নসিহত

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বসাল্লামেরই নসিহত
নবিজি (সা.) যেসব জিনিসের মূল্যায়ন সময় থাকতে
করতে ও দিক নির্দেশনা দিয়েছেন উম্মতের প্রতিটি
সদস্য সৌভাগ্যবান সফল সর্বাঙ্গীণ সুন্দর জীবন লাভ
করতে পারে মুসলিম উম্মার প্রতি তা বিশেষ অসিয়ত।

রাসুলুল্লাহ(সা.) এর উপদেশ পালনের রাস্তা ধরো
যৌবনকে বার্ধক্যের আগে সুস্থতাকে অসুস্থ হওয়ার
আগে স্বচ্ছলতাকে দারিদ্র্যতা আসার আগে আরো
অবসরকে ব্যস্ততার আগে এবং জীবনকে তার মৃত্যু
আসার আগে এই পাঁচটি জিনিসকে মূল্যায়ন করো।

নিঃসন্দেহে তিনটি কালের মধ্যে যৌবনকাল সর্বশ্রেষ্ঠ
যৌবনকাল ইবাদতে কাটানো যুবক সেই সাত ব্যক্তির
অন্তর্ভুক্ত যাদেরকে মহান আল্লাহ কেয়ামতের কঠিন
অবস্থায় তাঁর আরশের ছায়াতলে স্থান দান করবেন
সঠিক আমল করায় তারাতো সকলের মধ্যে উৎকৃষ্ট।

যে ব্যক্তি দিনটি সুস্থতা দিয়ে শুরু করতে পারলো
যখন সুস্থ থাকে তখন নেয়ামত মনে করে ইবাদতে
মশগুল হওয়া সমগ্র দুনিয়ার অধিকার পারিবারিক
নিরাপত্তাবোধ আল্লাহর ইবাদত করার পুরোপুরি
সামর্থ রেখে তবে সে কল্যাণের কাজের পথ ধরলো

যেকোন সময় জীবনে দারিদ্রতাও এসে যেতে পারে
মহান আল্লাহ বলেন নিশ্চয় তোমার রব যাকে ইচ্ছা
করেন তার রিযিক বাড়িয়ে দেন যাকে ইচ্ছা করেন
তার রিযিক সংকীর্ণ করে দেন তিনি অবশ্যই তাঁর
বান্দাদের সম্পর্কে পূর্ণ জ্ঞাত যা সারা জাহান ভরে।

ব্যস্ততা এবং অবসর দুটো ই বান্দাহর জন্য নেয়ামত
ব্যস্ততা আসার আগেই অবসরকে সবে গুরুত্ব দাও
ব্যস্ততা মানুষের অনেক অন্যায় বেহুদা কাজ থেকে
বিরত রাখে ও অবসরের ফলে অনেক ভালো কাজ
সম্পন্ন করে নেককারদের সাথে তারা রাখে সোহবত।

মৃত্যু আসার আগেই মূলবান জীবনকে গুরুত্ব দিলে
কখন কীভাবে কে মৃত্যু বরণ করবে আল্লাহ ছাড়া
আর কেউ জানে না তাই এখনই মৃত্যু এসে যেতে
পারে প্রতিটি মুহুর্তকে কাজে লাগানোই হচ্ছে মুমিন
জীবনের প্রধান কাজ ফলে আখেরাতে শান্তি মিলে।

Similar Posts

  • বন্যপ্রাণীর হম্বিতম্বি

    ঢেউ খেলানো গাঢ় সবুজ আগের মতো নেই,পাহাড় কেটে বসতি আর খেতের জমি সেই।শহর আর বন্দরের ক্রমশ ঘটছে যে বিস্তার ,প্রকৃতির স্নিগ্ধতা-সজীবতার নেইত নিস্তার।পাহাড়ের মাটি যাচ্ছে যা কখনও ইটভাটায় ,কখনও আবাসন প্রকল্পের উন্নয়নে পাঠায়।পাহাড় বনাঞ্চলই মানুষ নিচ্ছে দখল করে ,বন্যপ্রাণী চলতে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেলে।মানুষ আর বন্যপ্রাণীর সংঘাত যা বাড়ছে ,বাঘ হাতির আক্রমণে আত্নরক্ষায় লড়ছে।বন্যপ্রাণী করছে…

  • খেলার সাথী

    আমরা কত উন্নত জাত,যা অনেক আছে জ্ঞাত। পাড়া প্রতিবেশী যারা, খেলার সাথী যে তারা।  অজোপাড়া গাঁয়ে যত ,   তাদের দুঃখ কষ্ট তত।  গরীব দুঃখী অসহায় , কাহারো যে নেই সহায়।  রাজধানীর ও লোক ,   সহ্য করে কত দুঃখ ।অনেক ভ্যানগাড়ি তাতে ,   চালক শুয়েছে যাতে। এই গাড়িগুলোতে দিনে ,নানা রকম দোকান বনে।

  • প্রাঞ্জল হাসি

    প্রয়োজনে নিজেকে কঠোর করেসমালোচনাকে স্বাগত জানাবারসাহস রেখে চলাফেরা করো পরে। জীবন মানেই ব্যর্থতা আর হতাশাএজন্য মন মানসিকতা যতো পারশক্ত করো কাজে দূর হবে নিরাশা। নিজের প্রতি বিশ্বাস অগাধ রাখোযোগ্যতার ওপর ভরসা ও শক্তিতেবিনয়ী হয়ে পরিশ্রম করতে থাকো। তবে কখনোই অতিরিক্ত খরচ নয়সাশ্রয়ী হয়ে জীবন অতিক্রম যারাকরে সুখে শান্তিতে আজীবন রয়। আমরা অনেক সময় যাই যে…

  • জ্যোৎস্না রাত

    রাতের প্রকৃতি যতো যেন আনন্দে ভরেঅনেকের জীবন ততো কিন্তু দুঃখ কষ্টেজর্জরিত হয়ে সুখ ভোগ যায় শত দূরে। জ্যোৎস্নায় রাতের আকাশ প্রকৃতি খুশীসেথায় চাঁদ আছে বলে আর অনেকেরঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই সে জন্যেই তারা দুঃখী। রাতের প্রকৃতি কতো সুযোগ করে দেয়সকলকে বিভিন্ন শব্দের সাথে পরিচিতহওয়ার আরো দূ:খ কষ্ট দূরে সরে নেয়। রাত্রে বিভিন্ন পোকার শব্দ কানে জাগেদিনে…

  • জাগরণ

    একদা সকল ছিলাম মাটি জলেযেথায় প্রত্যেক মুহূর্ত পক্ষাঘাতেমরে যেতে যেতে জাগরণ হয়েওএকত্রে চলাচল হতো সবে মিলে। সেই জাগরণ পলেই ভেসে যেতোগুল্ম নক্ষত্র তিথিও আয়ন মণ্ডলভেঙে নীলাভ বিপুল আলো এসেঅদৃশ্য নাচের টানেই ভরে দিতো। কেউ অন্য কারো তাকাত না মুখেএক খণ্ড শুয়ে থাকতো বিপরীতেআরেক খণ্ডের এ রকম ভুল ছিললাঞ্ছনায় পড়ে থাকতো রাজপথে। ফুটে উঠতো সূর্যমুখী ফুল ভোরেসারাদিন…

  • সবাই বৃদ্ধ হবো

    রূপের যশ ও চোখের দীপ্তি হারাতে হয়সৌন্দর্যের জন্য যে পুষ্পস্তবক সংগ্রহথাকে আমাদের শক্তি অনুভব করারজন্য শুধু পুষ্প নয় আরোও যত সবসমৃদ্ধি বাড়াতে সংস্থানে শোভা মন্ডিতসব কিছুরই সময়ের বিবর্তনে হয় ক্ষয়! প্রতিটি মানুষের সেবা শুশ্রূষা যত্ন হয়আরোও অসংখ্য অগনিত ঔষধ পথ্যব্যবহার করে সুঠাম সুন্দর সুস্থ রাখতেকি না বাকী থাকে তবে বয়সের চাপেঅঙ্গ প্রত্যঙ্গ শিথিল হয়ে কখনো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *