কবিতা

  • আকাঙ্ক্ষা

    মনের ইচ্ছা শক্তি থাকলেঅচিরেই কাঙ্খিত লক্ষ্যেপৌছতে যতযে সম্ভব হয়। দুর্বল আত্নার আছে যারাঅলসতা ও অকর্মন্যতায়তারা সর্বদা পিছু পড়ে রয়। এ জগতে জ্ঞানী গুণী যতপরিশ্রম তপস্যা সাধনায়তাঁদের জীবনে শান্তি বয়। নবী রাসুল ওলী-আউলিয়াকঠোর পরিশ্রমে প্রতিষ্ঠিতছিলেন তাঁরাই কল্যাণময়।

  • আজব পৃথিবী

    আজব প্রানীর নাম মানুষসকল আল্লাহর আবিষ্কৃততাঁদের দৌরাত্ম্য উদাত্তস্বরশক্তির জোরে আর দাপটেচললে থাকেনা তাদের হুশ। মানুষের বড় আবিষ্কার টাকাঅনেকে ঘুরে টাকার পিছনেকেমন করে বেশী তারা নিবেঅনুকূলে সর্বদা আছে ধান্ধাযেথায় নেই যে কোন ফাঁকা। জগতের মধ্যে যার ই যতসমস্যা সমাধান হচ্ছে কতআজব পৃথিবীতে মানুষেরচলার পথে বাহ্যিক ব্যবহারসবার উপর প্রমাণ শতশত। বর্তমান সময় চিন্তা হেথায়বদলে গেছে অনেক যেথায়মসজিদ…

  • রকমারি খাবার

    এক সাথে আমরা বেড়াতে যাব,বন্ধু বান্ধব আরো ও সাথী নিব।গাড়িতে সকল সংগীদের নিয়ে ,আমরা যত সবই বসলাম গিয়ে।অনেক রাস্তা যে পেরিয়ে গেলাম,সেথায় গিয়ে প্রতীক্ষায় পেলাম।কুশল বিনিময়ে আসন নিলাম,নতুন অনেক মেহমান দেখলাম।রকমারি খাবারে টেবিল যে ভরা,কে কত খাবে নেইকো বাধা ধরা।মোরগ পোলাও চিকেন তেহারী,খাসীর লেকুশ ফালুদা নেহারি।চিংড়ি কবুতর কাচ্চি বিরিয়ানী,গরু আর খাশির চাপ বোরহানি।অভিজাত খাদ্যের সমারোহ…

  • আবিষ্কার

    বিজ্ঞানীরা বহু প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন আক্ষ-রিক ভাবে বটে প্রকৃত পক্ষে আল্লাহ তাআলা স্রষ্টা তাঁর হুকুমের ফলে সব কিছু ঘটে। মেধার ওপর করে ভর মানুষই যত আবিষ্কার যে করছে তারা শত শত আল্লাহর দান ছাড়া নয় কারো মতো প্রদত্ত জ্ঞানে করছে আরো ও কত। গুণী জ্ঞানী যে সব উপকরণের ধারা ব্যবহার করে আবিষ্কার করছে তারা সকল…

  • শান্তির জিন্দেগী

    দীর্ঘ প্রতিক্ষায় কেটে যায় প্রহর,মোহের ছলে থাকায় পায়নি টের।অবিরত একই ধ্যানে থাকলে মগ্ন,তাতেও আশার রত্ন হয়নি ক লব্ধ।বিমোহীত থাকায় বিরাজ অশান্তি,আকাংখিত লব্দেই হয় প্রশান্তি।আশার আলো হলেই প্রজ্জ্বলিত ,মন প্রাণ সবই ভরে হয় উল্লসিত।প্রহরের সময় পরে বর্ধিত হলে,দিন-রজনী মুহে গড়িয়ে গেলে।প্রাপ্তির প্রচেষ্টায় নিয়োজিত যারা,পর্যায়ক্রমে উন্নত হবেইতো তারা।কায়মনে পালনে আল্লাহর বিধান,শান্তির জিন্দেগী করবেন প্রদান।

  • মৌ মৌ গন্দ

    দূরের অতিথিরা সাজগুজ করে,নিমন্ত্রণে একত্রে এসেছেন পরে।সকলে মোরা এক সাথে বসলাম,অনেক স্বাদের কত কিছু খেলাম।সব কিছু আর লেখা যায়না ছন্দে,চতুর্দিক বিস্তৃত হল মৌ মৌ গন্দে।পানাহার করে কতই স্বাদ পেলাম,পরে আমরা গল্প গুজবে গেলাম।পাড়া পড়শী সহ কত লোক জন,বন্ধু বান্ধব আরো অনেক সু জন।জড়া-জড়ি ও কোলা-কুলি করে,আনন্দ খুশিতে অনুষ্ঠানটি ভরে।আতিথিয়-তায় সকল যে মশগুল,ছিলনা যেথায়ও অন্য শোরগোল।

  • আল্লার দয়া

    পরম করুণাময় আল্লাহ পাক,তাঁর দয়ায় পাপিরা পায় মাফ।করজোড়ে কায়মনে মুক্তি চাই,খোদার রহমতে যেন শান্তি পাই।মেহেরবান দয়ার ভান্ডার যিনি,মখলুকাতের খাদ্য দেন তিনি।আমরা মানব জাতি ভূলে যাই,তিনি মাফ না করলে মুক্তি নাই।খোদা নবীর পথে যেন সব চলি,ইহ-পরকালে শান্তি যাবে মিলি।

  • আমার সাথী

    তুমি বলে ছিলে যাবেভাই মোর করে সাথেতাইতো আমি প্রস্তুতিনিতে শুরু করি তবে। ঠিক হলো এক গাড়ীকি সুন্দর মনোরম রঙপ্রকৃতির রুপ ঝলমলবেড়াতে যাবো বাড়ি। বললাম চলার পথেএকটু জিরোয়ে ছোটেযাবো আনন্দ উল্লাসেছানা দঈ নিয়ে সাথে। সেথায় তুমি যদি যাওদেখবে খেলছে মাঠেকত বসে তটে নীরবেকরছেনা কোনো রাও।

  • অসীম দয়াময়

    আল্লাহ পাক রব,আমরা বন্দা সব।পালন কর্তা তিনি,সবাই মোরা মানি।হুকুম মত যেন চলি,সত্য কথাও যে বলি। সৃষ্টি করছেন যিনি,কত দয়াবান তিনি।পানাহার দেন কত,শুকুরিয়া শত শত।মিষ্টি মধুর ও পানি,আরো অনেক খানি।

  • মূসা(আ:)

     আল্লাহকে দেখতে যখন   ইচ্ছা করলেন  মূসা (আ:)   উত্তরে বলেন খোদা তখন।   সামনে তুমি এগিয়ে যাও ফেরাও দৃষ্টি পর্বতের দিকে   দেখতে ই তাকে যদি পাও।  স্থিতিশীল আছে অবস্থানে  ধৈর্যশীল থেকে মনে প্রাণে  অটল থেকো তোমার স্থানে। তবে আমাকে দেখতে পাবে মনে প্রাণে অন্তরে তৃপ্তি ভরে  সাক্ষাতের ভাসনা দূরে যাবে। যখন আল্লাহ এসে দেখা দেন  পর্বতের ওপর…