কবিতা

  • নিমন্ত্রণ

    যোগদান করতে যবে   অফিসের সহকর্মির  ছোট ভাইয়ের বিয়ে   অনুষ্ঠানে যেতে হবে।  সাপ্তাহিক ছুটির দিন  ১৪ই অক্টোবর ২২খৃঃ  বিয়ের নিমন্ত্রণ ছিল   সখ্যায় ছিলাম তিন। সিলেট থেকে ঐ দিন  কোম্পানিগঞ্জে যাবো বহু দূরের যাত্রা পথে যাওয়া হয়নি সেদিন।  বউ ভাতের নিমন্ত্রণ  বিয়ের পরেরই দিন   কয়েক দিন পূর্বের  ছিল যার আমন্ত্রণ।  শনিবারে মোরা যাব দাওয়াতে,নাতিন বড়  টিকে বলেছি…

  • বাল্য বন্ধু

        বাল্য কালের বন্ধুদের সাথে,    সেদিন দেখা হল চলার পথে।     আমরাত সখ্যায় ছিলাম চার,    গল্প করে রাস্তাটি হলাম পার।    অভিজাত রেস্তোরাঁয় গেলাম,    হরেক রকমের খাদ্য পেলাম।    রুচি মতে ভূরি-ভোজন সেরে,    খাবারের  বিল পরিশোধ করে।    চললাম নিয়ে সিএনজি ভাড়া ,     সেদিন মোদের ছিল না তাড়া।  সরকারি মাঠে চলছিল বই মেলা,  সেথায় করেনি কেউ কোন হেলা।  ঘুরে ঘুরে…

  • ঘুর্ণয়মান

    জগতটা ঘুর্ণয়মান পিন্ড,মানুষ স্বার্থে হয়েছে ভন্ড।আল্লাহর ঈশারায় চলে,ইচ্ছে করলেই সব ফলে।কত যে আজব তাঁর সুত্র,আকাশে চাঁদ তারা নক্ষত্র।তাদের চলার গতি সুন্দর,হবে না কখন ও অসুন্দর।নিয়মে ই করছে অতিক্রম,হয়না কোন দিন ব্যতিক্রম।দয়াময় সৃষ্টি কর্তা রহমান,মোদের প্রতি মেহের বান।তাঁর দয়াতেই নাযাত পাব,হুকুম মত চলে স্বর্গে যাব।

  • চড়াই উৎরাই

    কার কত আছে বল,সবই কিন্তু হবে তল।বাহাদুর এবং সবল,সকল ই হবে দুর্বল।বলিষ্ঠ নির্যাতন করে,ক্ষীণরা অবাধে মরে।স্থায়ী থাকেনা বড়াই,যত চড়াই ও উৎরাই।বাহাদূরী অহংকারী,সব হবে প্রলয়ঙ্কারী।শক্তি দাপট ও বল,হয়ে যাবে রসাতল।সময়ে সব হবে ধ্বংস,বিলুপ্ত হয়ে যাবে বংশ।

  • একক সত্তা

    আল্লার সুন্দর নামআসমাউল হুসনাজপন করে যারাসারছে তারা কাম। স্রষ্টার নামই তাঁরআমরা সকলেইপ্রকাশ করি গর্বেএকক সত্তা যার। গুণাবলি যেন কতসীমাহীন দয়াবানতাঁর করুণায় মোরাউদ্ধার হব শত শত।

  • প্রস্ফুটিত

     মানুষের নেই কোনোই জ্ঞান এক আল্লাহর সাহায্য ছাড়া তারা যতই করুক যেন ধ্যান।  পবিত্র কুরআনের মাধ্যমেই যত টুকু তিনি জানিয়েছেনতাঁর স্নেহের সব আদমকেই। নিরানব্বইটি গুণবাচক নামএকাগ্র চিত্তে তা জপন করে ইমানদাররা সারতেছে কাম। যাদেত অন্তর হয় বিকশিত আমল ইমান টিক রেখে যদি করে কাজ জীবন প্রস্ফুটিত। সৃষ্টি কর্তা তাঁর ইবাদতের দায়এ ধরায় সব সৃজন করেছেন  আমলে যেন মানুষ শান্তি পায়।

  • ক্যাসিনো

    শত গর্বের এই বাংলাদেশ,জন্ম ভূমি আমাদের দেশ।কত কি যেন আজব কান্ড,মাথা তাদের হয় লণ্ড ভণ্ড। অশালীন বেশে চলে যারা,মডেল হয়েছে নামে তারা।চুর বাটপার ও কত  জুয়া,জুয়ায় নষ্ট শত ফুড়ি ফুয়া।ক্যাসিনো নাম যার এখন,জুয়া তারে বলতো তখন।জগনণকে যারা দিয়ে  চাপ,  ঘুষ খায় তারা  বাপরে বাপ।সেলামি বলে খায় কত ঘুষ,হবে না যেনো কোনই দোষ। টাকায় নির্ধারিত কত রুজি,বাড়তি লাগেনা কোন…

  • আত্মীয়-স্বজন

    আদর ও আহ্লাদের মেহমান,অধীর আগ্রহে সব মেজবান। রং বেরংগের করে যে সাজ,পোশাকেও নেই কোন ভাজ। আছে সাথে কত উন্নত গাড়ি, আনন্দে যাবে অতিথির বাড়ি। প্রসাধনীর কত বাহারি সুগন্ধ,সকলের অন্তরে বেশ আনন্দ।আগতদের অভ্যর্থনার পালা,দাঁড়িয়ে রয়েছেন নিয়ে মালা।টেবিলে হরেক রকম খাবার, পানীয় দ্রব্য ফল মূল আবার।  খুশিতে যে শেরে ভূরিভোজনএকে অপরের আত্মীয়-স্বজন।

  • শীতের রাত

    ঋতু চলছে যখন শীতের , ছেঁড়া কাঁথা গায়ে গীতের।সুর লহরীতে মুখরিত মুখ,বুঝবেনা যেন আছে দুঃখ। ঢাকায় বাংলা একাডেমী,টান্ডার তীব্রতাও কমেনি।উদ্যানের দেয়ালের সাথে, কয়েক জন শীতের রাতে।সবাই আগুনের নেয় তাপ, পাশে নেই তাদের মা বাপ।নেশা দ্রব্য কেউ পান করে, অকালে ই তারা যায় মরে।অনেকেই থাকে ফুট পাথে, আলাপ হলে তাদের সাথে। জানা যায় আরো বেশ তত্ত্ব, যত কিছু বলছে হবে সত্য।

  • স্বার্থপর

    জীবনে আমরা অনেকে স্বার্থপরসত্য কথা বলেও মতের বিপরীতহলে পরে তবেই আপন হয় পর। এ ধরায় কত কার থেকেই বেশি যেভাবে হউক আয়ত্ত করে নিবেভোগ দখলে অধিক হলেই খুশি।  কত অতিরিক্ত আসলো তা লক্ষ্য হারাম হালাল কোন ভ্রুক্ষেপ নেই  যা পাবে হজম করতে আরো দক্ষ। রাস্তা ঘাট বাজার হাট সর্ব স্থানেসুযোগ পেলেই তারা আত্নসাথে ব্যস্ত থাকে যেন অভ্যাসের টানে।