স্বর্ণালী দিন

জীবনেরতো শ্রেষ্ঠ সময় ই হল ছাত্রজীবন
সাংসারিক জটিলতাও জীবনের বাস্তবিক
খুঁটিনাটি থেকে চিত্তকে চিন্তামুক্ত রেখে এ
ছাত্র জীবন সঠিক ভাবে কাজে লাগালে
পরবর্তী সারা জীবনেই সবে করে উন্নয়ন।

বাতাসের মতোই এই নির্মল স্নিগ্ধ ও স্বচ্ছ
স্কুল লাইফেই কাটানো সময় গুলো প্রায়
অধিকাংশ মানুষের কাছেই সব থেকেও
আনন্দ ঘন মুহূর্ত এবং এর যথাযথভাবে
বাস্তবায়নে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ হবে মুক্ত।

বিদ্যালয় অঙ্গাঙ্গি ভাবেও আছে ই জড়ে
অপরিপক্ক বয়স থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া
পর্যন্ত স্কুল আমাদের জীবনে সর্বাধিক
গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করার ফলে ই
উপযুক্ত বাস্তবায়নেই মধুর জীবন গড়ে।

যে স্কুল মোদের ছোট থেকে বড় করেছে
প্রত্যেকটা মুহূর্তে আমাদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ
এবং পরোক্ষভাবে থেকেছে সেই স্কুলের
শেষ দিনের বিদায় বেলায় সব অনুভূতি
একমাত্র স্মরণযোগ্য থাকার পথ হয়েছে।

পুরনো স্মৃতি গুলো শুধু মনে পড়ে যায়
বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো খুনসুটি মাখানো
অমূল্য কিছু মুহূর্ত টিচারের ভালোবাসা
মাখানো বকুনি ব্যতীত ক্লাস রুমে ভাগ
করে টিফিন খাওয়া স্মরণেও খুশি পায়।

Similar Posts

  • সময় সীমিত !

    চিরন্তন নিয়মে জীবন সংগীও চলে যায়কখনো এ জগতে কেহ স্থায়ী বসবাসেরজন্য আসেনি সৃষ্টি কর্তার হুকুমে বিদায়নেওয়ার পরে আত্নীয় স্বজন সবার মনেসে লোকটির জন্য কতোই যে কষ্ট পায়! স্রষ্টার অমোঘ বাণী জন্মিলে মরতেই হবেপরিবার পরিজন আত্নীয় স্বজন যত বন্ধুবান্ধব পাড়া পড়শী সমাজ সকলের সঙ্গেচলাচলের সময় ভাল ব্যবহার আর নেকআমল আখলাক এসব কিন্তু স্মরণ রবে! সকলের যেহেতু…

  • কিংকর্তব্য বিমূঢ় !

    তুমি আমাকে বলেছিলে ভাইএজন্য অনেক অপেক্ষা করেঅবশেষে আমি নিজেই তোরকাছে এসে পৌঁছে গেছি তাই। আমরা একত্রে বেড়াতে যাইযেথা ছিল কত আনন্দ ফুর্তিচলার রাস্তায় আরো প্রাক্তনবন্ধুর সাথে সেথা দেখা পাই। একটি রেস্তোরাঁতে গিয়ে বসিকতো গল্প গুজব করে আরোহালকা নাস্তার কাজটি সেরেসবে মিলে করি যা হাসি খুশী। বন্ধুদের একজন বলেই উঠেসামান্য দূরেতে মানুষের শব্দশুনা যায় পরে উপস্থিত…

  • মান অভিমান

    ঘনিষ্ঠ বন্ধু আপন হয়েযেন বেঁধেছে বুকে ঘরকষ্ট হবে তখন যদি বাতাকে করে কখন পর। সুখের নদী হয়না যেনোকোন দুঃখের বালু চরসকল সময় রেখো বন্ধুতোমার দুর্ভাগার খবর। একদিন সে হেরে যাবেআকাশেরই এক কোণেপাবেনা কখনো সেদিনতাকে খুঁজবে সব খানে। সে কিন্তু হাসবে তোমারভাসবে চোখের ই জ্বলেস্নেহ মমতার কত বন্দনবুঝবে বন্ধু কাকে বলে। তার যদি বা দেখা না…

  • দূর কর যত দু:খ !

    কতো মানুষ পথে – ঘাটে রয়অভাব-অনটন ক্লেশ দুর্ভোগনিপিড়ন নির্যাতন যতো সয়। তাদের নির্ধারিত আবাস নাইআরো চিন্তায় থাকে কোথায়খাবার জোগাড় করতে যাই। দিন রাত পেটের ধান্দা করেরাত পোহালে খাদ্য জোগাড়করতে হন্যে হয়ে তারা ঘুরে। শতো পেরেশানিতে ঘাম ঝরেকোন দিন কাজের বিনিময়েআয় করে সদায় নিয়ে ফিরে। আল্লাহ পাক প্রদান করেন সুখতাঁর অসীম দয়ার ফলে যেনোতাদের দূর করে…

  • জাল নিয়ে খালে

    অমাবস্যার রাতের জোয়ার ভরাসুন্দরবনে নদীর জল যখন ফুলেফেঁপে ওঠে হুহু করে জলও ঢুকেপড়ে বনের অসংখ্য শিস খালেরভিতর বাদার মানুষ তখন জালনিয়েও খালে যায় মাছ হয় মারা। বাদায় শিস খালই হল সরু মজাবড় নদী থেকে বের হয়েই বনেরখানিক ভিতর দূরে শেষ হয়েছেভাঁটায় বিশেষ জল থাকে শুধুইথক থকে কাদা গ্রাম আবাদ ওফসল যত আছে সব তরতাজা। একদিক…

  • স্বার্থভোগী

    রাজ্য নষ্ট অবিচারেতে জ্ঞানী গেছেন বলেভাগ্য ছাড়া দেশ করছে স্বার্থভোগীর দলেঅঘটন ঘটালো কতো ভালো করবে বলেশেষে মাথায় কুড়ালি মারলো ইহার ফলে। চালাবে সাবধানে নৌকা সত্যের হাল ধরেভাল লোকের জাত গেল যত কু সঙ্গ করেসোনার দেশে কতো জনে দুর্গতি আনলোসময় আছে এখনোও হুশ বুদ্ধি করে চল। এ পৃথিবীতে কল্যাণের কাজে ছিলো যাঁরাসার্থ ত্যাগেই সমৃদ্ধিতে কাজ করেছে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *