পরের তরে

আমরা সকল যত পরের তরে
জন কল্যাণে কাজ করে গেলে
আত্নতৃপ্তিতে যাবে জীবন ভরে।

মন মানষিক যাদের হয় ভালো
সর্বদা কাজ করে অন্যের জন্যে
জীবনেও জ্বলায় তাঁরা আলো।

ইহাতে খোদার রহমত অসীম
আমল আখলাক ভালো হলে
সুখ শান্তিতে থাকে সীমাহীন।

আমরা সকল যে মানব জাতি
একে অন্যের মংগল কামনায়
সুখ শান্তি ও দুঃখের হব সাথী।

আল্লাহ পাক মহান দয়াময় যিনি
তাঁর সৃষ্ট পৃথিবীতে আছে যতই
অসীম কৃপায় যে খাদ্য দেন তিনি।

Similar Posts

  • ছোটমনি দূরে 

    সবার ছোটমনি যেস্নেহের নাতনি সে।বিদেশে সে আছেনেই আশে পাশে।হৃদয় মন নিয়েছেকষ্টও বেড়ে গেছে।মোদের মাঝে নাইবিরহের দুঃখ পাই।ফোনের জন্যে রইআলাপে শান্তি হই।অনেক কথাও বলিআনন্দ ধরে ই তুলি।সৃষ্টিকর্তা করো দয়াসকলকে কর মায়া।

  • মায়ের নির্ভরশীল

    পৃথিবীতে এসেছিলো প্রথম যেদিনএকমাত্র নির্ভরশীল মায়ের সেদিন।দাঁত ও শক্তি ছাড়া কতো অসহায়কেবল মা বাবা তার সকল সহায়।কিছুক্ষণ পর পরেই কাঁদতে থাকেশীঘ্র মা ও বাবা কোলে নেয় ফাঁকে।সময়ে অসময়েই তাঁরা বুকে নিতোআদর সোহাগ ও স্নেহ মায়া দিতো।খোদার দয়ায় শিশুরা জীবন পায়স্নেহ আহ্লাদ করে কতো সময় যায়।পোশাকে পেশাব ও পায়খানা ঝরেএরপরেও আনন্দে থাকে স্নেহ ভরে।তাদের আরামে শত…

  • খোদার সকাশে চাই

    লোকদের টকিয়ে থাকে যেবিশ্বাসে নেইতো সে কাহারোমানুষের মধ্যে তো অধম সে ! পৃথিবীর সুখ করে নাই ভোগতাই পরের আনন্দ ও উল্লাসদেখলে মনে লাগে তার দু:খ ! যেথায় কোনোও বিজয়ী লোকশত ত্যাগ তিতিক্ষা সে করেছেফলে দেখে না আর কষ্টের মুখ ! যেই করিতেছে সহ্য মনের দু:খসরল সঠিক সৎ রাস্তায় চললেআল্লাহ পাক দিতে পারেন সুখ ! বিরলে…

  • স্ট্রোক কী? স্ট্রোক হলে কী করবেন?

    স্ট্রোক হল মস্তিষ্কের রক্তনালির একটি রোগ। সেই রক্তনালি ছিঁড়ে যাওয়া অথবা ব্লক হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের কারণ। অতএব স্ট্রোক দু’ধরনের১. রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে হেমোরেজিক স্ট্রোক বলে।২. রক্তনালি ব্লক হয়ে গিয়ে মস্তিষ্কে পর্যাপ্ত রক্ত না যাওয়া এবং মস্তিষ্ক শুকিয়ে যাওয়া, একে বলে ইস্কেমিক স্ট্রোক।কেন স্ট্রোক হয়?সাধারণতঃ কিছু ক্ষেত্রে অনেকদিন ধরে ধীরে ধীরে বাড়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি।…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • দৈন্যের নিগ্রহ !

    ধনী-গরিবের মাঝে একটা দূরত্ব তৈরি হয়পুঁজিপতিরা নিজের সঞ্চয়ের ভাণ্ডারকেইভারি করতে অধীনস্থদের ওপর অশালীনআচরণ শোষণ-নির্যাতন করতে কখনোইকরে না দ্বিধাবোধ যা সমাজে প্রচলন রয়। সম্পদ আহরণ যে কোনোও প্রকারে চায়একক মালিকানার একচেটিয়া প্রভাবেওপুঞ্জীভূতকরণ পুঁজিবাদীরা কোনো রকমএমন দৃষ্টি ভঙ্গির কারণে রাতারাতি তারাসম্পদের পাহাড় গড়ার যত সুযোগ পায়। সমাজের অন্যান্য মানুষ ফল ভোগ করেমানব গোষ্ঠীর বিশাল অংশকে সমাজেরঅর্থনৈতিক দৈন্য…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *