বিপদে পরিচয়

বিপদে পড়লে যেমন মানুষ চেনা যায়
দূর্বলতার কারণে জীবনে কত খারাপ
মানুষের উপস্থিতি সবাই দেখতে পায়।

শত মানুষ আছে পারেনা একাই কিছু
বিপদে সব থেকে পড়ে যায় সে বেশি
অল্প কিছু হলেও সাহায্যের রয় পিছু।

বিপদে তোমার পাশে যে এসে দাঁড়ায়
মনে হলেও বন্ধু তাকে অন্তরে খারাপ
তার দুর্গতিতে বাস্তবে সে নিয়ে গড়ায়।

সাধুবেশী যে সুখে ও দুঃখে অংশ নেয়
দুষ্ট প্রকৃতির থাকার ফলে স্বল্প সময়ে
সরলতায় মন মন্দিরে এসে হানা দেয়।

উদ্ধার করে তোমাকে যত বিপদ থেকে
সে নিজে একদিন অনেক বড় কোনও
দুর্ভোগেই দিবে ফেলে সুযোগের ফাঁকে।

Similar Posts

  • সকাল সন্ধ্যা

    সময় হয়ে গেলেই ফিরেসারা দিনই সকলে ঘুরে। সকাল থেকে ও সন্ধ্যায়চলাফেরা থাকে ধান্ধায়। বহু লোকের ফল মন্দাক্ষতিগ্রস্থদের যত ধান্ধা! ঘুরে ফিরে অনেক দূরে সংগ্রহ করে নেয় জুড়ে। কেউ হালাল চিন্তা করেবাকী সবে ধার না ধারে!পেট পুরে খেলেই হলো চিন্তা নাই গোল্লায় গেল!আরোও যারা সত্যনিষ্ঠকখনও করেনা অনিষ্ঠ!তাঁদের উপার্জনও শ্রেষ্ঠ লোকজন থাকে সন্তুষ্ট! তাঁরা হালাল যতই খায়মনে প্রানে শান্তিও পায়!খেয়াল খুশিতে যে চলে আত্মা অশান্তিতে জ্বলে!আল্লার…

  • স্বাস্থ্য রক্ষায় হাসি

    মানুষ একে অন্যের সাথে মিশেভালো অবস্থায় আনন্দ উল্লাসআর ফুর্তিতে যখন তারা থাকেমনের কালিমা টা দুরিভূত হলেসাধারণত: প্রায়ই সকলে হাসে। আমাদের মনে যেই আনন্দ রয়কোন দু:খ বেদনা অন্তরে যখনপ্রকাশ পায়না আরো আবেগটাআছে সেটার একটা তাৎক্ষণিকবহিঃপ্রকাশ হাসির মাধ্যমে হয়। যখন কাউকে প্রায় হাসতে দেখিতখন বলা যায় যে সে কত ই যেভালো আছে যারা সবসময় হাসেতাদের শারীরিক আরো…

  • আলীশান

    সুন্দর এক ভবন থেকে বের হলো লোকতাঁকে দেখে থাকল না ওর কোনো দুঃখ।বাড়ির নাম প্যালেস উত্তরা মডেল ঢাকাদেয়ালের ভিতরে খালি স্থান আঁকাবাকা।নীল রঙের জিক্সার মোটরবাইকটি ছিলগেটের পাশে রাখতেই দারোয়ানটি এল।দারোয়ান বাইক রাখতেই নিষেধও দিলঐ লোক শুনে তখন আশ্চর্য কত হলো।গার্ড আরোও বললো ইহা প্রিন্সের বাড়িরাখা যাবে না কোন বাইক অথবা গাড়ি।বিনয়ের সঙ্গে বলে বাইরে বাইকটা…

  • বন্যা পীড়িত

    অবিরাম বৃষ্টিরই জলঝরো ঝরো অনবরতযার শব্দ হয় ছলছল। মাঠ ঘাট আরো নদীজলেতে ভরপুর হয়েক্ষতিগ্রস্ত হয় নিরবধি। সবদিকেই শুধু পানিটইটম্বুর যতো বন্যার্তসকলে টানছে গ্লানি। বানবাসিদের যা কষ্টবসতঘরে পানি ঢুকেঅনেক কিছু হয় নষ্ট। গরু ছাগল আর হাঁসবন্যার পানিতে ভেসেমানুষের হয় সর্বনাশ। স্রষ্টা ছাড়া উপায় নাইকায়মনে প্রার্থনা করিযেনো সবে শান্তি পাই!

  • নিরীহ জননী

    কতকাল চলেই গেলতোমার দেখা না হলোকেন এমন তুমিই বল? সময় কত কষ্টে যায়দিল মোর দুঃখ পায়কেবল তোমার দায়! আমার দুর্ভোগ বিরহজ্বালাতন কত দূরুহঅসাক্ষাতেও নিরীহ! বসেছি নিরিহের মতমনে দুঃখ আছে যতলুকিয়ে রেখেছি শত! জন্মদাতা মা যা ভাবেসন্তানের মা হলে তবেযন্ত্রনার ফল যত পাবে!

  • তাদের কতো সুর

    আজি হতে বছর আগেশুরু হয় মোর কবিতা ওContent লেখা খোদারকৃপায় যত আছে ভাগে। লিখেই যাচ্ছি অনবরতশিশু কিশোর ছোট বড়যুবক যুবতীদের প্রসঙ্গেপ্রতিদিন যতো অবিরত। ভালো খারাপ আর মন্দসুন্দর ও অসুন্দর কত কিঅসংখ্য উদ্দেশ্যেই লিখেথাকি আনন্দ বা নিরানন্দ। বাটপার যত ধোকাবাজচিটার আরো ধান্দাবাজতারাও গড়ে যায় সমাজথাকে বড় সুর আওয়াজ। নীরব সহজ আর সরলকথা বার্তা চলাফেরাতেকরে তারাই নমনীয়ভাবসহজে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *