শর্করার খুঁটিনাটি

খাদ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে
জটিল শর্করার পরামর্শ পাওয়া যাবে
আমিষ কিংবা অন্যান্য সুষম খাদ্যের
পরিপূরক হিসেবে ও জটিল শর্করার
কিছু ভূমিকা তো সেখানে কতো চলে।

মস্তিষ্কে শর্করার বিকল্প পাওয়া কঠিন
কার্য ক্ষমতা বাড়াতে যা জটিল শর্করা
হতে ধীরে ধীরে শক্তি নির্গত হয় দেহে
মোট ক্যালরির ৫০-৫৫ শতাংশ জটিল
শর্করায় আসে চলো সবে করে রুটিন।

খাদ্যতালিকায় যোগ করা যায় এদের
ওজন হ্রাস পরিমিত স্বাস্থ্যকর ওজন
ধরে রাখার জন্য খাদ্য তালিকায় যত
ওদের যোগ করা যায়তো কোনগুলো
জটিল শর্করা জানাও দরকার যাদের।

আমলকি আমড়া সিট্রাস জাতীয় ফল
জলপাই লেবু কমলালেবু ইত্যাদি ফলে
আঁশ খনিজ এবং ভিটামিন পাওয়া যায়
বেরিজাতীয় ফল স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরি যত
এসব ফল দেখলে ই জিভে আসে জল।

এতে প্রো-অ্যান্থোসায়ানিন খুঁজে নিলে
যাতে আছে প্রাকৃতিক ও স্যাচুরেটেড
ফ্যাট পাওয়া যায় যা আঁশ পটাশিয়াম
ম্যাঙ্গানিজ থাকায় রোগ প্রতিরোধেরই
ক্ষমতাও শরীরের কতো বাড়তে চলে। 

কলাতেও জটিল শর্করা এ ফলে আঁশ
আর ভিটামিন বি-৬ শর্করা পটাশিয়াম
আছেই খালি পেটে কিন্তু কলা খাওয়া
যাবে না যে কোনো সবুজ শাক সবজি
পরিমিত খেলে শরীরের হয়না সর্বনাশ।

Similar Posts

  • দৌরাত্ম !

    প্রতিনিয়ত যা দেখা যায়বর্তমান কষ্টের জমানায়। দু:খীদের হক কেড়ে নেয়গরীবেরে শান্তি নাহি দেয়। এগুলো করে যাচ্ছে তারাঠগভাজ ও বাটপার যারা। দিন রজনীই ধান্দায় রয়কিভাবে যেন ঠকাতে হয়। দৌরাত্ম বাহাদুরিও কতোওদের জন্য ভোগে শতো। স্বার্থের যা সুযোগ খুঁজেবেহুশ করে মাঝে মাঝে! অজ্ঞান করে হাতিয়ে লয়ভুক্ত ভোগী নির্যাতন সয়! ছিন্তাই টগবাজিতে যা পায়আনন্দ খুশিতে এসব খায়!

  • স্মরণ করি তোমাকে

    কষ্ট সহ্য করে যে মানুষটি সন্তানের জন্ম দেনতিনিই মা দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ কষ্টেরতীব্রতা অসয্য জ্বালা যন্ত্রণাও বহন করে নেন! কেঁদেছিলাম অঝোরে সেদিন শুধুআওয়াজ কোনো ফোটেনি তখনস্নেহ ভালোবাসায় দিলেন দুধ মধু! যে মায়ের নাড়ী ছেঁড়া ধন আমিসে মাকে সৃষ্টিকর্তা নিয়ে গেলেনভাগ্যে কি যে জানেন অন্তর্যামি! বাঘের থাবা থেকে বাঁচতে হরিণ ছানা যেমনদৌড়িয়ে মায়ের…

  • তাওয়াককুল

    কারো যদি অস্বস্তি মিলেইবাদত বন্দেগীতে রতোথেকে সৃষ্টি কর্তার উপরেসম্পুর্ণ ভরসায় যাও চলে। দুশ্চিন্তা পেরেশানিই সবএকমাত্র আল্লাহ পাকেরউপর পূর্ণ তাওয়াককুলকরলে দূর করবেন রব! আমাদের স্রষ্টা মেহেরবানঅভাব অনটন দু:খ ব্যথানিজ দয়ায় দূর করে দেনচলো সকলে গাই গুনগান! তাঁর গুণ কীর্তনে হন খুশীসৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবেআরাধনা উপাসনার দ্বারাপ্রার্থনাও করি যেন বেশী!

  • দুঃখ দিও না !

    সাথী তুমি কার মন্ত্রণা পেলেআবারো এখানে কেন এলে। প্রথম ফাগুনে যা নবীন বেশেধনীরে তো ভালোবেসে হেসে। যাদের আছে বেশ টাকাকড়িমেলায় যায় তারা তাড়াতাড়ি। গরিব দু:খীদের মাথায় বাড়িবাড়িতে বসেনা পাকের হাড়ি। ঘর বাড়িতেই যার খাবার নাইমেহমান আসে মেয়ের জামাই। যতো মেলা আছে করি মানাএভাবে তুই আর আসিছ না। গরিবদের আর দুঃখ দিছ নাজ্বালা যন্ত্রণা আর বাড়াছ…

  • কতো কষ্টে বাঁচে

    সন্তান সন্ততি আছ যারাশিক্ষার সবার প্রয়োজনএতে কেউ ভুল করো নাচরণ ধর উস্তাদের তোরা। যারা সোনার এ বাংলায়জন্ম গ্রহণে বেঁচে আছোচেষ্টা শ্রমে থাক রত যারাগরিবকুলে জন্ম নিলায়। স্বাধীনও হলো দেশ তাইশ্রমের মজুরি সঠিক নাইবেঁচে থাকতে সবাই চাইকেমনে সবে শান্তি পাই। বিপন্ন লোক যারা আছেদুর্ভোগ দুর্গতিতে রয়েছেঅনেক কষ্ট দু:খেই বাঁচেকত বিত্তশালী রঙ্গে নাচে। ক্ষুধায় খাদ্য নাই যে…

  • নিষ্কৃতি মিলে

    বিত্ত বৈভব ও খ্যাতি পরিপূর্ণ যাঁদেরসমাজের সকল স্থানে অধিক সুনামমান সম্মান ও ইজ্জত আছে তাঁদের। ব্যক্তি সমাজ গোষ্ঠী নির্দেশ মত চলেছোট বড়ো যুবক আবাল বৃদ্ধ বনিতাসর্ব স্তরে তাদেরকে দু:খে কষ্টে মিলে। অনাথ এতিম আর নি:স্ব আছে যারাযতো অভাব অনটন দুর্ভোগ ও কষ্টেসব সময় সাহায্য সহায়তা পায় তারা। আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানীর ফলেপৃথিবীতে যত অসহায় নিরাশ্রয় আরঅন্ন…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *