বয়স্কদের মূল্যায়ন

কেউ বলে না বয়স্কদের কথা
সবাই কেবল শিশুদের আরো
যুবকদের কথা বলে যথাতথা।

গণমাধ্যমে নেই বললেই চলে
বার্ধক্য বিষয়টি যা প্রবীণদের
পক্ষ থেকে এ আভাস মিলে।

এক্ষেত্রেতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
সবে করে যে যুগান্তর তাদের
এই অভিযাত্রায় দেয় আভাস।

সংবাদ ও ফিচার তুলে ধরেছে
কয়েক বারই বার্ধক্যের বিষয়ে
ফলে এস্থানে আসতে পেরেছে।

যৌবনা পৃথিবী ঝিমিয়েই যাচ্ছে
ক্রমেই যেন তাই এখন থেকে ই
প্রবীণবান্ধব সমাজ গঠন হচ্ছে।

পৃথিবীতে যতো নতুন কিছু আছে
নতুনত্ব ক্ষনিকের জন্যে ফলে সব
নবীন ক্রমান্বয়ে প্রবীণ হয়ে গেছে।

Similar Posts

  • ভাঙা আয়না !

    বড় আম গাছের বুকে দুটো পেরেক গাঁথাভাঙা আয়নাটি টানানো হয়েছে পেরেকেসুতো বেঁধে যা তার বিপরীতে ছিল পাতা। একটি কাঠের চেয়ারের উপর ব্যক্তি বসেআয়নায় তাকানো আর এক তরুণ হাতেচিরুনী আর কেঁচি নিয়ে চুল কাটছে ঠেসে। এক সময় গ্রাম-গঞ্জের সাধারণ চিত্র ছিলআধুনিক যুগের জেন্টস পার্লারের দাপটেখোলা আকাশের নিচের ঐসব চলে গেল! ক্ষৌর কর্মের এ দৃশ্য অনেক বিরল…

  • উদ্ধার করে

    সঠিক বন্ধু জুটানো দায়যার মাঝে অন্তরের মিলচলাচলে একাগ্রতা এবংএকে অপরে শান্তি পায়। আসল মনের মানুষ যাঁরাবিপদ আপদে যথা সময়েদেয় সাড়া অসুখ বিসুখেইভাগাভাগি করে নেয় তাঁরা। ঘনিষ্ট বন্ধুটি রয় যদি পরেপ্রতিনিয়ত সাহায্য আরোসহানুভূতির উদ্দেশ্যে চলেকঠিন বিপদে উদ্ধার করে। সহোযোগীতায় মুক্তি মিলেসহনশীল মনোভাবে সকলচলে শত সমস্যা দূরে যাবেসৃষ্টি কর্তার করুণার ফলে!

  • আত্মা বিমূঢ় !

    বর্তমান যুগে অনেক আপদ রয় গােপনঝঞা আহবান করে তার স্বভাব কোপন। প্রাক্তন জাতির সভানুষ্ঠান রয় লক্ষ্যহীনতরুণ জীবন সবুজ শাখা যে রস বিহীন। প্রকাশ্য চমক মােদের আত্মাবিমূঢ় করেবাজনা-যন্ত্রগুলো আমাদের বেসুর ধরে। অন্তর থেকে বহ্নি প্রাচীন যত হরণ যারঅগ্নি-জ্যোতিঃ ‘লা-ইলাহা’র হারায় তার। মানব জীবন-গঠন বিকল যবে মুহ্যমানজাতির সত্তাও উত্তোলব করে শক্তিমান। পিতার রাস্তায় চলাচল করো ঐক্য মতঅনুকরণ…

  • ময়ত বাড়ি

    কান্নার রোলকেউ নীরব ওনিস্তব্ধ চুখেরপানি মুছে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নেইকোন গন্ডগোল। মৃতের কতভাই বোন মাবাবা চাচা চাচীদাদা দাদী ওনাযাত প্রার্থীআত্নীয় যত ! সকলের মুখেদুঃখের ছাপকোরান হাদিসতাসবী জপেস্বজনের ব্যথাসবারই বুকে ! লাশ বের করেযেই ঘর থেকেকান্না শুরু হয়পরে সবে নিয়েপড়া শুনা করেআর পথ ধরে! জানাযার তরেঈদগাহে লোকউপস্তিতিদেরবুক ভরা দুঃখসারিতে দাড়ায় ওঈদগাহ যায় ভরে।

  • স্রোত শুকিয়ে যায়

    মনের চঞ্চল স্রোতই যায় শুকিয়েহৃদয়ের আবাসন গড়ে কঠোরতাযায়না পালন করা এই মৃত্যু তারথেকে অনেক বেশীই নিকৃষ্ট যারওপর অশ্রু বর্ষায় সকলে কফিনওঠে চিতা জ্বলে আরো ঝাঁকিয়ে। কবরে দেয়া হয় ফুল প্রদীপ জ্বলেকিন্তু এই তো একাকীত্বের ভয়ানককবর শাশ্বত কারা বাস যার গম্বুজকতো গোলাকার থেকে চিৎকারেওনিজের প্রতিধ্বনিত আসে না ফিরেকখনো কখনো সীমাহীন ভয় মিলে। আরো মনোহর শিশিরভেজা রাতেযখনই…

  • বহে নদী-নালা !

    আমার স্নেহের বন্ধু কালাসহ্য করতে পারিনা তোরবিরহ ব্যথার যতো জ্বালা। তুমি ভাল আমি কুলবালাফুর্তি খুশিতে পরেছি গলেআমার যে কলঙ্কের মালা। সোনার দেহের করি হেলাতোমার চিন্তায় দুই নয়নেযতো বহে যায় নদী-নালা। ভাবী ও চিন্তি বসে নিরালামনে মানেনা কি আর করিযত দোষ দেয় আলাপালা। দোষ দিলে দু:খ কোন নাইইবাদত বন্দেগী করেই যাইখোদার করুণা যেনো পাই!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *