কবিতা

  • ফূর্তি

    সাপ্তাহিক ছুটির দিন,পূর্ব নির্ধারিত রোটিন।সকালে বেড়াতে যাব ,নাস্তার টেবিলে খাবো।আমার প্রস্তুতি দেখে,নাতনীরা গেলো বেঁকে।তারা বললো দাদা ভাই,আজ কিন্তু নিস্তার নাই!একই রকম তাদের শুর,শুনতে কতই যে মধুর!পড়লাম আমি বিপাকে,ছুটতে পারি নাই ফাঁকে।বললাম আচ্ছা কি আর!সাজ গুজ কর যার তার।সাজতে যে সময় নিলো,ঘন্টাই শেষ করে দিলো।দুলালীরা করলো সাজ,ময়ূরেরা পেখমের রাজ।অবশেষে তাদেরকে নিয়ে,চললাম CNGগাড়ী দিয়ে।যাই ওসমানী শিশু উদ্যান…

  • স্নেহময়ী

    জন্মিয়া প্রথম যেদিন শিশু পড়িল মাঠিতে ,দাঁত নাই শক্তি নাই কোন কিছু ই খাইতে ।ভাগ্য গুণে মায়ের বুকে দুধ টুকু ছিল,জীব দিয়ে চুষে তাই জীবন বাঁচাল।স্নেহময়ী মা জননী কি যে অনুরাগী,অবাধ্য হলেও শিশু হয় না বিরাগী।সন্তানের সুখে ব্যস্ত থাকে সারাক্ষণও,দুঃখ কষ্ট কিছুই মনে করে না কখনো।সন্তান ব্যথা পেলে কলিজা মা’র জ্বলে,কতক্ষণে নিবারণ করতে পারে বলে…

  • দাপট

    ধরণীতে যা কিছু আছে বিরাজমান ,সকল কিন্তু সৃষ্টি কর্তার অশেষ দান।নদ নদী সাগর আর মহা সাগর যত ,জীব জন্তু আছে যে অনেক শত শত।পাহাড় পর্বত বন বনানী জংগল যত ,তরু লতা বৃক্ষরাজী প্রভূর নামে রত।পাখি সব এ ডাল থেকে ও ডালে যায়,মনের সুখে কতই গান মিষ্টি শুরে গায়।বাঘ ভালুক সিংহ যত, হিংশ্র প্রাণী যারা,দাপট হুংকার…

  • কত অসহায়

    জন্মের শুরু থেকে কতো অসহায় ,মা বাবা পরিজন সকল ই সহায়।খাবারের প্রয়োজনে কান্নার শুর,তাড়াহুড়ো করে মা থাকে যদি দূর।যাদু মনি বাছাধন আহ্লাদের বানী ,আনন্দে জড়িয়ে মুছে চোখের পানি।আল্লাহর নাম যপে শান্ত করে তারে,জিকির আজকারে কত সুর যে ধরে।খাবার দেয় হাত বুলায় বদনেতে তার,তন্দ্রার পরে ঘুম ধরে, সোহাগেতে মার।আদরের শোনা মনি জাগবে কখন ?মায়ের খেয়াল থাকে…

  • সৃষ্টির সেরা

    আমরা মানব জাতি সৃষ্টির সেরা,চলার পথে আঘাত দিবনা মোরা।যদি কারে দেয় কেউ দিতে পারে ,শক্তি তার চীর দিন থাকবে নারে।যে ভাবেই যাহাকে কষ্ট দেয়া হয় ,তার মনে সে দু:খ লুকিয়ে যে রয়।সুযোগের সন্ধানে প্রতীক্ষায় থাকে,প্রতিকার ঘঠাবে কোন এক ফাঁকে।আশরাফুল মাখলুকাত যত ধরায়,হানাহানিতে যেন কেউ না গড়ায়।মুসলিম সকলই যেন, মোরা ভাই ভাই,দুনিয়া ও আখিরাতে, শান্তি যেন…

  • সহিষ্ণু

    এ জগতে যারা আছে দুর্বল,নির্যাতন তাদের করছে সবল।দুর্বৃত্ত অসাধু সব দাপটে চলে, কথা বার্তা কত জোরে সুরে বলে।পথ প্রান্তর নদীর ঘাটে,নিপীড়িত নিরীহরা খেলার মাঠে।দোকান পাঠ বাজার হাট,সুযোগ পেলেই করে লোপাট।নীরবে নিভৃতে সহ্য করে,প্রতিবাদ না করে ধৈর্য ধরে।অত্যাচারের সহিষ্ণু যাঁরা ,আল্লাহকে সাথী পায় তাঁরা ।ভেংগে গেলে কষ্ট সহিষ্ণুতার বাদ,খোদাতায়ালার কাছে করে ফরিয়াদ।অভিশাপ তাঁদের প্রতি করেছে জুলুম,মকবুল…

  • আরাধনা

    আমরা সকল মুসলিম জাতি যেন ভাই,মুয়াজ্জিনের আজান যখন শুনতে পাই।শিশু কিশোর কতই যে যুবক,বৃদ্ধ নওজোয়ান যত সাবালক।অনাথ এতিম আরো দীনহীন,ধনী বিত্তবান আছে সীমাহীন।নিম্ন মধ্য উচ্চ বিত্তসহ সকলই সমান,নেই কোন ভেদাভেদ রয়েছে প্রমাণ।সারি বেধে মিলে দাঁড়ায় হয়ে একত্র,ইমামের অনুসরণ মসজিদের সর্বত্র।লোকের লোকারণ্যে মসজিদ ভরপুর,আরাধনা ছাড়া নেই কোন শোরগোল।রাজা বাদশা দরবেশ কতই না ফকির,মিলেমিশে করে শুধু আল্লার…

  • বিবর্তন

                  মানসিক কতই না খারাপ হলে ,     ক্ষতির চিন্তা করে যাচ্ছে ফলে ।  কিভাবেই করবে অন্যের ক্ষতি ,  প্রতিনিয়ত আছে যাদেরই মতি । সব কিছুতেই করছে ভেজাল ,  নেইকো তাদের কোন মায়াজাল। সুষম দ্রব্যেই সদা মিশ্রণ করে ,  খাদ্য প্রাণ নষ্টে দিচ্ছে যে ভরে । স্বার্থ সিদ্ধির চিন্তা ফিকির ধরে ,  ছুটছে তারা কতই না…

  • পরিত্রাণ

    অবিরাম বৃষ্টির জল, মাট ঘাট হয়েছে তল। গাছ পালা তরুলতা , ভেসে গেছে যথাতথা।পশু-পাখির ভেঙ্গে আবাসন, হলো তারা সহ নির্বাসন। অথই পানির স্রোতের জুর, চুরমার হলো নদীর কূল। হিংস্র পশু বনের বীর , তাদের গতি হয়েছে ধীর। সর্বত্রই জীবন মরণ খেলা,কাহারো নেই, কোন অবহেলা। বিপদ সংকুল পরিবেশ, অসংখ্য প্রাণীর নিঃশেষ। শ্রষ্টার কাছে জিবীত প্রাণ, কায়মনে…

  • সময় ক্ষেপণ

    দীর্ঘ প্রতিক্ষায় যদি প্রহর কেটে যায়,আশানুরূপ ফল তাতে যদি না পায়।অবিরত একই ধ্যানে থাকলে মশগুল,প্রাপ্তির আশায় নেই কোন শোরগোল। বিমোহীত থাকায় বিরাজ অশান্তি, আকাংখিত লব্দেই হয় প্রশান্তি। আশার আলো হলে প্রজ্জ্বলিত , মন প্রাণ সবই ভরে হয় উল্লসিত। প্রহরের সময় পরে বর্ধিত হলে, দিন-রজনী মোহে গড়িয়ে গেলে। প্রাপ্তির প্রচেষ্টায় নিয়োজিত যারা, পর্যায়ক্রমে উন্নত হবেই তো…