অবশেষে

বেলাটি শেষ হয়ে গেলে
অনুতাপ ও অনুশোচনা
ব্যতীত কিছুই থাকবে না
ফলে অন্তরেও আজীবন
দুর্ভোগ ও অশান্তি মিলে।

তাই পল্প গুজবে না বসে
অনর্থক সময় করনা নষ্ট
নয়তো হয়ে যাবে পথভ্রষ্ট
অনুতপ্ত ব্যতিরেকে কিছু
করার মত রবে না শেষে।

সবই নিজস্ব গতিতে চলে
যারা তাদের কাজ করতে
তপস্যা সাধনায় সময়নিষ্ট
হয়ে ধৈর্য্য ধরে যথা সময়
সমাপ্তির পরে শান্তি ফলে।

সময় ও স্রোত চীর বহমান
এরা কোনো দিনও তাদের
চলতে কখনোই ব্যতিক্রম
করেনি যার তার সগতিতে
বহে শুরু থেকে আবহমান।

Similar Posts

  • স্নেহাস্পদ

    মানুষ জাতি সবার শ্রেষ্ঠচাল চলন আচরণ আরকাজে কর্মে হবে উৎকৃষ্ট। গায়ে আছে শক্তি ও বলমহৎ উদ্দেশ্যে চলে যাওজীবনটি করো উজ্জ্বল। স্নেহাস্পদ কত বাছাধনযাতায়াতের রাস্তায় চলেরেখে যাও গুরুদের মন। জীবনটি ক্ষণিকের তরেতপস্যা সাধনায় কাটিয়েসমৃদ্ধি করো জীবন ভরে। নিয়ম মাফিক চলে যারাউপাসনা আরাধনাতে ইহপরকালে মুক্তি পায় তাঁরা।

  • ছিন্ন বস্ত্র !

    অনাদর অবহেলায় কতো লোকপথে পান্থরে রাস্তা ও ঘাটে শতোদীনহীন জীবন অতিবাহিত করেতাদের মনের মধ্যে রয় কত দু:খ! গায়ের পোশাক আশাক যা ছিন্নময়লা ও আবর্জনায় দেহো খানিভরে থাকে বেশিরভাগ সময়েতেতাদের অনেকের জোটেনা অন্ন! কতো বেলা খেয়ে না খেয়ে থাকেবুভুক্ষু অবস্থায় অনেক সময় রয়সীমাহীন দুর্ভোগ ও যন্ত্রণাতে সয়শতো দু:খ দুর্গতি লেগে রয় সাথে! অনেক আশরাফুল মাখলুকাতসীমাহীন অভাব…

  • বাতাসের পরশ !

    মনোমুগ্ধকর দুপুর আজ কত স্নিগ্ধজানালার পাশেতে দাড়িয়ে বাইরেরপরিবেশ ভোগ করে হলাম যত মুগ্ধ! বন্ধু হাত দুটিও দিয়েছিলো বাড়িয়েমেঘলা আকাশের দিকে ই তাকিয়েআনন্দঘন মুহূর্ত যায়নি সে ছাড়িয়ে! বৃষ্টির ফোঁটা পড়েছিল তার দু’ হাতেটিপটিপ করেই আমিও এসেছিলামভিজবো বলে ঐ বৃষ্টিতে এক সাথে! যদিও বা স্নিগ্ধ শীতের চাদর হতামআমার স্নেহাস্পদ মানুষটাকেই সবসময় বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখতাম! যদি খা…

  • কতো পটু শিকারি !

    কেমন করে গরিব বাঁচে কাকে জিজ্ঞেস করিবাঁচার নেই সুবিধা ধনীরাতো স্বার্থের পূজারি! জমিজমা বিহীন অনেকেরই নেই ভিটে বাড়িমজুরিতে দিন রাত তবু অনাহারেই যায় মরি! শ্রমিক মজুরের সমস্যা বাড়তেছে তাড়াতাড়িসামান্য জমির মালিকরাও হবে দীন ভিখারি! কৃষি কল কারখানায় পরিশ্রম হাড় ভাঙা করিনির্যাতন অত্যাচার মুখ খোলে বলতে না পারি! টাকা ছাড়া বিচার নেই কোর্টেতে মামলা করিআদালত দরিদ্রের…

  • গ্রীষ্মের খরতাপ

    চোখ ধাঁধিয়ে দেয় রোদ ঝলমল,তাপে পুড়িয়ে পড়ে ঘাম টলমল।অসয্য গরমে জনপদ আর ঘাট,বেশী গরম আছে খেলারও মাঠ।গ্রীষ্মের খর তাপে অতিষ্ঠ লোক,গরমের উষ্মতার বেদনাও দুঃখ।একদিকে কঠিন তাপেরই জ্বালা,লোড শেডিংয়ের আরো কত খেলা।একটু পর পর যায় আসে বিদ্যুৎ,কে বলে কার কাছে তাদের দুঃখ।সকল স্থানে সর্বোচ্চ গরমের তাপ,মাঠে যত আছে বলে পাব কি মাফ।দীর্ঘ দিন পর্যন্ত খরতাপ কত…

  • কিয়ামতের প্রকম্পন !

    সকলে স্রষ্টাকে ভয় করতে হবেকোরানে বর্ণনায় আছে নিশ্চয়কিয়ামতের প্রকম্পনটি ভয়ঙ্করপ্রতি স্তন্য দান কারিনী সে দিনদুগ্ধ পোষ্য শিশুকে ভুলে যাবে! আরো প্রত্যেক গর্ভধারিণী যতোতাদেরও গর্ভপাত করে ফেলবেমানুষকে দেখবে যে মাতালদেরমত কিন্তু মাতাল নয় তবে স্রষ্টারকঠোর শাস্তি ভোগ করবে ততো! আসমান বিদীর্ণ হয়ে যাবে যখনআর নক্ষত্রগুলোও ঝরে পড়বেসব সমুদ্র একাকারও যত কবরউন্মোচিত হবে প্রত্যেকে জানবেআগে পিছনে কি…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *