খাবারে বিষক্রিয়ার ঘরোয়া চিকিৎসা

 প্রতি দিন কত রকম খাবার খেতে হচ্ছে আপনাকে। কখনও ডাল-ভাত আবার কখনও বিরিয়ানি কখনও বার্গার আবার কখনও খিচুড়ি, ফুচকা।

অফিসে কাজ করতে করতে কখনও চা, কখনও কফি। বাসায় থাকলেও টিভি দেখতে দেখেতে কখনও ঠাণ্ডা পানীয় আবার কখনও অন্য কিছু। সব সময় মুখ কিন্তু চলছেই।

প্রতি দিনের বিভিন্ন ধরণের খাবারের মধ্যে কোন খাবারে কখন বিষক্রিয়া হয়, তা বুঝতে পারেন না আপনিও। ফলে, কখনও পেটে ব্যথা কখনও বমি আবার কখনও পেট খারাপের মত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় আপনাকে।

খাবারে বিষক্রিয়া হলে, চিকিৎসকের কাছে যাওয়া থেকে শুরু করে ঔষধ খাওয়া, সব কিছুতেই বেশ ঝক্কি পোহাতে হয় আপনাকে। তাই বিষক্রিয়া থেকে বাঁচতে প্রতি দিন এমন কিছু খাবার আপনাকে খেতে হবে, যা থেকে প্রতি দিনের যে কোনও খাবারের বিষ থাকলে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করা যায়।

যেমন মধু। আপনি যদি প্রতি দিন একটু করে মধু খেতে পারেন, তাহলে পেটের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন। মধুতে যে অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, তা খাবারের বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।

পেট খারাপ বা পেটের সমস্যা হলে রসুন খেতে পারেন। ডিহাইড্রেশন থেকে মুক্তি দেয় রসুন। পেট খারাপ হলে যে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকে, সে গুলিকে বের করে দিতে সক্ষম রসুন। তাই খাবারে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিসায় রসুন বেশ উপকারী।

পাকস্থলীতে কোনও সমস্যা হলে আদা খান। পাকস্থলীতে জ্বলন থেকে শুরু করে অন্য কোনও সমস্যা থেকে রক্ষা করে আদা। তাই চা বা জুসের সঙ্গে আদা যোগ করেও খেতে পারেন আপনি। তাতেও পাবেন উপকার।

খাবারে বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করে লেবুও। লেবুর মধ্যে যে ভিটামিন সি রয়েছে, তা খাবারে বিষক্রিয়া থেকে রক্ষা করে। তাই পেট ভাল রাখতে লেবু খান।

খাবারে বিষক্রিয়া থেকে বাঁচতে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খান। এতে যেমন আপনার ত্বক ভাল থাকবে তেমনি চুলও থাকবে ভাল। খাবারে বিষক্রিয়া হলেও, অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেতে পারেন।

খাবার গরম পানিতে অ্যাপেল সিডার ভিনি- গার দিয়ে খেলে যেমন উপকার পাবেন, তেমনি সালাদেও যোগ করতে পারেন অ্যাপেল সিডার ভিনিগার। সব কিছুতেই উপকার পাবেন।

Similar Posts

  • হিট স্ট্রোক। কারণ লক্ষণ ও প্রতিকার

    হিট স্ট্রোক গরমের সময় খুবই সাধারন একটি রোগের নাম। আমাদের দেশে এপ্রিল থেকে জুন/জুলাই মাস পর্যন্ত মানুষের মধ্যে এই রোগটি আকস্মিক ভাবে ঘটার সম্ভাবনা থাকে। যেহেতু এই অসুখটি প্রায় না বলেই হানা দেয় সেহেতু এর সম্পর্কে ধারণা থাকলে সহজেই সেই পরিস্থিতি সামলানো যায়। চলুন আজকে এর কারণ, লক্ষণ ও এর প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নেয়া…

  • ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে নতুন হাতিয়ার

    মানুষ হাসপাতালে যায় শরীর সারাতে৷ সেখানে গিয়েই যদি নতুন জীবাণু শরীরে ঢোকে এবং কোনো ওষুধ কাজে না লাগলে কী করা যায়! এমন মারাত্মক ব্যাকটেরিয়া খতম করতে নতুন এক প্রক্রিয়ার পথে এগোচ্ছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা৷ অ্যান্টিবায়োটিক ঔষধ যে সব জীবাণুর ক্ষতি করতে পারে না, হাসপাতালে সেগুলি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে৷ জীবাণু কোথায় নেই! বিশেষ করে ঠিকমতো হাত…

  • বাচ্চাদের কোন টিকা কিসের জন্য দেওয়া হয়

    সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দেয়ার মাধ্যমে বাচ্চাদের অনেক ঘাতক ব্যাধি থেকে রক্ষা করা সম্ভব। অনেক সময় বাবা মার সীমিত জ্ঞান বিষয়টিকে আরও বেশি জটিল করে তোলে। সকল বাবা মার উচিত বাচ্চাদের টিকার ব্যাপারে খুব ভালো ভাবে জেনে রাখা যাতে করে সঠিক সময়ে সঠিক টিকা দেয়া সম্ভব হয়। এ ব্যাপারে প্রয়োজনে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া বাঞ্ছনীয়। টিকা…

  • প্রতিরোধযোগ্য রোগের টিকা (ভ্যাক্সিনেশন)

    পোলিও, বা পোলিও মাইলাইটিস, একটি সংক্রামক ভাইরাল রোগ যা থেকে পক্ষা- ঘাত, স্থায়ী অক্ষমতা এবং এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। পোলিও টিকা (ভ্যাক্সিনে- শন) রোগের বিরুদ্ধে সুরক্ষার একটি কার্যকর উপায়। আপনি যদি টিকা (ভ্যাক্সিনেশন) মিস করেন তবে আপনার কি করা উচিত? ক্যাচ-আপ টিকা (ভ্যাক্সিনেশন): আপনি যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই টিকার (ভ্যাক্সিনেশন) ডোজ মিস করেন,…

  • |

    থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ

    থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্ত স্বল্পতা জনিত রোগ। ইহা কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। রক্তের ক্যানসারও নয়। প্রকারভেদঃ ক্লিনিক্যালি থ্যালাসেমিয়াকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন-থ্যালাসেমিয়া মেজর, মাইনর এবং ইন্টার মিডিয়েট।থ্যালাসেমিয়ার অনেক প্রকারভেদ আছে। যেমন-বিটা থ্যালাসেমিয়া, ই-বিটা থ্যালাসে- মিয়া, হিমোগ্লোবিন ই-ডিজিজ, আলফা থ্যালাসেমিয়া, এস বিটা থ্যালাসেমিয়া, হিমোগ্লোবিন এস ডিজিজ, হিমোগ্লোবিন ডি পাঞ্জাব, হিমোগ্লোবিন ডি আরব ইত্যাদি।…

  • কিডনি সুস্থ রাখার উপায়

    শরীরের অন্যতম একটি গুরুত্ব পূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে কিডনি। এই অঙ্গটি ছাড়া বেঁচে থাকা অসম্ভব। এটি শরীরের তরল নিয়ন্ত্রণ করে, এবং প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত বর্জ্য ও পানি অপসারণ করে, শরীরের রাসায়নিকের স্থিতিশীল ভারসাম্য বজায় রাখে। এই অঙ্গটির কার্যক্রমে কোনো সমস্যা হলে বা এটি অসুস্থ হলে, তা শরীরে অনেক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। আর কিডনির রোগকে নীরব…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *