কষ্টে চোখের পানি কত ঝরায়দুর্ভোগ ও দুর্গতিতে সময় যায়অসুস্থতা পরিশ্রমে কষ্ট বাড়ায়। অশান্তি যন্ত্রণায় ত সুখ তাড়ায়অভাবে কত আপনজন হারায়দরিদ্রতায় জীবন যুদ্ধে লড়ায়। দয়ার সাহায্য যতো করে বরণকত আত্নীয় স্বজন করে বর্জনগরীব দুঃখী ওদের করে গ্রহণ। অভাবে ত দূরে যায় বন্ধু পরমবয়ষ্করা অনেকেও করে…

  • জগৎময় !

    একটু আধটু করে সময় বয়এরই মধ্যে অনেক কিছু ঘটেগিয়ে অবশেষে দু:খ দুর্ভোগঅশান্তি কত কিছু লেগে রয়। জীবন যুদ্ধে জয়ী হয় তারামূল্যবান মুহুর্তগুলোর সঠিকমূল্যায়ন করে নিষ্ঠার সহিতকাজ কর্মে লিপ্ত থাকে যারা। তারা জীবনে শ্রেষ্ঠ মানুষ হয়নিজের পরিবারের প্রতিবেশীদেশ ও জাতীর কল্যাণে মহৎকাজে নিযুক্ত রয় জগৎ ময়!

  • মেহেরবান

    বিশ্ব ভ্রম্মান্ডে জীব জন্তু যতোখোদা তায়ালা সকলের জন্যেখাবার প্রদান করে যান ততো। অপরিসীম মেহেরবানী করেনতাঁর অনুগ্রহের ফলে অবিরামসুখ শান্তি সবার ভাগ্যে সারেন। ভাগ্যে কি পারেনি কেহ বলতেসফলতা লাভ করে নেয় তারাঠিক নিয়মে পারে যারা চলতে। প্রকৃতিতে যতো স্বগতিতে চলেচন্দ্র সূর্য তারা গ্রহ নক্ষত্র এসবউপকার করে যা সহজে মিলে। পরম করুণাময়ের দয়াও পাইতাঁর বন্দেগী করে গেলে…

  • ক্ষুধায় কাতর !

    অনাথ হতভাগা একটি ছেলেজন্মের ছয় মাস আগেই তারবাবা আর পাঁচ বছরের শেষেমা পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেআত্নীয়ের বাড়ীতে স্থান মিলে! অভাবে তাঁদেরও যত কষ্ট হতছেলেটি সকাল হলেই পাশেরএক মাঠে ছাগল চরাতে যেতবিকেলে বাড়ীতে ফিরার পরেহাত ও মুখ ধোয়ে সেরে নিতো! চিন্তার জগতে হারিয়ে যেতোকখনো ফুলের দ্রুত – বৃদ্ধি ওপ্রজাপতির ডানা -মেলা এসবভাবতে অবশেষে সারা দিনেরক্লান্তি ও…

  • স্রোত শুকিয়ে যায়

    মনের চঞ্চল স্রোতই যায় শুকিয়েহৃদয়ের আবাসন গড়ে কঠোরতাযায়না পালন করা এই মৃত্যু তারথেকে অনেক বেশীই নিকৃষ্ট যারওপর অশ্রু বর্ষায় সকলে কফিনওঠে চিতা জ্বলে আরো ঝাঁকিয়ে। কবরে দেয়া হয় ফুল প্রদীপ জ্বলেকিন্তু এই তো একাকীত্বের ভয়ানককবর শাশ্বত কারা বাস যার গম্বুজকতো গোলাকার থেকে চিৎকারেওনিজের প্রতিধ্বনিত আসে না ফিরেকখনো কখনো সীমাহীন ভয় মিলে। আরো মনোহর শিশিরভেজা রাতেযখনই…

  • দখলের বিরুদ্ধে

    যার যা আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে হবেএক অতি মানবীয় কণ্ঠের ডাকেই মানুষেরাচরের জেনেছিল দখল করতেই তাদের চরকোনো এক দখলদার বাহিনী আসবে যবে। তিনটি চরের কাজিয়া প্রিয় মানুষেরা ভেবেলাঠি দা বল্লম রামদা শরকি কিরিচ ও ধানকাটার দাউকাঁচি পাট কাটার পাতলা আরছেহাইট গুলতি এসব কিছু রেখেছিল যবে। উঠানের কোণেও বের করে রাখা ছিল অস্ত্রযখনই আসবে দখলদাররা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *