এল খুশির ঈদ

ঈদের দিনে সকলেই নতুন জামা পরেন
ঈদ আরবি শব্দ যার অর্থ ফিরে আসা
এমন দিনকে বলা হয় ঈদ সব মানুষ যে
দিন একত্র হয় ইহা বারবার ফিরে আসে
এর তাৎপর্য হলো আল্লাহতায়ালা এদিন
তাঁর বান্দাদের অনুগ্রহ দ্বারা হামেশা ধন্য
করেনও তিনি ইহসানের দৃষ্টি দান করেন!

রমজানে পানাহার সবার নিষিদ্ধ করা হয়
পরে আবার পানাহারের আদেশ প্রদান ও
সদকায়ে ফিতর হজ-জিয়ারত কোরবানি
পালনের গোশত ইত্যাদি নিয়মমত প্রায়শই
তিনি ফিরিয়ে দেন আর এ সব নিয়ামতও
ফিরে পেয়ে ভোগ করার জন্য অভ্যাসের
ফলে মানুষ কত আনন্দ-ফুর্তি করতে রয়!

সৃষ্টিকর্তা মুসলিম উম্মাহকে করেছেন দান
রাসুলুল্লাহ (স.) যখন মদিনাতে আগমন
করলেন তখন মদিনা বাসীদের দুটো দিবস
ছিল যে দিবসে তারা কত খেলা ধুলা করত
রাসুলুল্লাহ(স.)বললেন এ দুই দিনের বদলে
তোমাদের শ্রেষ্ঠ এর চেয়ে আরো দু’টো দিন
ঈদুল আজহা ঈদুল ফিতর করেছেন প্রদান।

Similar Posts

  • শীতল ছায়া !

    বিশাল পৃথিবীর সমান শব্দটা বাবা যেনোসব শ্রদ্ধা দায়িত্ব আর ভালো বাসায় ঘেরাসন্তানদের শুধু নয় তাঁর ভালো বাসা শেষজীবনের নিশ্চয়তাটুকু দিতে উজাড় করেতিনি করেন না দুবার চিন্তা কখনো কোন! তাঁর কাছে দামি সন্তানের চেয়ে নেই আরসন্তানকে তার বাবা যে প্রতি মুহূর্তে ছায়ারমতোও আগলে রাখেন গ্রীষ্মের খর তাপেবটমূলের ছায়া যেন করে শীতল সকলকেমাথার ঘাম পায়ে ফেলে কষ্ট…

  • লূটে নিলো !

    দিন দুপুরেতে হৈ চৈঅসংখ্য মানুষের যেসমাগমে যতো রৈ রৈকেহো বলে গেল কৈ? একটি বিশাল মাঠেমুহূর্তেই একটি ঘটনাকতো লোকের পাশেতৎক্ষনাৎ গেল ঘটে! সহোসা একটি লোকআওয়াজ করে বলেআচমকা যেনো বেড়েগেলো তার যত দু:খ! সংগেতে টাকা ছিলোএক যুবক সবগুলোইকেড়ে নিয়ে তৎক্ষনাৎদৌড়ে পালিয়ে গেল! হায়রে ! ললাটটি তারঅবশিষ্ট সামান্য টাকাসংগে থাকেনি সবটুকুঝাপটে সব নিল যার!

  • পরিতাপ

    কি আর বলব ভাই ভেবে নাহি পাইনাতনী ছোটটি আমাদেরকে ছেড়েলন্ডনে গেছে সে আর দেশে নাই! সে থাকতে দেশে আসতো পাশেকখনো মোবাইল বা খেলনা নিয়েঘুরা ঘুরি করতো মোদেরই কাছে। ওরা দু’টি বোন তাইফা ও রাইফাখেলা ধূলায় প্রায়ই ব্যস্ত থাকতোসে যাওয়ায় একা খেলে তাইফা। কত শোরগোল আর হাসি কান্নাখেলায় তারা করতো আওয়াজছোট থালা বাসনে ও করত রান্না।…

  • বিনয়ের অবতার

    মনের মতোই বন্ধু যদি নাহি থাকো তুমিনিবিড় সম্পর্ক হৃদয়ের সাথে তাও জানি।রাত্রিগুলি মিশে গিয়ে স্তব্ধ করেই তোলেপরিপূর্ণ করে সকল দৃষ্টি অন্ধকার মিলে।কতো অন্তর শান্তি হয় আনন্দ মোহ ভরেশিরোনামেই নয় এসো পঙক্তির ভিতরে।বিনয়ের অবতারে তো তুমি চোখের মনিকতো যে তাল লয় ছন্দের সোনারি খনি।মোর মনপ্রান ভরে তোলে দারুন লেখায়একমাত্র নিরস বর্নহীনেও সাহস যোগায়।শতো লেখা নিয়েই যায়…

  • ভীত সন্ত্রস্ত

    কত জন চুপ থাকে তারা যেন বোকাঅসৎ ও বাটপাররা দেয় কতই ধোকা।ধান্দাবাজ অসাধু বাটপার চিটিংবাজসাধু সেজে তারাই দেয় মাথায় তাজ।জেনে শুনে সরলদের যা দেয় ফাঁকিবিচারেরও রায় দেয় জুরে সুরে হাঁকি।জ্ঞানীগুণীরা যত তাঁরা থাকেন নিরবঅসম্মানের ভয়ে তাঁরা করেনা যে রব।বাটপার প্রতারকের থাকে শোরগোলঅল্প কিছুতে তারা করে যা গন্ডগোল।সুযোগের সন্ধানে থাকে কত যে ব্যস্তনিরীহ সরল ভদ্র যতই…

  • জুরালো কন্ঠস্বর

    আনন্দ উল্লাসে নাতনিটি মোরপ্রতিদিন ফোনে এক দুই বারোকথা বলে এক রুম থেকে অন্যরুমে যায় হাসি খুশিতে কতোওআরোও জুরালো তার কন্ঠস্বর। কি ভংগিমাও কথা বলার তারমোবাইলে আলাপ করার সময়সে দাদুকে আবার তো কোনওসময়ে স্নেহের আপা মনিকে ইচায়ও দীর্ঘ সময় কথা হয় যার। নাতনির কথা বার্তায় হাসে সবমাঝে মধ্যে এমন যেনো কতোকিছু বলে মনে হয় তার যতোকথা…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *